yashwant siha

ওয়েবডেস্ক: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগা শুরু করেছিলেন গত বছর দুর্গাপুজোর সময়ে থেকে। ক্রমে সেই আক্রমণের ধার বাড়িয়েছেন তিনি। এ বার যেন আরও চাঁচাছোলা। সাফ জানিয়ে দিলেন বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে গেলে বিজেপিকে উড়িয়ে দিতে বেশি সময় লাগবে না।

তিনি বাজপেয়ী জমানার অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে একটি উপসম্পাদকীয়তে নিজের মত প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কেন্দ্র ক্রমশ দিকভ্রষ্ট হয়ে গিয়েছে। মানুষের আস্থাও তাঁরা হারাচ্ছেন।” লোকসভা ভোটের আগে আর একটি মাত্র বাজেট রয়েছে। দেশের আর্থিক অবস্থার উন্নতি না হলে বিজেপির খারাপ দিন আসন্ন বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

দেশের আর্থিক অবস্থা, নারী সুরক্ষা, বিদেশনীতি, দেশের ভেতর গণতন্ত্রের চেহারা, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিদ্রোহ এবং তফশিলি জাতি/উপজাতি-সহ আরও একাধিক বিষয় তুলে ধরেছেন সিনহা। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন তিনি। সিনহার মতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কেন্দ্র ছোটোখাটো সাফল্য পেলেও ব্যর্থতার চেহারা এতটাই বড়ো যে সেই সাফল্যকে এখন দেখাই যাবে না। বিজেপির সাংসদদের প্রতি তাঁর বার্তা, “দেশের গণতন্ত্র বাঁচান।”

দেশের স্বার্থে এবং দলের স্বার্থে লালকৃষ্ণ আডবাণী, মুরলী মনোহর জোশির মতো প্রবীণ নেতাদের দায়িত্ব দেওয়ারও আবেদন করেছেন সিনহা। চাঁচাছোলা ভাষায় সিনহা বলেন, “এখন মনে হচ্ছে সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতে রেখে যে ভাবেই হোক ভোটে জেতা এখন প্রাধান্য হয়ে গিয়েছে দলের। এ ভাবে চলতে থাকলে পতন আসন্ন।” গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ভাগ্যে ছিল মাত্র ৩১ শতাংশ ভোট। সেই কথা মনে করিয়ে সিনহা বলেন, “বিরোধীরা একজোট হলে বিজেপিকে আর দেখাই যাবে না।”

গত বছর সেপ্টেম্বরে দেশের আর্থিক ব্যবস্থা নিয়ে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলিকে তোপ দাগা থেকে শুরু। তার পর ক্রমে আক্রমণের মাত্রা বাড়িয়েছেন তিনি। তবে তাঁর বার্তায় বিজেপি নেতৃত্ব আদৌ কর্ণপাত করবে কি না সেটা সময়ই বলবে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন