cpim tmc moinul hassan

কলকাতা: সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য তথা চারবারের রাজ্যসভা সাংসদ মইনুল হাসান আর দলের সঙ্গে কোনো রকম সম্পর্ক রাখবেন না বলেই জানা গিয়েছে। সিপিএমের বর্তমান ‘রণকৌশল’ নিয়ে জমে ওঠা ক্ষোভের বহি:প্রকাশই যে তাঁর দলের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগের মূল কারণ, তেমনটাই জানা গিয়েছে ঘনিষ্ট মহল সূত্রে। স্বাভাবিক ভাবেই পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে রাজ্যের উত্তাল পরিস্থিতি অন্য দিকে সিপিএমের পার্টি কংগ্রেসে জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে চরম টানাপোড়েনের মাঝে দলের ‘তাত্ত্বিক’ নেতার এ হেন সিদ্ধান্ত অবাক করে দিয়েছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটকে।

অবশ্য সিপিএমের একাংশ বলছেন, মইনুল ব্যক্তিগত কারণেই নিজের দলীয় সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ করাননি। তবে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ার পরে তা পুনর্নবীকরণ না করানোর অর্থ যে দলত্যাগ করার শামিল সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে অতীতে মইনুলসাহেব বিশদ লেখালেখি করেছেন। এ ছাড়া পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ সম্পর্কিত তাঁর মননশীল লেখনীও যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। আবার কার্ল মার্কসকে নিয়ে তাঁর বিশেষ রচনা সংকলনও বামপন্থী তাত্ত্বিক নেতাদের কাছে সমাদর পেয়েছে। ইদানীং মইনুলসাহেব ফের মার্কসকে নিয়ে লেখালেখিতে হাত দিয়েছেন। মার্কসের দ্বিশত বার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর আরও একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হতে চলেছে। এমন সময় তিনি আচমকা কেন দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন?

এ ব্যাপারে মইনুলসাহেবের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি সরাসরি বলেন, “আমি এখন এ সব নিয়ে কিছু বলব না”। তবে তাঁর ঘনিষ্ট মহল সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপিকে রুখতে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সিপিএমের সমঝোতার পক্ষে রয়েছেন তিনি। তিনি মনে করেন, এক সময় সিপিএমের ঘোর ‘শত্রু’ ছিল জাতীয় কংগ্রেস। ফলে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রুখবার বাহানায় যদি এখন সিপিএম তাদের সঙ্গে জোট গড়তে পারে তা হলে কেন তৃণমূলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ ভাবে লড়াই করতে পারবে না!

1 মন্তব্য

  1. will TMC leave any space for the left in W B ? Has she ever respected anyone especially who opposes her policy even a bit ? Moreover she is powerful only in Bangla , how her help will be helpful in other states ?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here