Connect with us

আলিপুরদুয়ার

ডাম্পিং গ্রাউন্ড প্রকল্পকে কেন্দ্র করে পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধ, রণক্ষেত্র আলিপুরদুয়ারের চা-বাগান

আলিপুরদুয়ার: ডাম্পিং গ্রাউন্ড প্রকল্পকে কেন্দ্র করে খণ্ডযুদ্ধ বাঁধল পুলিশ আর জনতার মধ্যে। রণক্ষেত্র হয়ে উঠল আলিপুরদুয়ারের মাঝেরডাবরি চা-বাগান। এই ঘটনার প্রতিবাদে বেশ কিছুক্ষণ পথ অবরোধও করা হয়।

উল্লেখ্য, ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরি করতে পরিত্যক্ত জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। শুরু হয়েছিল পাঁচিল দিয়ে ঘেরার কাজও। কিন্তু তাতে সায় ছিল না এলাকাবাসীর। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় ডাম্পিং গ্রাউন্ড হলে দূষণ ছড়াবে।

এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে নিজেদের দাবিদাওয়া জানাতে বুধবার সকালে ঠিকাদারের অফিসে চড়াও হয় এলাকাবাসীরা। চলে ভাঙচুর, মারধর। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছতেই আরও উন্মত্ত হয়ে ওঠে জনতা। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ছোঁড়ে পুলিশও।

স্থানীয় সূত্রে খবর, পুরসভার ডাম্পিং গ্রাউন্ড ও সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের জন্য মাঝেরডাবরি চা-বাগানের পরিত্যক্ত জমি অধিগ্রহণ করে জেলা প্রশাসন। সীমানা ঘিরতে পাঁচিল দেওয়ার কাজও শুরু করেন বরাত পাওয়া ঠিকাদার।

আরও পড়ুন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে বসার চেয়ারও পেলেন না রাজ্যপাল!

কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা চাইছেন না এই প্রকল্প হোক। তাঁদের রাজি করাতে দু’পক্ষের বৈঠকও হয়। কিন্তু সেই বৈঠকও ভেস্তে যায়। এরপরই বুধবার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এলাকায় কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ডাম্পিং গ্রাউন্ড হলে দূষণ ছড়াবে। দুর্গন্ধে এলাকায় টেকা যাবে না। বুধবার সকাল স্থানীয় বাসিন্দারা ঠিকাদারের অফিসে চড়াও হলে উত্তেজনা ছড়ায়। সকাল ন’টা থেকে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার গ্যাসের শেল ফাটাতে বাধ্য হয় পুলিশ বাহিনী। এর ফলে কয়েকজন বিক্ষোভকারী আহত হন।

এর পর ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। ঘণ্টা তিনেক অবরোধ চলার পর বেলা ১২টায় স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি।

আলিপুরদুয়ার

বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে আসছে তিনটে বাঘ

আলিপুরদুয়ার: বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে (Buxa Tiger Reserve) তিনটে বাঘ নিয়ে আসা হচ্ছে। এর জন্য ১২ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটি (NTCA)।

অসম থেকে বক্সায় বাঘ নিয়ে আসার ব্যাপারটি কয়েক মাস আগেই ঠিক করে ফেলেছিল বন দফতর। প্রতিবেশী রাজ্যের সঙ্গে এই বিষয়ে কথাও বহু দূর এগিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আচমকাই সব কিছুতে বাধ সাধে করোনা।

এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় বাঘ সংরক্ষণকারী সংস্থার (এনটিসিএ) পক্ষ থেকে অর্থ মঞ্জুর হয়ে যাওয়ায়, বক্সায় নতুন করে বাঘের দেখা পাওয়াটা এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা।

এনটিসিএ-র নির্দেশিকা মেনে ইতিমধ্যেই বাঘেদের খাবার সুনিশ্চিত করতে বাইরের জঙ্গল থেকে প্রচুর চিতল হরিণ নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের খাদ্যের জোগান বাড়াতে তৈরি করা হয়েছে বিস্তীর্ণ তৃণভূমি।

