নয়াদিল্লি : বিমুদ্রাকরণের পর গ্রামের মানুষ, যাঁরা বেশির ভাগ সমবায় ব্যাঙ্কের উপর নির্ভরশীল, তাঁদের দুর্দশা দূর করতে ও অসুবিধা লাঘব করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রকে তা জানানোর নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

বিমুদ্রাকরণের বিভিন্ন বিষয়কে চ্যালেঞ্জ করে যে এক গুচ্ছ আবেদন জমা পড়েছে, তার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি টি এস ঠাকুর এবং বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়কে নিয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ বলে, মামলার সব পক্ষ এক সঙ্গে বসুন এবং কোন কোন মামলা হাইকোর্টে পাঠানো যাবে আর কোনগুলোর শীর্ষ আদালতে শুনানি হবে তার একটা তালিকা তৈরি করুন।

কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল রোহতগি বলেন, সমবায় ব্যাঙ্কের অবস্থা নিয়ে সরকার সচেতন। তফশিলি ব্যাঙ্কগুলির মতো পরিকাঠামো ও ব্যবস্থাদি সমবায় ব্যাঙ্কগুলিতে নেই। কেন্দ্র যে অতিরিক্ত হলফনামা পেশ করেছে তার পুরো অধ্যায়টিতে সমবায় ব্যাঙ্ক সম্পর্কে বলা হয়েছে। রোহতগি বলেন, জাল নোট ধরার বিশেষজ্ঞতা এই ব্যাঙ্কগুলির নেই। তাই সরকার ইচ্ছা করেই সমবায় ব্যাঙ্কগুলিকে এই অভিযানের বাইরে রেখেছে।

সরকারের এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে সমবায় ব্যাঙ্কগুলির পক্ষ থেকে পি চিদম্বরম বলেন, এই অভিযানে সমবায় ব্যাঙ্কগুলিকে শামিল না করার ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছে।

এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ৫ ডিসেম্বর।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here