Rapeseed-mustard

কলকাতা:  সব শেষ পাওয়া তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে মোট ৪.২ লক্ষ হেক্টর জমিতে সরষের চাষ হয়ে থাকে। যা থেকে উৎপাদিত সরষের পরিমাণ প্রায় ৩.৮ লক্ষ টন। অর্থাৎ প্রতি হেক্টরে ৯০৯ কেজির মতো সরষের ফলন হয়ে থাকে এ রাজ্যে। এ বছর সেই পরিমাণ বাড়তে পারেই বলে মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। এই ফলন বৃদ্ধির নেপথ্যে একটি কারণ যদি হয়, চাযের পদ্ধতিগত মানোন্নয়ন তেমনই অন্য একটি কারণ অবশ্যই প্রাকৃতিক ইতিবাচক দিক।

সরষে চাষে পদ্ধতিগত শ্রীবৃদ্ধি ঘটাতে ইতিমধ্যেই সর্ব ভারতীয় ভাবে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা সম্পন্ন উন্নতমানের বৈচিত্রময় বীজের ব্যবহার। সরষে চাষের সময়কে কিছুটা এগিয়ে নিয়ে আসা। এবং আর্দ্রতা সংরক্ষণ ও জলের জোগান অব্যাহত রাখার নতুন কৌশল সেই পদক্ষেপেরই অংশ। তবে এর সঙ্গে প্রাকৃতিক কারণও বাড়তি মাত্রা যোগ করতে চলেছে এ বার।

সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতে বর্যা এগিয়ে আসার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠছে। বিশেষত হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে আগামী সপ্তাহেই বৃষ্টি এবং তুষারপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ফলে অপেক্ষাকৃত নিচু জায়গাগুলি বা গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলিতে তার প্রভার পড়তে পারে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই। এর ফলে সরষের ফলনের বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

গত কয়েক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে, রবি ফসলের চাষ শুরুর পরই আচমকা শীত বিদায় নিচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে সরষের মতো বেশ কিছু রবি ফসলে। একে তো রবি ফসল বোনার পরই গরমে তাদের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে অন্তরায় সৃষ্টি হওয়া, তার উপর গরমের প্রাদুর্ভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠা রোগের লক্ষণ। কিন্তু বর্ষা যদি এগিয়ে আসে, তা হলে সে সব আপদ থেকে নিস্তার পাওয়া যেতে পারেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন