rupee record

বিশেষ প্রতিনিধি, কলকাতা: ষষ্ঠ বেতন কমিশনের শুনানি প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে। ৪১১টি কর্মচারী সংগঠনের শুনানি শেষ করেছে কমিশন। কর্পোরেশন বোর্ড, গভর্নমেন্ট আন্ডারটেকিং সংস্থাগুলিরও শুনানি সম্পূর্ণ। মার্চ মাস থেকে শুরু হয়েছে দফতর ধরে ধরে শুনানির কাজ। এই প্রথম কোনো বেতন কমিশন দফতর ধরে ধরে শুনানি করছে। কোন দফতরে কোন পোস্টে কত কর্মী, তাঁদের বেতন কাঠামো কী, কাদের প্রমোশন হতে পারে- যাবতীয় বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দফতরওয়াড়ি শুনানি হয়ে গেলেই শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে। এছাড়া ৫২৮ জন রাজ্য সরকারি কর্মচারী ব্যক্তিগত ভাবে কমিশনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন। তাঁদের আলাদা ভাবে শুনানি হবে কিনা, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে পুজোর আগেই শেষ হয়ে যাবে শুনানি প্রক্রিয়া।

২০১৫ সালে্র নভেম্বরে অভিরূপ সরকারের নেতৃত্বে ষষ্ঠ বেতন কমিশন গঠন করেন মুখ্যমন্ত্রী। চলতি বছরের ২৭ নভেম্বর কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তার আগেই বেতন বৃদ্ধি সংক্রান্ত সুপারিশ এবং শুনানি সংক্রান্ত রিপোর্ট মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পেশ করতে চলেছে ষষ্ঠ বেতন কমিশন। সুপারিশ পেলে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বসে তা নিয়ে পযা৪লোচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরই সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। নবান্ন সূত্রে খবর, ২০১৯ সালের গোড়াতেই ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশন দ্রত শুনানি শেষ করার জন্য কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বিরোধা সংগঠন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সম্পাদক মলয় মুখার্জিও আশা করছেন, ২০১৯-এই কার্যকর হবে ষষ্ঠ বেতন কমিশন।

তবে তাঁদের প্রশ্ন, ১.১.২০১৬-তেই কার্যকর হওয়ার কথা ছিল ষষ্ঠ বেতন কমিশন। তা যদি পিছিয়ে ১.১.২০১৯-এ কার্যকর হয়, তাহলে কি ৩৬ মাসের এরিয়ার দেবে রাজ্য সরকার?

পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মহার্ঘভাতার ফারাক এই মুহূর্তে ৪২ শতাংশ। তাই, পুজোর আগে কয়েক শতাংশ ডিএ মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করবেন ও ২০১৯-এর শুরুতে কার্যকর হবে ষষ্ঠ বেতন কমিশন- এই দুই আশাতেই বুক বাঁধছেন ১০ লক্ষ সরকারি কর্মচারী।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here