Bharati ghosh gold

কলকাতা: পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাক্তন পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষের বাড়ি-ফ্ল্যাটের পর তাঁর ব্যাঙ্কের লকার থেকেও মিলল প্রচুর পরিমাণ সোনার গয়না। সিআইডি-র দাবি অনুযায়ী, ওই গয়নায় রয়েছে হলমার্ক। অথচ অডিও-বার্তায় ভারতীদেবী দাবি করেছিলেন, তাঁর বাবা জমিদার ছিলেন, তিনি মেয়েকে ৭৫ টোলা সোনা দিয়ে যান। ১৯৯৪ সালে সেই সোনার কথা তিনি সরকারি ভাবে জানিয়েও ছিলেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, তাঁর কথা অনুযায়ী আজ থেকে এত বছর আগে পাওয়া ওই গয়নায় হলমার্ক এল কোথা থেকে?

সোমবার ভারতীদেবী তাঁর চতুর্থত (সম্ভবত) অডিও-বার্তায় বলেছিলেন, ‘এখন সিআইডি আমার ব্যাঙ্কে গেছে। তারা বলছে, আমার ব্যাঙ্কের লকার খুলবে না ভাঙবে বলে অর্ডার নিয়ে এসেছে। আরে ভাই, আজ থেকে ২৮ বছর আগে, যখন আমি পুলিশের চাকরিতে ঢুকিনি, তখন আমার অ্যাসেট ডিক্লেয়ারেশনে জানিয়ে ছিলাম, আমার বাবা মধুপুরের জমিদার আমাকে এই সোনা দিয়ে গিয়েছিলেন। আর এখন আমার বিয়েতে পাওয়া সেই সোনা তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য সিআইডি তৈরি হচ্ছে।’

আরও পড়ুন: ফের অডিও বার্তা ভারতী ঘোষের, এ বার নিশানায় রাজ্য সরকার! শুনে নিন কী বললেন তিনি?

ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড সোনার বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের মাপকাঠি হিসাবে বিআইএস হলমার্কের প্রচলন করে ২০০০ সালে। প্রথমে সোনায় ওই বিশেষ চিহ্ন লাগানোর পর ২০০৫ সালে রুপোতেও ওই চিহ্নের প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু সিআইডি-র দাবি, ভারতীদেবী যে ১৯৯৪ সালের কথা উল্লেখ করছেন, তখনকার গয়নায় কী ভাবে এল ওই বিশেষ চিহ্ন?

আরও পড়ুন: দেখা করার জন্য ভারতী ঘোষকে নোটিশ সিআইডি-র, গ্রেফতার ভারতী-ঘনিষ্ঠের ফ্ল্যাটের কেয়ারটেকার

সাদার্ন অ্যাভিনিউর ইউকো ব্যাঙ্কের শাখায় ভারতীদেবীর লকারে তল্লাশি চালায় সিআইডি-র প্রতিনিধি দল।

আরও পড়ুন: জোর করে চাঁদা তোলার অভিযোগ, ভারতী ঘোষের বাড়িতে তল্লাশি সিআইডির

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here