Thoothukudi

ওয়েবডেস্ক: বুধবার পুলিশের গুলিতে প্রাণ গেল কালিয়াপ্পান নামে এক যুবকের। দক্ষিণ তামিলনাড়ুর থুদুকুড়ি (পূর্বতন তুতিকোরিন)-তে পুলিশের গুলিতে কালিয়াপ্পান ছাড়াও আহত হন চার জন। তাঁরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অন্য দিকে এ দিনই পুলিশ গ্রেফতার করে তামিলনাড়ু সিপিএমের সম্পাদক কে বালাকৃষ্ণানকে।

বেদান্ত গোষ্ঠীর তামা কারখানা স্টারলাইট ইন্ডাস্ট্রিজ বন্ধের দাবিতে গত মঙ্গলবার বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে তুতিকোরিন। কারখানার গেট থেকে বিক্ষোভকারীরা জেলা কালেক্টরেটের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে। সেখানে পুলিশের গুলিতে নিহত হন একজন। হাসাপাতালে মারা যান এক ১৭ বছরের যুবতী-সহ আরও ১০ জন বিক্ষোভকারী।

এই ঘটনার পর থেকেই গোটা তুতিকোরিন জুড়ে এক শ্রেণির মানুষ সরকারি সম্পত্তি এবং যানের উপর অগ্নি সংযোগ করেন। তাঁদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলি থেকেও পুলিশ নিয়ে আসা হয়। নামানো হয় দাঙ্গা দমনকারী স্ট্রাইকিং ফোর্সকে। কিন্তু তা সত্ত্বেও বিদ্রোহের আগুন নেভেনি। বুধবারও আন্নানগরের ৬ নম্বর রাস্তায় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছুড়তে তাকে বিক্ষোভকারীরা। সে সময়ই পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি চালায়। সেই গুলিতেই আহত হন কালিয়াপ্পন নামের ওই যুবক। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

এ দিন হাসপাতালে আহতদের সঙ্গে দেখা করতে যান দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাজাগমের কার্যকরী সভাপতি এম কে স্ট্যালিন, কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতি এ থিরুনাভুকারাসার, মারুমালার্চি দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাজাগমের নেতা ভাইকো, মক্কাল নিতি ময়মের প্রতিষ্ঠাতা কমল হাসন-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গণসংগঠনের নেতৃত্ব।

উল্লেখ্য, রাজ্যে সিপিএমের সম্পাদক কে বালাকৃষ্ণান ও তাঁর অনুগামীদের এ দিন পুলিশ গ্রেফতার করে। তিনি চিদম্বরমনগরে স্টারলাইট কারখানা বন্ধের দাবিতে অনশনে বসেছিলেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here