leaipard

নিজস্ব সংবাদদাতা, জলপাইগুড়ি: চিতাবাঘের আতঙ্ক থেকে কিছুতেই মুক্তি মিলছে না। নাজেহাল জলপাইগুড়ির মালবাজার ব্লকের রাঙামাটি চা বাগানের বাসিন্দারা।

রবিবার ফের একটি চিতাবাঘ ধরা পড়ল বন দফতরের পাতা খাঁচায়। এই নিয়ে গত একবছরে ১০টি চিতাবাঘ পাওয়া গেল এই চা-বাগান থেকে। বনদফতরের সূত্র অনুযায়ী, ডুয়ার্সের সবচেয়ে চিতাবাঘ উপদ্রুত এলাকা রাঙামাটি চা-বাগান। বাগানের শ্রমিকরাও জানিয়েছেন, তাঁদের প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। প্রতিদিন চা-পাতা তোলার কাজ শুরু করার আগে পটকা ফাটিয়ে, ক্যানেস্তারা বাজিয়ে নিশ্চিত হয়ে কাজ শুরু করেন শ্রমিকরা।

তার পরেও চিতা বাঘের হানায় শ্রমিক জখমের ঘটনা ঘটেছে বহুবার। বাগান কর্তৃপক্ষের অনুরোধে বেশ কয়েকটি খাঁচা বাগানের বিভিন্ন জায়গায় পেতে রেখেছে বন দফতর। তার মধ্যেই আজ সকালে ১৪ নম্বর সেকশন থেকে গর্জনের আওয়াজ পেয়ে শ্রমিকরা ফাঁদে পড়া চিতাবাঘটি দেখতে পান। খবর পেয়ে মালাবাজার ওয়াইল্ড লাইফ স্কোয়াডের কর্মীরা এসে সেটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যান। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ চিতাবাঘটি ফাঁদে পড়ে লম্পঝম্প করায় কিছুটা আহত হয়।

স্কোয়াডের রেঞ্জার দুলাল দে জানিয়েছেন, প্রাথমিক চিকিৎসার পর সেটিকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানে ছেড়ে দেওয়া হবে। যদিও চিতাবাঘ ফাঁদে পড়ার পরও আতঙ্ক কাটেনি শ্রমিকদের মধ্যে। তাঁদের দাবি, আরও চিতাবাঘ আছে এখানে। বস্তুত সহজ শিকারের লোভে জঙ্গল ছেড়ে চা-বাগানগুলিতে ডেরা পাতে চিতাবাঘের দল। মালবাজার ওয়াইল্ড লাইফ স্কোয়াডের রেঞ্জার দুলাল দে জানিয়েছেন, তাঁরা নজরদারি চালাচ্ছেন বাগানে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন