Connect with us

কথাবার্তা

সৌমিত্র খান বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী, এটাই আমার কাছে অ্যাডভান্টেজ: শ্যামল সাঁতরা

Shyamal Santra

তিনি রাজ্যের মন্ত্রী। একই সঙ্গে অধ্যাপক তথা এলাকার বিধায়ক শ্যামল সাঁতরাকে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থেকে এ বারের লোকসভায় প্রার্থী করছে তৃণমূল। বিধানসভার থেকে লোকসভার লড়াইয়ে ফারাক কতটা, কী ভাবেই বা নিচ্ছেন প্রস্তুতি? প্রচারের মাঝেই তাঁর মুখ থেকে সে সব প্রশ্নের উত্তর শুনে নিলেন খবর অনলাইনের প্রতিনিধি ইন্দ্রানী সেন।

বিধানসভায় জিতে রাজ্যের মন্ত্রী হয়েছেন কিন্তু তুলনামূলক ভাবে লোকসভা ভোটের ভিন্ন প্রেক্ষাপট। ফারাকটা কী ভাবে দেখছেন?

আমি মনে করি, ২০১৪ সালে উপ-নির্বাচনে যখন দাঁড়িয়েছিলাম, ওটা ছিল আমার রাজনৈতিক জীবনের মাধ্যমিক পরীক্ষা। ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচন উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা আর এ বারের লোকসভা নির্বাচনে গ্র্যাজুয়েশন। বড়ো সিলেবাস পাশ করতে হবে। ৭টা বিধানসভা, তাই পড়াশোনা বেশি করতে হবে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই তৃণমূল কর্মীরা নেমে পড়েছেন কোমর বেঁধে। ৩৬৫ দিন তৃণমূল মানুষের পাশে বিপদে-আপদে পাশে থেকেছে। তাই এটা কোনো ‘টাফ জায়গা’ নয়।

লোকসভা ভোটে জাতীয় স্তরের ইস্যুর বাইরে একান্ত ভাবে বিষ্ণুপুরের মানুষের জন্য কোন কোন কাজের কথা তুলে ধরছেন?

প্রথমেই বিষ্ণুপুরে টুরিজ্যম ডেভেলপমেন্ট দরকার। রাজ্য সরকার বিষ্ণুপুরকে পর্যটন মানচিত্রে আলাদা জায়গা করে দিয়েছে। দিদির অনুপ্রেরণায় এলাকার পর্যটন শিল্প ও কুটির শিল্পের আরও বিকাশ ঘটাতে চাই। এ ছাড়াও বিষ্ণুপুর-তারকেশ্বর রেললাইন দ্রুত চালু করতে হবে। বাঁকুড়া-মশাগ্রাম-হাওড়া সরাসরি ট্রেন চালু। কৃষি ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ-সহ সেচ ব্যবস্থার উন্নতি। এ ছাড়াও এলাকার বিভিন্ন বিষয়ের দিকেও বিশেষ নজর রয়েছে।

জাতীয় স্তরের কোন ইস্যুগুলোকে প্রাধান্য দিচ্ছেন?

সম্প্রীতি আর শান্তির বাতাবরণ তৈরি করা হল আমাদের দলের প্রধান ইস্যু। ভারতবর্ষের কৃষ্টি, সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যের মেলবন্ধন করে উন্নত ভারতবর্ষ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। ভারতবর্ষ সর্বধর্ম সমন্বয়ের দেশ। সমগ্র দিক থেকে ভারতবর্ষকে শ্রেষ্ঠ করে তোলা। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি নিষিদ্ধ করা। আমাদের দল দেশবাসীকে এমনই একটি দেশ উপহার দেওয়ার জন্য লড়াই করছে।

বিষ্ণুপুরের বিদায়ী সাংসদ এই কেন্দ্র থেকেই বিরোধী প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, এটা কতটা ভাবাচ্ছে আপনাকে বা আপনার দলকে?

এই বিষয়ে কোনো কথা বলতেই ইচ্ছা করে না। এটা কোনো ভাবনার মধ্যেই নেই, উলটে এটা আমার অ্যাডভান্টেজ। এলাকার মানুষকে উনি শুধুমাত্র প্রতিশ্রুতিই দিয়েছেন। কোনো কাজের কাজ করেনি। এলাকায় কয়েকটি লাইট ছাড়া কিছুই চোখে পড়বে না ওনার নামে। দলের নাম করে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে লক্ষ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেছেন। কিন্তু কাউকেই টাকা দেননি। উলটে এ বিষয়ে দলকে বারংবার প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে।

রাজনীতিতে কবে এলেন? অনুপ্রেরণাই-বা কে?

১৯৯৮-৯৯ সাল থেকে ছাত্র রাজনীতিতে যোগ দিই। আদর্শ এক জনই – মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অপেক্ষাকৃত ভাবে বিধানসভা ভোটে যে ‘ক্ষত’ রয়েছে সেগুলো কী ভাবে মেরামত করবেন?

যে বুথে যে পাড়াতে কম ভোট পেয়েছি, সেই এলাকার মানুষকে সঙ্গে নিজে উপস্থিত থেকে সুবিধা-অসুবিধাগুলো বেশি করে জানার চেষ্টা করেছি। সব সময়ই মানুষের পাশে আছি। মানুষের থেকে প্রচুর সাড়া পেয়েছি, ওই বুথগুলির ভোট লোকসভা ভোটে একশো শতাংশ পাব বলে আশা করছি। সব মিলিয়ে সাতটি বিধানসভায় উনিশ-বিশ রেজাল্ট হবে আমাদের।

প্রচারে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

ব্যাপক। সাধারণ মানুষ অপেক্ষায় থাকছেন, আনন্দ সহকারে উচ্ছ্বাসে ফুল-মালা, মিষ্টি মুখ করিয়ে বরণ করে নিচ্ছেন। তরুণ প্রজন্মের ভাই-বোনেরা সেলফি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করছেন। মানুষ ১২ মে-র অপেক্ষায় আছেন। কবে ওই দিনটা আসবে, আর তাঁরা তৃণমূলকে ভোট দেবেন।

তরুণ প্রজন্মের নতুন ভোটাদের তো সোশ্যাল মিডিয়া দেখে বেড়ে ওঠা। সেই যুব সমাজকে আপনি কী বার্তা দেবেন?

সোশ্যাল মিডিয়া সাধারণ ভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করছি। যুব সমাজ এগিয়ে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণা-আদর্শে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করছে। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুফল ভোগ করছে যুব সমাজ। তাই তারা নিজেরা এখন নিজের থেকে ঠিক-ভুল বুঝতে পারছে। এক দিকে প্রচার ও অন্য দিকে ভুয়ো খবরের দিকেও সমান নজর রয়েছে তাদের। সব দিক থেকে বলতে গেলে সোশ্যাল মিডিয়ার সৌজন্যেই খুব সহজেই যুব সমাজের যে তৃণমূলের প্রতি আস্থা রয়েছে, তা তারা জন মানসে ছড়িয়ে দিচ্ছে।

নিজের জয়ের বিষয়ে কতটা আশাবাদী?

আমি, আমার দল সারা বছর ধরেই মানুষের পাশে আছি। তাই এ নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। মানুষ আমাদের পাশে আছেন। সর্বোপরি দিদির আর্শীবাদের হাত মাথার উপর আছে, ফলে মানুষের সেবায় নিজেকে আরও বেশি করে নিয়োজিত করতে পারব।

কথাবার্তা

এমএসএমই ঠিক কী ভাবে স্বনির্ভর হতে সাহায্য করে?

স্মিতা দাস: মাইক্রো স্মল মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজেস (এমএসএমই) ঠিক কী ভাবে স্বনির্ভর হতে সাহায্য করে? কী-ই বা তার প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, এমনই বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিলেন ভারত সরকারের এমএসএমই পরীক্ষা কেন্দ্র, কলকাতা কার্যালয়ের ডেপুটি ডিরেক্টর দেবব্রত মিত্র

এমএসএমই-র কাজ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা খুব একটা স্পষ্ট নয়। সাধারণ মানুষকে জানানোর জন্য কী উদ্যোগ নিচ্ছেন তাঁরা?

এটাকে সবাই ইন্ডাস্ট্রি নামে জানে। কিন্তু ২০০৬ থেকে এটি বদলে গিয়ে হয়েছে এন্টারপ্রাইজ। এই সংস্থার নিজস্ব প্রচার মাধ্যম আছে। টুইটার অ্যাকাউন্ট, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, ওয়েবসাইট, ই-ম্যাগাজিন ইত্যাদির মাধ্যমে প্রচার চালানো হয়। তা ছাড়া দুরদর্শনেও প্রচার করার জন্য বেশ কয়েকটি পর্বে এই নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল।

সাধারণ মানুষকে এই বিষয়ে উৎসাহিত করার জন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়?

প্রায়শই এক বা দুই দিনের মোটিভেশনাল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। এর আয়োজন করা হয় সংস্থার অফিসের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলাতেও। সেই ক্যাম্পের ব্যাপারে ওয়েবসাইটে প্রচার করা হয়। তা ছাড়া উদ্যোগদাতাদের অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমেও প্রচার করা হয়, এই ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার জন্য বলা হয়। তাতে বিভিন্ন স্কিম, ব্যবসা করার পদ্ধতি ইত্যাদি জন্য ট্রেনিং দেওয়া হয়। তা ছাড়া পাঁচ বা দশ দিনের অনুষ্ঠানগুলিতে এই বিষয়গুলিই আরও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সেই সব অনুষ্ঠানে ব্যাঙ্কের আধিকারিকরাও উপস্থিত থাকেন, তাঁরা জানান কী ভাবে ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে সাহায্য করা হয়। পাশাপাশি মানুষকে এটাও বোঝানোর চেষ্টা করা হয় যে কী ভাবে স্বনির্ভর হওয়া যায়, কী ভাবে নিজের ব্যবসার মাধ্যমে ভালো আয় করা যায়, ইত্যাদি।

ট্রেনিং ক্লাসগুলি সম্পর্কে কী ভাবে জানা যায়? কতক্ষণের বা ক’দিনের হয় এই ক্লাস?

সাধারণ ভাবে সোম থেকে শুক্রবার দিনের বেলা এই ক্লাস করানো হয়। সময় থাকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা। সাধারণ ভাবে শনি-রবিবার ক্লাস বন্ধ থাকে। প্রত্যেক ক্লাসের সময়সীমা দেড় ঘণ্টা।

এই ক্লাস শুরুর আগে ওয়েবসাইটে ও ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। তা ছাড়া বহু মানুষ নিজে থেকেও এই মাধ্যমগুলিতে আবেদন জানিয়ে থাকে। অন্য দিকে এমএসএমই-র সিস্টার কনসার্ন বর্তমানে প্রচুর ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা করছে। তার নাম এমএসএমই টুল রুম। এই টুল রুমের পক্ষ থেকে প্রত্যেক বার আলাদা ভাবে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়।

ডেপুটি ডিরেক্টর দেবব্রত মিত্র

এদের ওয়েবসাইটটি হল – www.msmedikolkata.gov.in, www.dcmsme.gov.in sisikolkata.gov.in

msmedikolkata facebook

এই ধরনের ট্রেনিং নিতে খরচ কী রকম থাকে?

খরচ খুব সামান্যই হয়। তপশিলি জাতি/উপজাতি ও মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে এই ট্রেনিং দেওয়া হয়। সাধারণদের জন্য এক দিনের কোর্স বিনামূল্যে করানো হয়। বেশি দিনের কোর্স হলে যেমন ১০ দিন বা ছ’সপ্তাহের কোর্সের ক্ষেত্রে ১০০ বা ২০০ টাকা ফি নেওয়া হয়। তবে এমএসএমই টুল রুমের কোর্সের ক্ষেত্রে খরচ একটু বেশি পড়ে। কারণ সেখানে প্রশিক্ষণের ব্যাপারে বেশি জোর দেওয়া হয়, অনেক ক্ষেত্রে ছ’মাসের কোর্সও থাকে। সেই সব ক্ষেত্রে ৫-৬ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়।

কী ধরনের শিল্পোদ্যোগ এই কার্যক্রমের মধ্যে পড়ে?

ম্যানুফ্যাকচারিং এন্টারপ্রাইজ ও সার্ভিস এন্টারপ্রাইজ – এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ট্রেনিং কিন্তু এমএসএমই-র আওতায় পড়ে না। দোকান খোলা বা কিছু বিক্রি করা এগুলি ট্রেনিং হয় কিন্তু এমএসএমই-র আওতায় পড়ে না। কিন্তু সার্ভিস এন্টারপ্রাইজ হিসাবে দেখলে পড়ে। উদাহরণ হিসাবে বলা যেতে পারে, হলুদ চাষ করাটা এমএসএমই-র আওতায় পড়ে না। কিন্তু হলুদ চাষ করে গুঁড়ো করে প্যাকেট করে সেই গোটা ব্যাপারটি এমএসএমই-র মধ্যে পড়ে।

আর্থিক সহযোগিতা বা লোনের ব্যবস্থা আছে?

না, এই সংস্থা হল টেকনিক্যাল কনসালটেন্সি অর্গানাইজেশন। ট্রেনিং-এর মাধ্যমেই সেগুলি শেখানো হয়। কিন্তু সরাসরি টাকা দিয়ে সাহায্য করা হয় না। তার জন্য ব্যাঙ্ক সাহায্য করে। তবে ব্যাঙ্কিং ফিনান্সের জন্য প্রোজেক্ট রিপোর্ট তৈরি করতে হলে সংস্থা সাহায্য করে।  

৫৯মিনিটস.কম সাইটটির সঙ্গে এর কোনো সংযোগ আছে কি?

৫৯মিনিটস.কম সাইটটির মিনিস্ট্রি অব ফিনান্সের। মিনিস্ট্রি অব এমএসএমই-র নয়।  

এই ধরনের সংস্থা থেকে ট্রেনিং নেওয়ার পর আর্থিক সহযোগিতা করে এমন কোনো সরকারি প্রকল্প বা উদ্যোগ আছে?

এমএসএমই প্রকল্প থেকে মুদ্রা স্কিমে সাহায্য পাওয়া যায়। মুদ্রা স্কিমে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সাহায্য পাওয়া যায়। এ ছাড়া প্রাইম মিনিস্টার এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন প্রোগ্রাম। অর্থাৎ পিএমইজিপি। এখানে ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের ক্ষেত্রে ২৫ লক্ষ টাকা ও সার্ভিসিং-এর ক্ষেত্রে ১০ লক্ষ টাকা ব্যাঙ্কঋণ পাওয়া যেতে পারে। এগুলির জন্য অনলাইন আবেদন করা যায়। তা ছাড়াও তফশিলি ও মহিলাদের জন্য আরও একটি স্ট্যান্ডআপ ইন্ডিয়া স্কিম রয়েছে। এই স্কিমে সর্বাধিক এক কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যেতে পারে।

পড়ুন – দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন ১৪৯৩ পদে প্রার্থী চাইছে

Continue Reading

কথাবার্তা

খুন-সন্ত্রাস এড়িয়ে মানুষ ভোট দিতে পারলে আমার জয় নিশ্চিত: অশোক কান্ডারি

প্রচারের ফাঁকেই রোগী দেখার কাজটাও সেরে নিয়েছেন জয়নগরের বিজেপি প্রার্থী চিকিৎসক অশোক কান্ডারি। সপ্তম দফার ভোটের আগে তাঁর মুখোমুখো খবরঅনলাইনের প্রতিনিধি উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়

আপনি জয়নগর এলাকার একজন প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসক। হঠাৎ রাজনীতিতে এলেন কেন? এসে কেমন লাগছে?