এর পর ছাড়া হবে সম্বর হরিণ। সব মিলিয়ে নতুন অতিথিদের স্বাগত জানাতে বক্সার জঙ্গল প্রায় প্রস্তুত বলে দাবি বন দফতরের।

প্রথম ধাপে এক সঙ্গে ছয়টি বাঘ আনার সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিল এনটিসিএ। কিন্তু রাজ্যের বনকর্তারা পরীক্ষামূলক ভাবে তিনটি বাঘ এনেই পরিস্থিতি রেইকি করতে চাইছেন।

এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্য বনপাল রবিকান্ত সিনহা বলেন, “প্রথমেই ছ’ টি বাঘের ঝুঁকি আমরা নিতে চাইছি না। তিনটি বাঘ এনে পরিস্থিতি যাচাই করা হবে। সব ঠিক থাকলে ধাপে ধাপে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।”

Continue Reading

আলিপুরদুয়ার

ফসল বাঁচাতে ফের নৃশংস হাতিনিধন, কেরলের পর এ বার আলিপুরদুয়ারে

আলিপুরদুয়ার: নৃশংস ভাবে পূর্ণবয়স্ক একটি গর্ভবতী হাতিকে হত্যা করে কিছু দিন আগেই খবরের শিরোনামে এসেছিল কেরল (Kerala)। এ বার একই রকম ঘটনা ঘটল এ রাজ্যের আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar)। বন দফতরের বক্তব্য, তড়িদাহত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তার।

জেলার কুমারগ্রাম ব্লকের কাঞ্চিবাজার এলাকায় মঙ্গলবার সকালে এই হাতিটিকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার আনুমানিক বয়স ২০ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। যাঁর খেতে এই হাতির মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হাতিটির মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার আগে কোনো ভাবেই এটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে মানতে চাননি স্থানীয়রা।

আলিপুরদুয়ার নেচার ক্লাবের সভাপতি অম্লান দত্ত বলেন, “হাতির মৃতদেহটা যে ভাবে পড়ে ছিল, সেটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে এটা স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। বিদ্যুতের শক বা বিষ প্রয়োগ করে ওকে মারা হয়েছে।”

কিছু দিন আগেই বক্সার একটি গ্রামে একই রকম ভাবে পূর্ণবয়স্ক আরও একটি হাতির মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল। এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় বার এমন ঘটনা ঘটল।

বক্সার আশেপাশে গ্রামগুলিতে মানুষ বনাম হাতির লড়াই লেগেই থাকে। হাতিদের আটকানোর জন্য বিদ্যুতের তার দিয়ে ঘিরে রেখে নিজেদের চাষের জমিকে রক্ষা করা হয়। ধৃত ব্যক্তিও ফসল বাঁচানোর জন্য তার চাষের জমিতে বিদ্যুতের তার দিয়ে ঘিরে রাখে। সেখানেই তড়িদাহত হয়ে মারা যায় এই হাতিটি।

Continue Reading

আলিপুরদুয়ার

গেরুয়া থেকে সবুজ হল রাজ্যের এক জেলা, সবুজ থেকে গেরুয়ায় ঢুকে গেল আর এক জেলা

খবর অনলাইনডেস্ক: একই সঙ্গে স্বস্তি এবং অস্বস্তি। এক দিকে যেমন অরেঞ্জ থেকে গ্রিন জোনে ঢুকে গেল রাজ্যের এক জেলা, তখনই গ্রিন থেকে অরেঞ্জ জোনে যেতে হল আরও এক জেলাকে।

এই দুই জেলা হল কালিম্পং (Kalimpong) আর আলিপুরদুয়ার (Alipurduar)। দু’ দিন আগেই সরকারি ভাবে গ্রিন জোন হয়ে গিয়েছে কালিম্পং। কারণ গত ২৮ দিন সেখানে নতুন করে কোনো করোনারোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। কিন্তু একই সঙ্গে আলিপুরদুয়ারে খোঁজ মিলেছে চার জন করোনা-আক্রান্তের।

