নয়াদিল্লি: দিন পনেরো আগেই ‘মন কী বাত’ অনুষ্ঠানে খাবারের অপচয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই অপচয় কী ভাবে বন্ধ করা যায়, সে ব্যাপারে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে কেন্দ্র।

এ বিষয় কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান বলেন, অনেক সময়ে একটি রেস্তোরাঁয় খদ্দের যে পরিমাণ খাবারের অর্ডার দেন, তার থেকে অনেক বেশি পরিমাণ তাঁকে পরিবেশন করা হয়। সেটা যাতে বন্ধ করা যায়, সেই জন্য হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিকদের সঙ্গে বৈঠক ডেকেছেন পাসোয়ান।

তাঁর কথায়, “অনেক সময় রেস্তোরাঁয় গিয়ে আমি দেখেছি যে খাবার অপচয় হচ্ছে। ভারতের মতো দেশ, যেখানে এত মানুষ গরিব, সেখানে এই ধরনের অপচয় চলতে পারে না। রেস্তোরাঁ-শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সঙ্গে একটি বৈঠক ডেকেছি আমি। খাবারের পরিমাণ বেঁধে দেওয়ার কোনো আইনি বিধান করা যায় কি না সে ব্যাপারে আলোচনা করব।” তিনি আরও বলেন, “কোনো ব্যক্তি যদি দু’টো চিংড়ি খেতে পারেন, কেন অহেতুক তাঁকে চারটে চিংড়ি পরিবেশন করা হবে। যদি কেউ দু’টো ইডলি চান, কেন তাঁকে চারটে ইডলি দেওয়া হবে? এটা খাবারের পাশাপাশি পয়সারও অপচয়, কারণ মানুষ যেটা খেতে পারছেন না তার জন্যও তাঁকে দাম দিতে হচ্ছে।”

তবে এই ব্যাপারটা যে আদৌ হোটেল-রেস্তোরাঁয় সরকারি হস্তক্ষেপ নয়, সেটা খোলসা করেন পাসোয়ান। তাঁর কথায়, “এটা কোনো সরকারি হস্তক্ষেপ নয়। আমরা কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে চাই না। গ্রাহকদের জন্যই এই বিষয়টা নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। গ্রাহকদের চাহিদামতো খাবার যাতে পরিবেশিত হয়, আমরা সেটাই চাই।”

গ্রাহকদের কত পরিমাণ খাবার পরিবেশন করা হবে, সে ব্যাপারে খোঁজ নিতে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলির জন্য একটি প্রশ্নগুচ্ছ তৈরি করছে খাদ্যমন্ত্রক। তবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে নয়, সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছে থেকেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান পাসোয়ান।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here