পুনর্গণনা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ ৮ বিজেপি প্রার্থী

0

খবর অনলাইন ডেস্ক: নন্দীগ্রামের পুনর্গণনা চেয়ে হাইকোর্টে গিয়েছেন সেখানকার তৃণমূল প্রার্থী এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই আবেদন নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ কমপক্ষে আট বিজেপি প্রার্থী। এর মধ্যে দুই বিজেপি বিধায়কের আবেদনের শুনানি আগামী সোমবার।

নন্দীগ্রামে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে মামলা করার পর বলরামপুর, বনগাঁ দক্ষিণ, গোঘাট এবং ময়না— এই ৪ কেন্দ্রে গণনায় কারচুপি হয়েছে বলে হাইকোর্টে অভিযোগ করে তৃণমূল। ঘটনাচক্রে ওই ৪ আসনেই খুব কম ভোটে তৃণমূলকে পিছনে ফেলে জিতেছে বিজেপি। নন্দীগ্রামের পর পুরুলিয়ার বলরামপুর আসনে পুনর্গণনার মামলার শুনানি হয়েছে আদালতে। এ বার আদালতে বিজেপির মামলা উঠতে চলেছে।

বিজেপির তালিকায় রয়েছেন মানিকতলার পরাজিত প্রার্থী কল্যাণ চৌবে। সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর কাছে তিনি বলেন, “আমি মানিকতলা কেন্দ্রের ভোট পুনর্গণনার আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে গিয়েছি। ভোটের দিন সেখানে সন্ত্রাস হয়েছিল। ওই দিন আমার উপর দু’বার হামলা হয়। সব কিছুই রেকর্ডে রয়েছে। তৃণমূলের বেশ কিছু সন্দেহজনক লোক ভোটগণনা কেন্দ্রে ঢুকেছিলেন। আমি সে সময়ই নির্বাচন কমিশনের কাছে ভোট পুনর্গণনার অভিযোগ জানিয়েছিলাম। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আমি পুনর্গণনার ব্যাপারে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি”।

তিনি আরও বলেন, এ বারের বিধানসভা ভোটের ফলাফল পুনর্বিবেচনার দাবিতে আট জন বিজেপি নেতা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

কল্যাণ ছাড়াও আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছেন জলপাইগুড়ির বিজেপি প্রার্থী সুরজিৎ সিং। তিনি বলেন, “আমি চাই পুনর্গণনা হোক। পুনর্গণনা হলে ফলাফল যে সম্পূর্ণ আলাদা হবে, সে ব্যাপারে আমি একশো শতাংশ নিশ্চিত। আমি মাত্র ৯৪১ ভোটে হেরেছিলাম। এই ঘটনা কারও পক্ষেই বিশ্বাস করা সহজ নয়”।

প্রসঙ্গত, এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২১৩টিতে জিতে তৃতীয় বারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল। অন্য দিকে ১০০-র গণ্ডি টপকাতে পারেনি বিজেপি। তারা জয় পেয়েছে ৭৭টি আসনে। গত ২ মে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছিল।

আরও পড়তে পারেন: সোমবার থেকে বাড়ছে স্টাফ স্পেশাল মেট্রো

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন