Connect with us

প্রবন্ধ

Bengal Polls 2021: উত্তরবঙ্গের চা বাগানে অ্যাডভান্টেজ মমতা

ভোটের মুখে রাজ্য সরকারের চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি-সহ নানা সুযোগসুবিধা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত রাজ্যের শাসকদলকে অ্যাডভান্টেজ এনে দেবে বলেই মনে করা যায়।

Published

on

তপন মল্লিক চৌধুরী

গত লোকসভা ভোটে উত্তরবঙ্গের পাহাড় থেকে চা বাগিচা মমতাকে হতাশ করেছিল। গেরুয়াবাহিনীর সাফল্যে তরাই-ডুয়ার্সে তৃণমূলের ভিত একেবারেই নড়ে গিয়েছিল। একুশের বিধানসভায় বাংলা জয় করতে মরিয়া বিজেপি। এ  বারও উত্তরবঙ্গের চা  বাগানে তাদের তীক্ষ্ণ নজর।

Loading videos...

চা বাগানের ভোটারদের টার্গেট করেই চলতি আর্থিক বছরের বাজেটে কেন্দ্রের জনমোহিনী সিদ্ধান্ত শুনিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তাতে চা শ্রমিকদের কল্যাণে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাবও দেওয়া হয়। কেন্দ্রের এই বরাদ্দ ঘোষণার উদ্দেশ্য বিশেষ কার্যকর হয়নি। কারণ ২০১৪ সালেও ভোটের আগে কেন্দ্র উত্তরবঙ্গের সাতটি চা বাগান অধিগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তার পর একটি বিধানসভা ও একটি লোকসভা ভোট পেরোলেও কেন্দ্র তার প্রতিশ্রুতি পালন করেনি। স্বভাবতই চা শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ রয়ে গিয়েছে।

২০১৯-এর লোকসভা ভোটের প্রচারে ডুয়ার্সের মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বড়ো মুখ করে বলেছিলেন, উত্তরবঙ্গের বন্ধ সব চা বাগান তিনি খুলে দেবেন যদি বিজেপি আরও এক বার ক্ষমতায় আসে। নমোর আশ্বাসে ভরসা করে ডুয়ার্সবাসী দু’ হাত ভরে বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন। বিজেপি পাহাড় থেকে সমতলের জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে জয়ী হয়। কিন্তু বন্ধ চা বাগান খুলতে কেন্দ্র কোনো উদ্যোগই নেয়নি।

কেবলমাত্র তা-ই নয়, জলপাইগুড়ি শহরের চা নিলাম কেন্দ্রটি ২০১২ সাল থেকে ই-অকশন চালু করে পর্যাপ্ত চা পাতার অভাবে ২০১৫ সাল নাগাদ বন্ধ হয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তার হস্তক্ষেপ চেয়ে একাধিকবার আবেদনের পর সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, ওই চা নিলামকেন্দ্রে ই-অকশন চালু করার মতো উপযুক্ত পরিকাঠামো নেই। তা ছাড়া শিলিগুড়িতে যে হেতু একটি নিলামকেন্দ্র চলছে তাই কাছাকাছি আরও একটি নিলামকেন্দ্র চালু করার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এর জেরেও ক্ষোভ ছড়িয়েছে ডুয়ার্স তথা পাহাড়ের চা ব্যবসায়ী ও বাগানমালিকদের মধ্যে। ভোট বাক্সে এর প্রভাব পড়তে বাধ্য।

গত লোকসভায় উত্তরবঙ্গের হারানো জমি পুনরুদ্ধারে উঠে পড়ে লেগেছে তৃণমূল কংগ্রেস। একুশের বিধানসভা ভোটের আগে ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গের চা মহল্লায় মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত মাসের এক তারিখের হিসেব অনুসারে চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরিতে অন্তর্বর্তীকালীন ১৫ শতাংশ হারে অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। কেবল চা শ্রমিকরাই নন, ওই সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন চা বাগানের সাবস্টাফ থেকে শুরু করে স্টাফরাও। এর ফলে এক লাফে চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১৭৬ টাকা থেকে ২৬ টাকা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ২০২ টাকায়। এতে উপকৃত হবেন পাহাড়-তরাই-ডুয়ার্সের প্রায় সাড়ে চার লক্ষাধিক চা শ্রমিক, তার সঙ্গে চা বাগানগুলির প্রায় দশ হাজারেরও বেশি স্টাফ ও সাবস্টাফ।

ইতিমধ্যে আলিপুরদুয়ারের আটটি চা বাগান খোলার ব্যবস্থা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা ছাড়া চা শ্রমিকদের থাকার জন্য ‘চা সুন্দরী’ প্রকল্প ঘোষণা করেছেন। বন্ধ চা বাগানের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের ফাউলাইয়ের টাকাও বাড়িয়েছেন। আবার সারা বছর বিনামূল্যে রেশনের ব্যবস্থা করেছেন। জয় জোহার প্রকল্পে ষাটোর্ধ্ব শ্রমিকদের জন্য প্রতি মাসে ১ হাজার টাকার মাসিক ভাতারও ব্যবস্থা করেছেন মমতা। ভোটের মুখে রাজ্য সরকারের চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি-সহ নানা সুযোগসুবিধা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত রাজ্যের শাসকদলকে অ্যাডভান্টেজ এনে দেবে বলেই মনে করা যায়।

আরও পড়ুন: Bengal Polls 2021: ত্রিশঙ্কু বিধানসভা ধরে নিয়েই ছক কষছে তৃণমূল, বিজেপি

প্রবন্ধ

পয়লা বৈশাখ এমন এক আনন্দ-উৎসব যার কোনো সংজ্ঞা নেই

এক প্রাণের উৎসব এই পয়লা বৈশাখ যেখানে চৈত্র সেল আছে, মায়ের ঘর ঝাড়ার স্মৃতি আছে, সোনার দোকানের সামনে হালখাতার লম্বা লাইন আছে, নন্দনে রবীন্দ্রসংগীত আছে আবার সেই দূর আদিবাসী গ্রামে কিছু মানুষের উৎসব আছে।

Published

on

বৃহস্পতিবার নববর্ষের সকালে কলকাতার রাজপথে মঙ্গল শোভাযাত্রা। নিজস্ব চিত্র।

শক্তি চৌধুরী

এক জন লেখক যখন কোনো একটি বিশেষ দিন বা উৎসবকে কেন্দ্র করে কিছু লিখবে স্থির করে তখন তার প্রথম লক্ষ্য থাকে ওই বিশেষ দিন বা উৎসবের আঙ্গিকটা আগে বর্ণনা করা। আর ঠিক এই জায়গায় আমি মহা ফ্যাসাদে পড়েছি। ইন্টারনেট ও বেশ কিছু বই নিয়ে ইতিহাস খোঁড়াখুঁড়ি করতে গিয়ে দেখি, কী সর্বনাশ! ওই পৈতেধারী হিন্দু ব্রাহ্মণদের দোকানে দোকানে দাপাদাপির মূলে তো এক মুসলিম সম্রাট।

Loading videos...

আমি জানি আপনি মনে মনে কী বলছেন — “আঃ, এর মধ্যে আবার ধর্ম নিয়ে টানাটানি কেন, মশাই?” ঠিক তা-ই, আমিও এটাই বলতে চাইছি। ইতিহাস বলছে, এই দিনটির সঙ্গে ধর্মের কোনো রকম যোগাযোগ নেই। ধর্ম নাক গলিয়েছে তার নিজের স্বার্থে। যাক হেঁয়ালি রেখে বরং ইতিহাসটাই একটু ছোটো করে বলে নিই। ব্যাপারটা একটু পরিষ্কার হোক আগে।

মূল হিন্দু সংস্কৃতির যে দিনপঞ্জি নির্ধারিত হত সূর্যের অবস্থানের উপর নির্ভর করে, সে হিসাবে বহু শতক আগেই ১২ মাস আলাদা আলাদা করে নিয়ে বছর ভাগ করা হত। হিন্দু সৌরবছরের প্রথম দিন অসম, বঙ্গ, কেরল, মণিপুর, নেপাল, ওড়িশা, পঞ্জাব, তামিলনাডু এবং ত্রিপুরার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অনেক আগে থেকেই পালিত হত। পহেলা বৈশাখ আর্তব উৎসব তথা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে পালিত হত। তখন এর মূল তাৎপর্য ছিল কৃষিকাজ। আর ঠিক এইখানেই তৈরি হল সমস্যা। সমস্যা অর্থাৎ প্রশাসনিক সমস্যা।

ভারতে তখন মোগল শাসনব্যবস্থা চালু। আর মুসলিম দিনপঞ্জি ঠিক হত হিজরি পদ্ধতি মেনে। এই পদ্ধতি মূলত চাঁদের অবস্থানভিত্তিক, যার সঙ্গে আমাদের গ্রেগরি বা হিন্দু পদ্ধতির অনেকটাই ফারাক। দেখা গেল কৃষকদের খাজনা দেওয়ার সময় তাদের ঘরে ফসল নেই। তখন প্রত্যেককে চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সব খাজনা, মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করতে হত। তাই সম্রাট আকবর সিদ্ধান্ত নেন, একটা সম্পূর্ণ নতুন দিনপঞ্জি তৈরি করার যা প্রজাদের এই নিত্য সমস্যা থেকে কিছুটা রেহাই দেবে। সম্রাটের আদেশমতে তৎকালীন বাংলার বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ ফতুল্লাহ শিরাজি সৌর-সন এবং আরবি-হিজরি সনের উপর ভিত্তি করে নতুন বাংলা সনের নিয়ম বিনির্মাণ করেন। ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ মার্চ বা ১১ মার্চ থেকে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে এই গণনা পদ্ধতি কার্যকর করা হয় আকবরের সিংহাসন আরোহণের সময় (৫ নভেম্বর, ১৫৫৬) থেকে। প্রথমে এই সনের নাম ছিল ফসলি সন, পরে বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিত হয়।

অতএব আধুনিক ১ বৈশাখ পুরোপুরি একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যা সত্যি সত্যি জনগণের কল্যাণের লক্ষ্যেই গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু এই দিনটি পালনের ইতিহাসের দিকে নজর দিলে দেখা যায় খাজনা জমা করার পরের দিন ভূস্বামীরা স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করতেন। ক্রমে ক্রমে এটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়। পরে ব্যবসায়ীরাও এই বিশেষ দিনটিতে তাদের ধারের খাতা বন্ধ করে নতুন করে খাতা শুরু করেন এবং সব পুরোনো দেনা-পাওনা মিটিয়ে নেন। তাই এটি প্রায় বাংলা আর্থিক বছরের সমাপ্তি সূচিত করে। তবে এখন অবধি যা যা নিয়ে আলোচনা করলাম সবই মূলত সমাজে আর্থিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত মানুষদের কথা।

১ বৈশাখ উদযাপনের ইতিহাস কিন্তু শুধুই শহুরে শিক্ষিত বা আর্থিক ভাবে শক্তিশালী মানুষের মধ্যেই সীমিত নয়। ঐতিহাসিক ভাবে এটি সর্বজনীন। বাংলা নববর্ষ ও চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে পুব বাংলার (অধুনা বাংলাদেশ) তিন পার্বত্য জেলায় (রাঙামাটি, বান্দরবন ও খাগড়াছড়ি) উপজাতীয়দের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয়-সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’ আনন্দমুখর পরিবেশে পালিত হয়। বৈসাবি হল পাহাড়িদের সব চেয়ে বড়ো উৎসব। এ উৎসবকে চাকমারা বিজু, মারমারা সাংগ্রাই এবং ত্রিপুরারা বৈসুক বলে আখ্যা দিলেও গোটা পার্বত্য এলাকায় তা ‘বৈসাবি’ নামেই পরিচিত। বৈসুক, সাংগ্রাই ও বিজু এই নামগুলির আদ্যক্ষর নিয়ে বৈসাবি শব্দের উৎপত্তি। বছরের শেষ দু’ দিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন, এই তিন দিন মিলেই মূলত বর্ষবরণ উৎসব ‘বিজু’ পালিত হয়। পুরোনো বছরের বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করা উপলক্ষ্যে পাহাড়িরা তিন দিনব্যাপী এই বর্ষবরণ উৎসব সেই আদিকাল থেকে পালন করে আসছেন। এ উৎসব উপলক্ষ্যে পাহাড়িদের বিভিন্ন খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আদিবাসী মেলার আয়োজন করা হয়।

পাঠক এ বার বুঝুন কেন আমি এই লেখার একেবারে প্রথমেই বলেছিলাম এই উৎসবকে কোনো একটা নির্দিষ্ট প্রেক্ষিতে বিবেচনা করতে যাওয়া খুব বিভ্রান্তিকর। বাংলার এক প্রাণের উৎসব এই পয়লা বৈশাখ যেখানে চৈত্র সেল আছে, মায়ের ঘর ঝাড়ার স্মৃতি আছে, সোনার দোকানের সামনে হালখাতার লম্বা লাইন আছে, নন্দনে রবীন্দ্রসংগীত আছে আবার সেই দূর আদিবাসী গ্রামে কিছু মানুষের উৎসব আছে। তাই এ আমাদের এক আনন্দ উৎসব। যার কোনো নির্দিষ্ট বিভাগ নেই, সংজ্ঞাও নেই।

আরও পড়ুন: স্বাগত ১৪২৮, জীর্ণ, পুরাতন সব ভেসে যাক, শুভ হোক নববর্ষ

Continue Reading

প্রবন্ধ

First Man In Space: ইউরি গাগারিনের মহাকাশ বিজয়ের ৬০ বছর আজ, জেনে নিন কিছু আকর্ষণীয় তথ্য

আজ থেকে ঠিক ৬০ বছর আগে ১৯৬১-এর ১২ এপ্রিল মহাকাশে হিয়েছিলেন গাগারিন।

Published

on

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ‘মানুষ চূর্ণিল আজ নিজ মর্ত্যসীমা’ – ১৩ এপ্রিল, ১৯৬১। আনন্দবাজার পত্রিকার প্রথম পাতায় আট কলম জুড়ে ব্যানার হেডিং। মানুষ বিস্মিত, হতচকিত – মহাকাশে পৌঁছে গিয়েছে মানুষ?

তখনকার দিনে ঘরে ঘরে সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার সব চেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ছিল সংবাদপত্র। রেডিও ছিল, তবে তা ঘরে ঘরে ছিল না। আর টিভি তো ক’টা দেশে ছিল, তা হাতে গোনা যায়। তাই সংবাদপত্রই মূলত পৌঁছে দিল সেই খবর।

Loading videos...

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ভাষার প্রত্যেকটি কাগজে সে দিন প্রথম পাতার খবর – মানুষের মহাকাশ জয়। মানব-ইতিহাসে সব চেয়ে স্মরণীয় ঘটনা।

দিনটা ছিল ১২ এপ্রিল, ১৯৬১। সোভিয়েত নভশ্চর ইউরি গাগারিন মহাকাশযান ভস্তক ১-এ চেপে মর্ত্যের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে পৌঁছে গেলেন মহাকাশে। মহাকাশজয়ী প্রথম মানব হিসাবে স্মরণীয় হয়ে থাকলেন গাগারিন।

যুদ্ধবিমানের বিমানের পাইলট গাগারিন মহাকাশে ছিলেন ১ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট। তাঁর মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল অধুনা কাজাখস্তানের বৈকনুর কসমোড্রোম থেকে। পশ্চিম রাশিয়ার সিটি অফ এঞ্জেলস-এর কাছে গাগারিনের মহাকাশযান পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করে। মহাকাশযান থেকে প্যারাশ্যুটে লাফিয়ে পড়েন গাগারিন, নিরাপদে পৌঁছে যান ভূপৃষ্ঠে।

৬০ বছর আগে গাগারিনের সেই মহাকাশ-অভিযান মহাকাশবিজ্ঞান নিয়ে মানুষের গবেষণায় নতুন দিগন্ত খুলে দিল। এর পর থেকে মানুষ মহাকাশ নিয়ে কী করল, সে সব আজ আর কোনো অজানা তথ্য নয়।

ভস্তক ১ মিশন নিয়ে কিছু আকর্ষণীয় তথ্য

(১) বৈকানুর কসমোড্রোম থেকে যে মুহূর্তে ভস্তক ১ যাত্রা শুরু করেছিল, সেই মুহূর্তে গাগারিনের মুখ থেকে একটা শব্দ বেরিয়ে এসেছিল – “পোয়েখালি!” (যাওয়া যাক)।

(২) যে ভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, ঠিক সেই ভাবে চালিত হয়নি মিশন। যে উচ্চতায় কক্ষপথে ভস্তক ১-এর প্রবেশ করার কথা ছিল, তার চেয়ে বেশি উচ্চতায় প্রবেশ করেছিল। এর অর্থ মহাকাশযানটির ব্রেক ফেল করতে পারত। তা হলে আরও বেশি ক্ষণ গাগারিনকে মহাকাশে থাকতে হত। তবে তা হয়নি। ব্রেক ভালো ভাবেই কাজ করেছে এবং ফেরার সময় গাগারিন পরিকল্পনামাফিকই পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করেছেন।

(৩) জানা যায়, ভূপৃষ্ঠ ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গে গাগারিনকে প্রথম দেখেছিলেন এক কৃষক ও তাঁর কন্যা। সেই সময়টা ছিল ঠান্ডা যুদ্ধের। গাগারিনকে তাঁরা মার্কিন গুপ্তচর মনে করেছিলেন। তাঁদের বোঝাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছিল গাগারিনকে।

(৪) গোটা মিশনটা নিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন চরম গোপনীয়তা অবলম্বন করেছিল। গাগারিন পৃথিবীতে নিরাপদে পৌঁছে যাওয়ার পরে ইউরি গাগারিনের এই অবিস্মরণীয় কৃতিত্বের খবর প্রকাশ করা হয়। সারা বিশ্ব যেন একটা ধাক্কা খায়, বিশ্বাস করে উঠতে পারে না ঘটনাটা – মনে মনে ভাবে, এমনও হয়!

(৫) গাগারিনের মহাকাশ-বিজয় উপলক্ষ্যে উৎসব-সমারোহের আয়োজন করা হয় সেন্ট পিটার্সবার্গে। হাজার হাজার লোক তাতে যোগ দেন। অসংখ্য মডেল রকেট আকাশে ছোড়া হয়। সেই সঙ্গে চলে আতসবাজির নানা খেলা।

Continue Reading

প্রবন্ধ

Bengal Polls 2021: কোচবিহার জেলার ন’টি বিধানসভা কেন্দ্রে লড়াইয়ে কে কোথায়

২০২১-এ প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে গোটা রাজ্যে মাথাচাড়া দিয়েছে বিজেপি। তার নিরিখে বুঝতে হবে কোচবিহারের ফলাফল।

Published

on

তপন মল্লিক চৌধুরী

উত্তর বাংলার কোচবিহার জেলায় ন’টি বিধানসভা কেন্দ্র। ২০১৬-তে ন’টির মধ্যে ৮টি জিতেছিল তৃণমূল, একটিতে বামেরা। ২০১৯-এর লোকসভায় পাশা উলটে যায়। তৃণমূলকে টেক্কা দিয়ে বিজেপি লিড নিয়েছিল মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর ও দক্ষিণ, দিনহাটা ও নাটাবাড়িতে। ২০২১-এ প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে গোটা রাজ্যে মাথাচাড়া দিয়েছে বিজেপি। তার নিরিখে বুঝতে হবে কোচবিহারের ফলাফল।

Loading videos...

এ বার কোচবিহারে দিনহাটা ও নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র দু’টি আলোচনায় সব থেকে এগিয়ে। এখানে আগে যাঁরা ছিলেন তৃণমূলে, একুশে তাঁরাই বিজেপির হয়ে ভোটে লড়ছেন। তাঁদের মধ্যে একজন নিশীথ প্রামাণিক, অন্য জন মিহির গোস্বামী। নিশীথ দিনহাটায় তৃণমূলের উদয়ন গুহের বিরুদ্ধে ভোটে লড়ছেন আর মিহির নাটাবাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঘোষের বিরুদ্ধে। তার মানে এখানে জেলা তৃণমূলের দুই প্রাক্তন সভাপতির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। ২০১৬-র বিধানসভা ভোটে রবিবাবু ১৬ হাজারের বেশি ভোটে জয় পেলেও গত লোকসভায় সাড়ে ১৮ হাজারের বেশি ভোটে পিছিয়ে পড়ে তৃণমূল। তার পর থেকে বিজেপি এখানে সাংগঠনিক শক্তি যথেষ্ট মজবুত করেছে। করোনা পরিস্থিতিতে রবিবাবু দিনরাত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন। কিন্তু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসা মিহির গোস্বামীও কম যাচ্ছেন না।

