চেন্নাই:  শেষ পর্যন্ত শক্তি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হলেন এড়াপ্পড়ি কে পালানিসামি। ৩০ বছর পর তামিলনাড়ু বিধানসভা নজিরবিহীন শক্তি পরীক্ষা দেখল। আস্থা ভোটে জিততে পালানিসামির ১১৭ ভোটই যথেষ্ট ছিল। কিন্তু তিনি ১২২ বিধায়কের সমর্থন নিয়ে আস্থা ভোট জিতলেন। এর ফলে শশীকলা ঘনিষ্ঠর হাতেই গেল তামিলনাড়ুর কুর্সী। বিপক্ষ ও পনিরসেলভম শিবির পেয়েছে মাত্র ১১ টি ভোট।

শনিবার সকালে আস্থা ভোটের জন্য বিধানসভার অধিবেশ বসলে ডিএমকে বিধায়কদের হৈ হট্টোগোলে অধিবেশন স্থগিত করে দেন স্পিকার। ডিএমকে দাবি ছিল গোপন ব্যালটে ভোট করতে হবে। স্পিকার পি ধনপাল এই দাবি খারিজ করে দেন। এর পর ডিএমকে বিধায়করা কাগজ ছিঁড়ে, মাইক্রোফোন-চেয়ার ভেঙে কার্যত তাণ্ডব শুরু করে। স্পিকার নিজে সভা থেকে ওয়াকআউট করেন। নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁকে সভা থেকে বার করে নিয়ে যান। ধাক্কা-ধাক্কিতে তাঁর জামা ছিঁড়ে যায়। এই সময় রেডিও-টেলিভশনেও বিধানসভার অধিবেশন সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এক বিশাল পুলিশবাহিনী বিধানসভার উদ্দেশে রওনা হয়।

পরে অধিবেশন বসলে স্পিকার ডিএমকে বিধায়কদের বহিষ্কার করেন। কিন্তু তাঁরা সভা ছাড়তে অস্বীকার করেন। ফলে ফের দুপুর তিনটে পর্যন্ত অধিবেশন স্থগিত করে দেয় স্পিকার।

পালানিসামির প্রতিপক্ষ পনিরসেলভমের পক্ষে ১১জন বিধায়কের সমর্থন ছিল। বিরোধী দল ডিএমকে ও কংগ্রেস তাঁকে সমর্থন করলে পনিরসেলভমের পক্ষে ১০৯ জন বিধায়ক সমর্থন চলে আসে। কিন্তু ডিএমকে বিধায়করা বহিষ্কৃত হওয়ায় তাঁর ভোট দিতে পারেননি। কংগ্রেসও ভোটভুটি বয়কট করে। ফলে ১২২ বিধায়কের সমর্থন নিয়ে আস্থা ভোটে জিতে যান পালানিসামি।

বিধানসভা থেকে বহিষ্কৃত হবার পর ডিএমকে নেতা এমকে স্ট্যালিন দলীয় বিধায়কদের নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন