Connect with us

রাজ্য

এ বার আলিপুরদুয়ারেও করোনা, রাজ্যে আরও বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা

খবর অনলাইনডেস্ক: অভিবাসী শ্রমিকরা (Migrant Labourers) নিজেদের জেলায় ফিরলে সে জেলা যে গ্রিন জোনের তকমা খোয়াতে পারে, সেই আশঙ্কা ছিলই। সেই আশঙ্কাকেই সত্যিই করে এ বার আলিপুরদুয়ারেও (Alipurduar) করোনা-আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গেল। একসঙ্গে চার জন করোনায় আক্রান্ত হলেও ওই জেলায়।

পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৭৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর ফলে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪,৮১৩ জন। এই সময়সীমায় আরও সাত জনের মৃত্যু হওয়ায় রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩০২।

তবে সুস্থতার সংখ্যাতেও একটা বড়ো রকমের লাফ লক্ষ্য করা গিয়েছে। কারণ গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৭ জন রোগমুক্ত হয়েছেন। ফলে রাজ্যে এখন করোনাজয়ীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১,৭৭৫। ফলে রাজ্যে সুস্থতার হার কিছুটা বেড়ে হয়েছে ৩৬.৮৭ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় সব থেকে বেশি আক্রান্তের খোঁজ কলকাতাতেই (Kolkata) মিলেছে। নতুন করে ৭১ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণের সন্ধান মেলায় শহরে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১,৯৭৩। এখনও পর্যন্ত শহরে করোনামুক্ত হয়েছেন ৮২৯ জন।

কলকাতার পর সব থেকে বেশি আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে উত্তর ২৪ পরগণায়। ওই জেলায় ৫৪ জন করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬৪৫। হাওড়ায় নতুন করে ২৯ জনের শরীরে করোনার জীবাণু পাওয়া গিয়েছে। ফলে ওই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৪০।

এর পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত কালিম্পংয়ে ৭, দার্জিলিংয়ে ১৫, জলপাইগুড়িতে ১০, উত্তর দিনাজপুরে ১১৬, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৬, মালদায় ১২৫, মুর্শিদাবাদে ৭৮, নদিয়ায় ৬৯, বীরভূমে ৮৯, পুরুলিয়ায় ১, বাঁকুড়ায় ২১, ঝাড়গ্রামে ৬, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩০, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৮৩, পূর্ব বর্ধমানে ৭৬, পশ্চিম বর্ধমানে ৪৭, হুগলিতে ২৪০ আর দক্ষিণ ২৪ পরগণায় ১৮০ জনের শরীরে করোনার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে যে জেলায় কোনো করোনা (Coronavirus) আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায়নি সেগুলি হল কালিম্পং, দার্জিলিং, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৯,২৮২টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। ফলে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লক্ষ ৮৫ হাজার ৫১। গুজরাতের নমুনা পরীক্ষার থেকে মাত্র ১৩ হাজার পেছনে দাঁড়িয়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।

রাজ্যে এখন নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার ২.৬ শতাংশ, অন্য অনেক রাজ্যের থেকেই এটা কম।

রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় ফের কড়া লকডাউনের জল্পনা

কলকাতার ১৯টি রাস্তাকে পুরোপুরি সিল করে দেওয়া হচ্ছে।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: করোনার (Coronavirus) সংক্রমণ উত্তরোত্তর বাড়তে থাকায় রাজ্যের একাধিক শহরে ফের কড়া লকডাউনের (Lockdown) জল্পনা। ইতিমধ্যে কলকাতার অতি সংক্রমিত বেশ কিছু জায়গায় ফের কড়া লকডাউন ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে রাজ্য। একই ভাবে উত্তর ২৪ পরগণাতেও এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার চেষ্টা হচ্ছে।

লকডাউনে কলকাতার বেশ কিছু ওয়ার্ড

নবান্ন সূত্রে খবর, কলকাতার ১৯টি রাস্তাকে পুরোপুরি সিল করে দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ৭, ১৩, ৩১, ৭৪, ৯৪ নম্বর ওয়ার্ডে দু’টি করে রাস্তা রয়েছে। এ ছাড়াও ভবানীপুরের ৭০ ও দেশপ্রিয় পার্কের লাগোয়া ৮৫ নম্বর ওয়ার্ডে তিনটি করে রাস্তা পুরোনো লকডাউনের নিয়মে সিল করা হচ্ছে।

বরো হিসাবে ১, ৩, ৮, ৯ ও ১০ নম্বরে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বেশি। তাই সেখানেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

কলকাতার বিভিন্ন থানার ওসি-দের নিজেদের এলাকায় করোনা হটস্পট চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। কলকাতার ছবিটা তুলে ধরে পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম বলেন, নবান্ন ‘হটস্পট আইন’ বলবৎ করার পথে হাঁটতে পারে।

যদিও সংক্রমণ রুখতে কলকাতায় ‘কড়া পদক্ষেপ’ বলতে নির্দিষ্ট ‘এরিয়া সিল’ না আগের মতো ‘সার্বিক লকডাউন’ তা স্পষ্ট করেননি পুরমন্ত্রী।

কলকাতায় বেশি আক্রান্ত বহুতলের বাসিন্দারা

কলকাতায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত (Coronavirus) হয়েছেন ২৮১ জন। এর মধ্যে মাত্র ৩৭ জন বস্তিবাসী। বাকি ২৪৪ জনই ফ্ল্যাট এবং বহুতল ও পাকা বাড়ির বাসিন্দা।

পুরসভার তথ্য, গত দশ দিনে মহানগরে নতুন আক্রান্তদের ৪০ শতাংশ ফ্ল্যাট বাড়ি, ৪৫ শতাংশ পাকাবাড়ি এবং মাত্র ১৫ শতাংশ বসতি এলাকার বাসিন্দা।

শহরের সংক্রমণের হার বৃদ্ধির নেপথ্যে যে এক শ্রেণির সম্পন্ন গৃহস্থের ‘চরম উদাসীনতা ও উন্নাসিকতা’ দায়ী, তা এই তথ্য দিয়ে সোমবার জানিয়েছেন কলকাতার মুখ্য প্রশাসক ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)।

রাজ্যের মত হল, বাইরের রাজ্য থেকে অনেকেই করোনা আক্রান্ত হয়ে কলকাতায় ফিরেছেন। সে কারণে ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। তাদের আশা, আগামী কয়েক দিন উড়ান পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া আর স্পেশাল ট্রেনের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়ার ফলে নতুন সংক্রমণ কিছুটা কমতেও পারে।

উত্তর ২৪ পরগণা নিয়ে রাজ্যের ভাবনা

কড়া লকডাউনের পথে হাঁটতে চলেছে বারাসতও (Barasat)। মঙ্গলবার থেকে চায়ের দোকান ও খাবারের স্টল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে জেলা পুলিশ। একই সঙ্গে ফুটপাথের উপর সব খাবারের স্টলও বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ।

বারাসাতের পাশাপাশি বিধাননগর, দক্ষিণ দমদম, বসিরহাট পুরসভাতেও করোনার বাড়বাড়ন্ত চিন্তায় রাখছে প্রশাসনকে।

উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের একটি খসড়া পরিকল্পনা তৈরি করেছে। ওই পরিকল্পনায় ১৪ দিনের জন্য বাজার, গণপরিবহণ, ধর্মীয় স্থান বন্ধ রাখার প্রস্তাব রয়েছে। মাত্র ২০ শতাংশ কর্মী নিয়ে অফিস-কারখানা চালানোর কথা বলা হয়েছে।

মালদায় লকডাউন

বুধবার থেকে সাত দিনের জন্য জেলার ইংরেজবাজার (English Bazar), পুরাতন মালদা (Old Malda) এবং কালিয়াচকের তিনটি এলাকায় কার্যত লকডাউনের পথে হাঁটতে চলেছে প্রশাসন ও পুলিশ।