দিনহাটার প্রার্থী উদয়ন বাবা কমল গুহের হাত ধরে রাজনীতি শুরু করে রাজ্যে পালাবদলের পর ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। এই কেন্দ্রের বিধায়কও হন। বাম ও ডান, দু’ দলের বিধায়ক হওয়ার অভিজ্ঞতা তাঁর। উদয়নকে কোণঠাসা করতেই যে সাংসদ নিশীথকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করা সেটা সকলেই বুঝছেন। দিনহাটায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মারাত্মক। দলের বিধায়ক-প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে পথে নেমে আন্দোলন করেছে কর্মী-সমর্থকরা। অন্য দিকে সাংসদপদ ছেড়ে বিধায়কপদের জন্য প্রার্থী হওয়া নিশীথকেও খুব সহজে মেনে নিতে পারছে না দিনহাটাবাসী। সুতরাং এ ক্ষেত্রে সংযুক্ত মোর্চার আব্দুর রাউফের (ফরওয়ার্ড ব্লক) সম্ভাবনা রয়েছে।

কোচবিহার দক্ষিণের লড়াইটা তৃণমূলের নবীন প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিক বনাম বিজেপির অভিজ্ঞ প্রার্থী নিখিল রঞ্জন দের। কারণ তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী এ বার দল বদলে নাটাবাড়িতে বিজেপি প্রার্থী। তাঁর জায়গায় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অভিজিত দে ভৌমিককে (হিপ্পি) লড়তে হচ্ছে বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি নিখিলরঞ্জন দের বিরুদ্ধে। অন্য দিকে বামপন্থী প্রার্থী অক্ষর ঠাকুর এক সময় এই এলাকার বিধায়ক ছিলেন। সব মিলিয়ে এই কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা।

প্রসঙ্গত, উত্তর কোচবিহার কেন্দ্রে ২০১৬-তে তৃণমূলের পরিমল বর্মনকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লকের নগেন্দ্রনাথ রায়। এ বারও তিনি বামেদের প্রার্থী। ২০১৯-এ এই কেন্দ্র থেকে ২৭ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছিলেন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া নিশীথ প্রামাণিক। এ বার এখানে বিজেপি প্রার্থী দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক সুকুমার রায়। উলটো দিকে তৃণমূল মাথাভাঙার বিধায়ক তথা অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণমন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মনকে প্রার্থী করেছে। সব মিলিয়ে জোরদার লড়াই।

মাথাভাঙা বিধানসভা কেন্দ্রেটি তফশিলি উপজাতির জন্য সংরক্ষিত। ২০১৬ সালে তৃণমূল প্রার্থী বিনয়কৃষ্ণ বর্মন ৩২ হাজারের বেশি ভোটে জয় পেলেও গত লোকসভা নির্বাচনে এখানে ২১ হাজারের বেশি ভোটে পিছিয়ে পড়েছিল তৃণমূল। এ বার বিনয়কৃষ্ণ বর্মনের পরিবর্তে হাইস্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক গিরীন্দ্রনাথ বর্মন হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী। বিজেপি প্রার্থী করেছে পেশায় কৃষক সুশীল বর্মনকে। সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী অশোক বর্মন (সিপিএম)। এখানে ভোটের হাওয়া ততটা গরম নয়।  

লোকসভায় কোচবিহারে ভরাডুবি হলেও সিতাইয়ে তৃণমূল বিজেপির থেকে প্রায় ৩৫ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিল। কিন্তু জেতার পর এক মাসের বেশি বাড়িছাড়া ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক জগদীশ বর্মাবসুনিয়া। এ বারও জগদীশবাবু দলের প্রার্থী। বিজেপি এখানে প্রার্থী করেছে দীপক রায়কে। তাঁকে ঘিরে বিজেপির মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। সংযুক্ত মোর্চর প্রার্থী কেশব রায় (কংগ্রেস)। এখানে প্রচারে হাওয়া গরম হচ্ছে কান্তেশ্বর সেতু কার আমলে তৈরি তা-ই নিয়ে। তৃণমূল বিধায়ক জগদীশবাবুর দাবি সেতুর শিলান্যাস হয় তাঁর হাত দিয়ে। সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী কেশববাবু বলছেন, তৃণমূল মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে।