আলিপুরদুয়ারের বারবিশার কোয়ারান্টাইনে থাকা চার জনের শরীরে ধরা পড়ল করোনা (Coronavirus) সংক্রমণ। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁদের লালারসের রিপোর্টে সংক্রমণ ধরা পড়ে। দু’ জনের বাড়ি আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম ব্লকে। বাকি দু’ জনের কোচবিহারের জোড়াইয়ে। চার জনকে শিলিগুড়ির করোনা হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

৩৮ দিন লকডাউনের পরেও গোটা জেলায় করোনা সংক্রমণ ধরা না পড়ায় স্বস্তিতে ছিলেন জেলার বাসিন্দারা। সোমবার থেকে কিছু পরিষেবা পুনরায় শুরু করার ব্যাপারেও প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু সব কিছুই কেমন আচমকা বিরাট ধাক্কা খেল।

বৃহস্পতিবার রাতের একটা খবরেই চিন্তার ভাঁজ পড়ল জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এই অবস্থায় গ্রিন জোন থেকে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী এমনিতেই অরেঞ্জ জোনে চলে যাওয়ার কথা। যদিও আলিপুরদুয়ারকে অরেঞ্জ জোনে পাঠানো হবে কি না, সরকারি ভাবে সেই সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি।  

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কুমারগ্রামের তিন জন ও কোচবিহারের জোড়াইয়ের দু-জন চিকিৎসার জন্য দিল্লির এইমসে গিয়েছিলেন। এই পাঁচজনের মধ্যে একজন কিডনির রোগীও রয়েছেন। লকডাউনের (Lockdown) জেরে ট্রেন বা যান চলাচল বন্ধ থাকায় পাঁচজন মিলে একটি অ্যাম্বুলেন্সে দিল্লি থেকে রওনা হন। কিন্তু গোপন সূত্রে সেই খবর পৌঁছে যায় পুলিশের কাছে।

অ্যাম্বুলেন্সটি আলিপুরুয়ারে ঢোকার সময়েই বারবিশার কাছে তাঁদের আটকায় পুলিশ। তাঁদের সেখানকার একটি কোয়ারান্টাইন কেন্দ্রে পাঠানো হয়। লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে বুধবার পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। দেখা যায় চার জনের রিপোর্ট পজিটিভ।

আরও পড়ুন প্রধানমন্ত্রীকে ফোন উদ্ধব ঠাকরের, পর দিনই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি রাজ্যপালের!

তবে প্রশাসনিক কর্তারা মনে করছেন, এই চার জনের থেকে অন্যদের সংক্রমণ ছড়ানোর বিশেষ আশঙ্কা নেই। কারণ স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা জানিয়েছেন, কোয়ারান্টাইনে থাকা বাকিদের খুব বেশি সংস্পর্শে ছিলেন না এই চার জন। তবু এই তিন দিনে যাঁদের সংস্পর্শে তাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

Continue Reading
Advertisement
বিনোদন7 hours ago

‘সড়ক ২’ পোস্টার: ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে মহেশ ভাট, আলিয়া ভাটের বিরুদ্ধে মামলা

রাজ্য8 hours ago

রেকর্ড সংখ্যক পরীক্ষার দিন আক্রান্তের সংখ্যাতেও নতুন রেকর্ড, রাজ্যে বাড়ল সুস্থতার হারও

দেশ8 hours ago

নতুন নিয়মে খুলছে তাজমহল!

wfh
ঘরদোর9 hours ago

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

দেশ9 hours ago

আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের কাঁপল দিল্লি

শিল্প-বাণিজ্য9 hours ago

কোভিড-১৯ মহামারি ভারতীয়দের সঞ্চয়ের অভ্যেস বদলে দিয়েছে: সমীক্ষা

fat
শরীরস্বাস্থ্য10 hours ago

কোমরের পেছনের মেদ কমান এই ব্যায়ামগুলির সাহায্যে

বিদেশ10 hours ago

নরেন্দ্র মোদীর ‘বিস্তারবাদী’ মন্তব্যের পর চিনের কড়া প্রতিক্রিয়া

নজরে