TMC

কলকাতা: অসমের গণহত্যার প্রতিবাদে যাদবপুর এইটি-বি বাসস্ট্যান্ড থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত তৃণমূলের মিছিলে পা মেলালেন কয়েক হাজার মানুষ। এই ধিক্কার মিছিলে অংশ নেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র-সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্ব।

গত বৃহস্পতিবার অসমে পাঁচ বাঙালিকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নিজের এবং তৃণমূলের টুইটার অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল পিকচার তিনি কালো রঙে ঢেকে দেন৷ পাশাপাশি এই ঘটনার প্রতিবাদে গোটা রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে তৃণমূল৷ শুক্রবার জেলায় জেলায় প্রতিবাদ মিছিলে নামে তৃণমূল। রাজ্যের উত্তরে কোচবিহার থেকে দক্ষিণে হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ সমস্ত জেলাতেই প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে রাজ্যের শাসক দল।

দক্ষিণ কলকাতায় বিশালাকার মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ধরা বিভিন্ন পোস্টারে তুলে ধরা হয় কেন্দ্রের নাগরিকপঞ্জি এবং তার থেকে সৃষ্টি হওয়া বিদ্বেষের বিরুদ্ধে স্লোগান। এ দিন অভিষেকও রাস্তায় হাঁটেন গলায় ঝোলানো পোস্টার নিয়ে। মিছিল শেষে তিনি বলেন, “তিনসুকিয়ায় নারকীয় ঘটনা ঘটছে। এর প্রতিবাদে আমাদের লড়াই থেমে থাকবে না। এই লড়াই বাঙালির ঐতিহ্য রক্ষার লড়াই”।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাত ন’টা নাগাদ খেরোনিবাড়ি গ্রামে একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন স্থানীয় কয়েকজন বাঙালি যুবক। হঠাৎই জিপে চড়ে সেখানে হাজির হয় মুখ ঢাকা ও সেনার পোশাক পরা কয়েকজন সশস্ত্র  জঙ্গি। তারা ছয় বাঙালি যুবককে সেখান থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় কয়েক কিলোমিটার দূরে ব্রহ্মপুত্রের চরে। সেখানে নদীর চরেই অপহৃতদের  মাথা লক্ষ্য করে গুলি করা হয়।

এ দিন বাংলার শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করে বলেন, নাগরিকপঞ্জিকে হাতিয়ার করে অসম থেকে বাঙালিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তারই বলি ওই পাঁচ জন। তবে তৃণমূল কংগ্রেস বসে থাকবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিবাদ আরও জোরালো হবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here