তুফানগঞ্জে বিজেপি যথেষ্ট শক্তিশালী। এ বার এখানে প্রার্থী জেলা সভাপতি মালতী রাভা। মালতী দেবী ২০০১ ও ২০০৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে লড়েছিলেন। তিনি সম্প্রতি কোচবিহারে থাকলেও তাঁর আসল বাড়ি তুফানগঞ্জে। অন্য দিকে তৃণমূল এখানে প্রার্থী করেছে প্রণবকুমার দেকে। কিন্তু তিনি আলিপুরদুয়ারের লোক হওয়ায় দলের অন্দরে চাপা ক্ষোভ রয়েছে। সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী কংগ্রেসের রবিন রায়কেও মানতে নারাজ কংগ্রেস, নিজেদের মধ্যেই চলছে লাগাতার অসন্তোষ।

মেখলিগঞ্জে এ বার ফরওয়ার্ড ব্লকের দুই প্রাক্তন পরেশ অধিকারী বনাম দধিরাম রায়ের লড়াই। মেয়ের চাকরি নিয়ে বড়োসড়ো বিতর্কে জড়ানো পরেশ অধিকারীকে লোকসভায় প্রার্থী করার খেসারত দিয়েছে তৃণমূল। তার পরেও তিনি বিধানসভায় প্রার্থী। উলটো দিকে বিজেপি প্রার্থী দলের মণ্ডল সভাপতি দধিরাম রায়। ২০১৬-র বিধানসভায় তৃণমূল ৬০০০ ভোটে জিতলেও লোকসভা ভোটে পিছিয়ে ছিল। এখানে প্রচারে সেতু কারা তৈরি করল তা নিয়ে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে দ্বন্দ্ব বেঁধেছে। দু’ জনেই দাবি করেন এই সেতু তাঁদের তৈরি। যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী গোবিন্দ রায় অন্য জেলার বাসিন্দা হওয়ার দরুন প্রথম থেকে কিছুটা ব্যাকফুটে।

শীতলকুচি কেন্দ্রে মূল লড়াই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্তফ্রন্টের। তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায় মানুষকে উন্নয়নের বার্তা দিতে চাইছেন। অন্য দিকে সংযুক্ত মোর্চার সিপিএম প্রার্থী সুধাংশু প্রামাণিক তাঁর বাবা প্রয়াত সুধীর প্রামাণিক ৩০ বছর বিধায়ক থেকে এলাকার উন্নয়নে কত কাজ করেছিলেন সেটাই প্রচারে সামনে রাখছেন। বিজেপি প্রার্থী বরেনচন্দ্র বর্মনও হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক। এই আসনটিতে বিজেপি খুব একটা এগিয়ে যেতে পারবে বলে মনে করছে না রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুন: Bengal Polls 2021: উত্তরবঙ্গের চা বাগানে অ্যাডভান্টেজ মমতা

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
রবিবারের পড়া15 mins ago

রবিবারের পড়া: দেশে দেশে যত বিচিত্র ভোট

ক্রিকেট9 hours ago

IPL 2021: স্পিনের জালে জড়িয়ে মুম্বইয়ের কাছে আত্মসমর্পণ করল হায়দরাবাদ

বাংলাদেশ9 hours ago

ভক্ত-সতীর্থদের চোখের জলে শেষ বিদায় কিংবদন্তি অভিনেত্রীকে

Remdesivir
দেশ12 hours ago

মধ্যপ্রদেশের সরকারি হাসপাতাল থেকে চুরি গেল কোভিডরোগীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত রেমডেসিভির

Covid situation kolkata
রাজ্য13 hours ago

Bengal Corona Update: হুহু করে বাড়ছে সংক্রমণ, তার মধ্যেও সামান্য কমল সংক্রমণের হার

দঃ ২৪ পরগনা13 hours ago

গুজরাত রেল পুলিশ ক্যানিং থেকে উদ্ধার করল ৮ কেজি চোরাই সোনার গয়না

রাজ্য13 hours ago

Bengal Polls 2021: ভোটের শেষ লগ্নে অসুস্থ মদন মিত্র

দেশ15 hours ago

করোনায় নাভিশ্বাস দশা রাজ্যের, ‘বাংলায় ব্যস্ত’ প্রধানমন্ত্রীকে ফোনে পেলেন না মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে

রাজ্য21 hours ago

Bengal Polls Live: পৌনে ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৭৮.৩৬ শতাংশ

পয়লা বৈশাখ
কলকাতা3 days ago

মাস্ক থাকলেও কালীঘাট-দক্ষিণেশ্বরে শারীরিক দুরত্ব চুলোয়, গা ঘেষাঘেঁষি করে হল ভক্ত সমাগম

রাজ্য3 days ago

স্বাগত ১৪২৮, জীর্ণ, পুরাতন সব ভেসে যাক, শুভ হোক নববর্ষ

শিক্ষা ও কেরিয়ার1 day ago

ICSE And ISC Exams: দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা পিছিয়ে দিল আইসিএসই বোর্ড

গাড়ি ও বাইক3 days ago

Bajaj Chetak electric scooter: শুরু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পরেই বুকিং বন্ধ! কেন?

ক্রিকেট3 days ago

দুর্নীতির অপরাধে ক্রিকেট থেকে ৮ বছরের জন্য বহিষ্কৃত জিম্বাবোয়ের কিংবদন্তি হিথ স্ট্রিক

ক্রিকেট1 day ago

IPL 2021: দীপক চাহরের বিধ্বংসী বোলিং, চেন্নাইয়ের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ল পঞ্জাব

মুর্শিদাবাদ1 day ago

Coronavirus Second Wave: কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন রাজ্যের আরও এক প্রার্থী

ভোটকাহন

কেনাকাটা

কেনাকাটা4 weeks ago

বাজেট কম? তা হলে ৮ হাজার টাকার নীচে এই ৫টি স্মার্টফোন দেখতে পারেন

আট হাজার টাকার মধ্যেই দেখে নিতে পারেন দুর্দান্ত কিছু ফিচারের স্মার্টফোনগুলি।

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজোর পোশাক, ছোটোদের জন্য কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সরস্বতী পুজোয় প্রায় সব ছোটো ছেলেমেয়েই হলুদ লাল ও অন্যান্য রঙের শাড়ি, পাঞ্জাবিতে সেজে ওঠে। তাই ছোটোদের জন্য...

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজো স্পেশাল হলুদ শাড়ির নতুন কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই সরস্বতী পুজো। এই দিন বয়স নির্বিশেষে সবাই হলুদ রঙের পোশাকের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। তাই হলুদ রঙের...

কেনাকাটা3 months ago

বাসন্তী রঙের পোশাক খুঁজছেন?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই আসছে সরস্বতী পুজো। সেই দিন হলুদ বা বাসন্তী রঙের পোশাক পরার একটা চল রয়েছে অনেকের মধ্যেই। ওই...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরদোরের মেকওভার করতে চান? এগুলি খুবই উপযুক্ত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘরদোর সব একঘেয়ে লাগছে? মেকওভার করুন সাধ্যের মধ্যে। নাগালের মধ্যে থাকা কয়েকটি আইটেম রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার...

কেনাকাটা3 months ago

সিলিকন প্রোডাক্ট রোজের ব্যবহারের জন্য খুবই সুবিধেজনক

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী এখন সিলিকনের। এগুলির ব্যবহার যেমন সুবিধের তেমনই পরিষ্কার করাও সহজ। তেমনই কয়েকটি কাজের সামগ্রীর খোঁজ...

কেনাকাটা3 months ago

আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজ রইল আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার সময় যে দাম ছিল...

কেনাকাটা3 months ago

রান্নাঘরের এই সামগ্রীগুলি কি আপনার সংগ্রহে আছে?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরে বাসনপত্রের এমন অনেক সুবিধেজনক কালেকশন আছে যেগুলি থাকলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে। এমনকি দেখতেও সুন্দর।...

কেনাকাটা3 months ago

৫০% পর্যন্ত ছাড় রয়েছে এই প্যান্ট্রি আইটেমগুলিতে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলির মধ্যে বেশ কিছু এখন পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৫০% বা তার বেশি ছাড়ে। তার মধ্যে...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরের জন্য কয়েকটি খুবই প্রয়োজনীয় সামগ্রী

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় ও সুবিধাজনক বেশ কয়েকটি সামগ্রীর খোঁজ রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদনটি লেখার সময় যে দাম ছিল তা-ই...

নজরে