বুধবার সকাল থেকে সাত দিন পর্যন্ত এই বিধি কার্যকর থাকবে। বেলা ২টো পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনাবেচা চললেও তার পর থেকে সমস্তই বন্ধ হবে, বাইরে বার হতেও নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

শিলিগুড়িতে লকডাউন-জল্পনা

গত কয়েক দিনে শিলিগুড়িতে (Siliguri) যে ভাবে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে শহরে নতুন করে লকডাউন আরোপ করার দাবি করেছেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা। সাংসদ ছাড়াও রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের একাংশও লকডাউনের কথা ভাবছে।

শিলিগুড়ির ৪৬, ২৮, ১৮ নম্বরের মতো বেশ কিছু ওয়ার্ডে সংক্রমণ যে ভাবে বাড়ছে তাতে ওই এলাকাগুলিতে পূর্ণ লকডাউনের কথা ভাবা উচিত বলে চিকিৎসকদের একাংশের মত। প্রশাসনের তরফে শহরের বেশ কিছু বাজার বন্ধ রাখা হয়েছে।

১৪ দিন বন্ধ রাখা হয়েছিল শিলিগুড়ি নিয়ন্ত্রিত বাজার এবং চম্পাসারি বাজার। তবে লাগোয়া ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে তাতেও সংক্রমণ ঠেকানো যায়নি। তাই এলাকাভিত্তিক পূর্ণ লকডাউন জরুরি, বলছে প্রশাসনের একাংশও।

Continue Reading

রাজ্য

করোনায় লাগাম টানতে এ বার পশ্চিমবঙ্গে আসা স্পেশাল ট্রেনের সংখ্যা কমছে

১০ জুলাই থেকে নতুন এই পদ্ধতি চালু হতে চলেছে বলে রেল জানিয়েছে।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রাজ্যের দাবি মেনে পশ্চিমবঙ্গে স্পেশ্যাল ট্রেনের সংখ্যা কমাচ্ছে কেন্দ্রর। দেশের সর্বাধিক করোনা প্রভাবিত রাজ্যগুলি থেকে এ বার সপ্তাহে এক দিন করে ট্রেন যাবে পশ্চিমবঙ্গের উদ্দেশে। আগামী ১০ জুলাই থেকে নতুন এই পদ্ধতি চালু হতে চলেছে বলে রেল জানিয়েছে।

রাজ্য, বিশেষত কলকাতা আর লাগোয়া পুরশহরগুলিতে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যায় ক্রমশ বৃদ্ধির পেছনে বাইরের রাজ্য থেকে ট্রেন আর উড়ান আসাকেই দায়ী করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ ছিল, ঘরোয়া উড়ান এবং স্পেশ্যাল ট্রেন চালানোর ক্ষেত্রে যে প্রোটোকল বেঁধে দেওয়া হয়েছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা মানছে না। যার ফলে অন্য রাজ্য থেকে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিরা বিনা বাধায় রাজ্যে চলে আসছেন। যে কারণে এই রাজ্যে সংক্রমণের ঘটনা বাড়ছে। এ নিয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছিল নবান্ন থেকে।

এমনিতেও দেখা যাচ্ছে কলকাতায় করোনা-আক্রান্তের বেশির ভাগই বহুতলের বাসিন্দা। শহরের কনটেনমেন্ট জোনের ৭৭ শতাংশই রয়েছে বহুতলে। এতেই সন্দেহ বাড়ে যে বাইরের রাজ্য থেকে যাঁরা আসছেন, তাঁরা অনেকাংশেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে আসছেন।

রাজ্য সরকারের আবেদনে সাড়া দিয়ে ৬ জুলাই থেকে দেশের মোট ছ’টি শহর থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে কোনো উড়ান নামবে না বলে সিদ্ধান্ত করে কেন্দ্রীয় সরকার। ‘নিষিদ্ধ’ এই ছয় শহরের তালিকায় আছে দিল্লি, মুম্বই, পুনে, নাগপুর, চেন্নাই ও অমদাবাদ।

কী কী ট্রেনের ওপরে কোপ পড়ল

একই ভাবে করোনা প্রভাবিত শহরগুলি থেকে স্পেশাল ট্রেনের সংখ্যাও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১১ জুলাই থেকে হাওড়া-নয়াদিল্লি এসি স্পেশাল (ভায়া পটনা) সপ্তাহে চার দিনের বদলে হাওড়া থেকে ছাড়বে প্রতি শনিবার, দিল্লি থেকে ছাড়বে প্রতি রবিবার।

পাশাপাশি, হাওড়া-নয়াদিল্লি এসি স্পেশাল (ভায়া ধানবাদ) এখন সপ্তাহে তিন দিনের বদলে প্রতি বৃহস্পতিবার হাওড়া থেকে ছাড়বে, দিল্লি থেকে ছাড়বে প্রতি শুক্রবার।

দক্ষিণপূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে যে হাওড়া-অমদাবাদ স্পেশাল ১০ জুলাই থেকে রোজের পরিবর্তে প্রতি শুক্রবার হাওড়া থেকে ছাড়বে। ফিরতি ট্রেনটি ১৩ জুলাই থেকে প্রতি সোমবার অমদাবাদ থেকে ছাড়বে।

হাওড়া-মুম্বই স্পেশাল ১৫ জুলাই থেকে রোজের বদলে প্রতি বুধবার হাওড়া থেকে ছাড়বে। ফিরতি ট্রেনটি ১৭ জুলাই থেকে রোজের বদলে প্রতি শুক্রবার মুম্বই থেকে ছাড়বে।

তবে বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদে করোনা যে ভাবে ছড়াচ্ছে, এই দুই শহর থেকেও উড়ান আর ট্রেনের ওপরে লাগাম পরানো উচিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Continue Reading

রাজ্য

নতুন সংক্রমণ কিছুটা কম, রাজ্যে করোনামুক্ত হলেন ১৫ হাজার

এখনও পর্যন্ত মোট ৫ লক্ষ ৫২ হাজার ৭ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রবিবার দিন ৮৯৫ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ মিলেছিল। এখনও পর্যন্ত দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় এটাই রেকর্ড। সোমবার সেই সংখ্যাটা একটু কমল। অন্য দিকে সুস্থতার সংখ্যায় বিশেষ মাইলফলক তৈরি হল রাজ্যে। কারণ সংখ্যাটি ১৫ হাজার অতিক্রম করেছে।

রাজ্যের করোনা-তথ্য

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৮৬১ জন করোনা-পজিটিভ হয়েছেন। ফলে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এখন বেড়ে হয়েছে ২২,৯৮৭। ২১ জনের মৃত্যু হওয়ায় রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৭৯।

একই সঙ্গে রাজ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫২৫ জন। এর ফলে এখনও পর্যন্ত করোনামুক্ত হলেন মোট ১৫,২৩৫ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বর্তমানে রয়েছে ৬৬.২৭ শতাংশ। সক্রিয় রোগী রাজ্যে বর্তমানে রয়েছেন ৬,৯৭৩।

কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী চার জেলা

কলকাতার করোনা-পরিস্থিতি রাজ্যের বাকি অংশের তুলনায় উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮১ জনের শরীরে এই সংক্রমণ মিলেছে। ফলে এখনও পর্যন্ত শহরে মোট আক্রান্ত হলেন ৭,৩৮৯ জন। যদিও কলকাতায় সুস্থতার হারও যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক। এখনও পর্যন্ত করোনামুক্ত হয়েছেন ৪,৫৪৬ জন।

কলকাতায় করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা অত্যন্ত বেশি হওয়ার পেছনে স্বাস্থ্য দফতর একটি ব্যাখ্যাও দিয়েছে। তাদের দাবি, বাইরের জেলা থেকে অনেকেই কলকাতায় করোনা চিকিৎসা করাতে আসছেন। সেই সংখ্যাটা কলকাতার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।

কলকাতার পরেই সংক্রমণের নিরিখে সবার ওপরে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা। এই জেলায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১৮১ জন। ফলে এই জেলায় এখন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩,৯৪১।

হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগণা আর হুগলিতে করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ৯৭, ৮৪ আর ৩২ জন।

ঝাড়গ্রাম আর করোনামুক্ত নয়

এক ধাক্কায় ছয় জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ মিলেছে ঝাড়গ্রামে। ফলে এই জেলা এখন আর করোনামুক্ত নয়।

ঝাড়গ্রামের পাশাপাশি, দক্ষিণবঙ্গের সব জেলা থেকেই নতুন আক্রান্তের খবর এসেছে। এর মধ্যে সব থেকে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুরে (১৯)। তার পরে রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর (১২)। বাকি জেলায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা দশের কম।

তবে নতুন আক্রান্তের থেকে সুস্থতার সংখ্যা বেশি হওয়ায় সক্রিয় রোগী কমেছে বীরভূম (১৮) আর বাঁকুড়ায় (৩৭)।

উদ্বেগ বাড়ছে মালদা, দার্জিলিংয়ে

উত্তরবঙ্গের মধ্যে মালদা আর দার্জিলিংয়ে করোনা-পরিস্থিতি চিন্তায় রাখছে প্রশাসনকে। গত ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিংয়ে ৪৪ আর মালদায় ৪২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দার্জিলিংয়ের অধিকাংশ আক্রান্তই শিলিগুড়ির বাসিন্দা।

মালদায় এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮৫৯, দার্জিলিংয়ে ৬৪৭। তবে এই দুই জেলা বাদে, বাকি জেলায় পরিস্থিতি কিছুটা ভালো। গত ২৪ ঘণ্টায় আলিপুরদুয়ার আর কালিম্পং থেকে নতুন কোনো করোনা-আক্রান্তের খোঁজ মেলেনি।

নমুনা পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে প্রায় ১১ হাজার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর ফলে এখনও পর্যন্ত মোট ৫ লক্ষ ৫২ হাজার ৭ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। রাজ্যে প্রতি দশ লক্ষ মানুষে ৬,১৩৩ জনের পরীক্ষা হচ্ছে। বর্তমানে রাজ্যে নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার রয়েছে ৪.১৬ শতাংশ।

Continue Reading
Advertisement
বিদেশ8 mins ago

অনলাইনে ক্লাস করা ভিনদেশি পড়ুয়াদের আমেরিকা ছাড়তে হবে, নির্দেশ ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারের

দেশ44 mins ago

বিতর্ক বাঁধলেও ‘পতঞ্জলির করোনা ওষুধ’ অনলাইনে খোঁজের তালিকার শীর্ষস্থানে

অনুষ্ঠান1 hour ago

৮০-র পরেও নতুন অভিজ্ঞতার ‘শ্যামা’য় তিনি অভিভূত, বললেন সত্তরোর্ধ্ব নৃত্যশিল্পী পলি গুহ

drama
অনুষ্ঠান1 hour ago

শ্যামা ও বজ্রসেন চরিত্রের ফ্ল্যাশব্যাক, সম্পূর্ণ নতুন ভাবনা ‘শ্যামা’ নৃত্যনাট্যে

দেশ2 hours ago

অত্যাবশ্যক পণ্য তালিকা থেকে বাতিল মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার

বিদেশ3 hours ago

ভারতের পর আমেরিকায় চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ হওয়ার পথে

dhoni
ক্রিকেট6 hours ago

জন্মদিনে ফিরে দেখা মহেন্দ্র সিংহ ধোনির ম্যাচ জেতানো তিনটে সেরা ইনিংস

কলকাতা7 hours ago

দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই বা কলকাতা নয়, বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদের করোনা-পরিস্থিতি এখন চিন্তার কারণ

কেনাকাটা

কেনাকাটা23 hours ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা2 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা7 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

smartphone smartphone
কেনাকাটা1 week ago

লকডাউনের মধ্যে ফোন খারাপ? রইল ৫ হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের হদিশ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘরে বসে যতটা কাজ সারা যায় ততটাই ভালো। তাই মোবাইল ফোন খারাপ...

নজরে