Yashwant Sinha launches 'Rashtra Manch Shatrughan sinha

নয়াদিল্লি: প্রবীণ বিজেপি নেতা এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহা কেন্দ্রের এনডিএ সরকারের প্রতি তোপ দেগে চলেছেন গত সেপ্টেম্বর মাস থেকেই। গত সপ্তাহেই তিনি তৈরি করে ফেলেছেন ‘রাষ্ট্রীয় মঞ্চ’ নামে একটি প্রতিবাদী সংগঠনের। যেখানে বিরোধী রাজনৈতিক দলের অনেক হেভিওয়েট নেতৃত্বই সশরীরে হাজির হয়েছেন। তবে মঙ্গলবার দ্বিপ্রহরে বিজেপি সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহার সরাসরি যোগদানে ওই মঞ্চের গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে গেল বলে মনে করছেন রাজনীতির কারবারিরা।

কোনো রকমের রাখঢাক না করেই যশবন্ত জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রীয় মঞ্চ আদ্যন্ত একটি রাজনৈতিক সংগঠন। যা কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবে। ইতিমধ্যেই ওই মঞ্চে গিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী, কংগ্রেস সাংসদ রেণুকা চৌধুরি, এনসিপি-র মজিদ মেমন, আম আদমি পার্টির সঞ্জয় সিং, গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সুরেশ মেহতা এবং জনতা দল (ইউ)-র পবন ভার্মা-সহ প্রমুখ প্রথম সারির নেতৃত্ব। প্রত্যেকেই দলের জ্ঞাতসারে বা দলের নির্দেশেই ওই মঞ্চ ভাগ করে নিয়েছেন। কিন্তু শত্রুঘ্নর ক্ষেত্রে তা ঘটেনি। তিনি খোদ বিজেপির সাংসদ হয়েও বিজেপি বিরোধী এমন একটি মঞ্চে যোগ দিলেন।

শত্রুঘ্নর পাশেই ছিলেন রাষ্ট্রীয় লোক দলের জয়ন্ত চৌধুরি, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সোম পল এবং হরমোহন ধাওয়ান। ওই মঞ্চে যোগ দেওয়ার কারণ হিসাবে শত্রুঘ্ন বলেন, ‘আমি এই মঞ্চে যোগ দিলাম কারণ আমার দলে এমন কোনো মঞ্চ নেই, যেখানে আমি আমার বক্তব্য খোলা মনে প্রকাশ করতে পারব। ফলে এটার সঙ্গে আমার দলের কোনো সম্পর্ক নেই। শুধুমাত্র জাতীয় স্বার্থেই আমি এই মঞ্চে এসেছি।’

যশবন্ত সিনহা মঙ্গলবারের ওই অনুষ্ঠানে বলেন, ‘দেশের আজকের পরিস্থিতি ৭০ বছর আগের অবস্থার ফিরে গিয়েছে। যে সময় জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করা হয়। এখন গণতন্ত্র রাষ্ট্রের শাসন যন্ত্রের কাছে প্রতিনিয়ত খুন হয়ে চলেছে।’ তিনি দাবি করেন, “নরেন্দ্র মোদী এখন কৃষকের গায়ে ‘ভিখারি’র তকমা সেঁটে দিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় মঞ্চ একটি অ-দলীয় রাজনৈতিক সংগঠন, এখান থেকে যাবতীয় জনবিরোধী সরকারি নীতির প্রতিবাদ করা হবে।”

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন