দক্ষিণবঙ্গে বন্যায় মৃত ২৮, রুদ্ধশ্বাস অভিযানে ঘাটালে ৩৪ জনকে উদ্ধার করল বায়ুসেনা

0
590

ওয়েবডেস্ক: উন্নতি হওয়া তো দূরের কথা, ক্রমশ অবনতি হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতির। এখনও পর্যন্ত বন্যায় ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ দিকে শুক্রবার ব্যর্থ হওয়ার পর, শনিবার ঘাটালে ৩৪ জনকে উদ্ধার করেছে  বায়ুসেনা।

২০১৩-এর কেদারনাথে দুর্যোগের ছবিটা ফিরে এল ঘাটালে। কেদারে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধার করে নিয়ে আসছিল বায়ুসেনার চপার, ঠিক তেমনই শনিবার চারটে ট্রিপে আটকে থাকা মানুষকে উদ্ধার করে বায়ুসেনা। শেষ পাওয়া খবরে এখনও আটকে রয়েছেন কয়েক জন।

শুক্রবার বায়ুসেনার চপার একদফা উদ্ধারের চেষ্টা করলেও, ব্যর্থ হয়ে আসে। নিজেদের ভিটেবাড়ি ছেড়ে যেতে চাইছিলেন না দুর্গতরা। শনিবার তাদের বুঝিয়ে অবশ্য উদ্ধারে সক্ষম হয় বায়ুসেনা। দুর্গতদের ঘাটালের ত্রাণশিবিরে নিয়ে আসা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে উচ্চতাজনিত শারীরিক কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে তাঁদের।

রাজ্যের অন্যত্র বন্যা পরিস্থিতির কোনো উন্নতিই নেই। ঘাটালের পাশাপাশি সব থেকে খারাপ অবস্থা হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার একাংশে। হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরের একটি গ্রামে শুক্রবার রাতে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জেলার ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ১০টি জলের কবলে। একশোর বেশি গ্রাম জলের তলায়। জল ঢুকছে আমতায়ও। আমতার সাব পাওয়ার স্টেশন জলের তলায়। হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে জল ঢুকে যাওয়ায় পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। পুরশুড়ার ৮টি পঞ্চায়েত এবং খানাকুলের দু’টি ব্লকে জল নামেনি। উলটে রূপনারায়ণের জল ঢোকায় জলস্তর বাড়তে শুরু করেছে। ফলে পুরশুড়া ও খানাকুল কার্যত বিচ্ছিন্ন। অবস্থা শোচনীয় পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে।

এখনও পর্যন্ত বন্যায় ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট ১৬৫টি গ্রামে প্রায় ২৩ লক্ষ মানুষ বন্যা কবলিত। ২০৬৭টি ত্রাণশিবিরে এখনও পর্যন্ত ৪৪,৫৪২ জনকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here