আমি চিকিৎসার পাশাপাশি দেশকে ভালোবাসি। যে কারণে এলাকার মানুষের উন্নয়ন করতে, মোদীজির স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে রাজনীতিতে চলে এলাম। বিজেপির তরফে আমাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব এলে আমি গ্রহণ করি। এই দলের প্রার্থী হতে পেরে খুব ভালো লাগছে। গর্ব অনুভব করছি।

আপনার জন্ম আর পেশা সম্পর্কে কিছু বলুন…

আমার জন্ম ১৯৭৬ সালে, জয়নগর থানার (বর্তমানে বকুলতলা) উত্তর ঠাকুরচকে। আমি গত ২০ বছর ধরে রোগীর সেবায় কাজ করে চলেছি। ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত মন্দির বাজার ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ছিলাম। পরে বদলি হয়ে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের দায়িত্ব পাই। কিন্তু আমি ওখানে কাজে যোগ না দিয়ে ইস্তফা দিই। এবং জয়নগরে এসে চিকিৎসা শুরু করি। এর পরে রোগীদের সেবার জন্য একটি নার্সিংহোম তৈরি করি। সেখানে এখনও চিকিৎসা করে চলেছি।

ভোটের ময়দানে নেমে পড়ার ফলে রোগী দেখার ক্ষেত্রে কি খুব অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে?

প্রচারের ফাঁকেও আমি এখনও প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে রোগী দেখছি। এতে আমার কোনো অসুবিধা হচ্ছে না।

ভোটের প্রচারে সুন্দরবনের দুর্গম এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন আপনি। কেমন অনুভূতি হচ্ছে?

এখানে আমার নতুন নতুন অভিজ্ঞতা হচ্ছে। তবে এই ভাবে ঘুরতে ঘুরতে সুন্দরবনের মানুষদের না পাওয়ার ব্যথা-বেদনাটা বেশি করে ভাবাচ্ছে আমায়। স্বাধীনতার এত বছর পরেও সুন্দরবনের উন্নয়ন থমকে আছে। এখানকার উন্নয়নের প্রধান বাধা পরিবহণ। সড়কপথ, সেতু আর রেলপথ খুবই প্রয়োজন। কুলতলি আর মৈপীঠের মানুষকে আজও কলকাতা যাওয়ার জন্য ট্রেন ধরতে নদী পেরিয়ে ক্যনিংয়ে আসতে হয়। এগুলির পরিবর্তন চাই।

আপনি জিতলে কী কী করতে চাইবেন?

সবার আগে সড়কপথ ও রেলপথের সমস্যা সমাধান। তার পর বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ। নদীবাঁধ সংস্কার, কলেজ নির্মাণ। গোসাবার মন্মথনগরের মানুষ আজও বিদ্যুৎ পরিষেবা পায়নি – এগুলির দিকে নজর দেব।

এই কেন্দ্রে আপনার দলের পুরানো কর্মীরা আপনার পাশে নেই কেন?

ভুল বোঝাবুঝি সব দলেই থাকে। একটু-আধটু মনমালিন্য থাকবেই। তবে আমি পুরানো কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের প্রচারে ফিরিয়ে আনছি। কারণ তাঁরাই দলের সম্পদ। তাঁদেরকে বাদ দেওয়া যায় না।

নিজের জয়ের ব্যাপারে কতটা নিশ্চিত আপনি?

সুন্দরবনের মানুষ খুন-সন্ত্রাস থেকে নিজেদের বাঁচিয়ে নিজের ভোট নিজে দিতে পারলে ও গণতন্ত্র বজায় থাকলে আমার জয় কেউ আটকাতে পারবে না।

সুন্দরবনের ভোটারদের প্রতি আপনার করণীয়?

সুন্দরবনের মানুষের কাছ থেকে খেলাধুলো হারিয়ে যাচ্ছে। তাই খেলাধুলোর উন্নয়ন ও বেকারদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেব। এ ছাড়া কৃষকদের পাশে থেকে এবং সুন্দরবনের পর্যটনের আরও উন্নয়নের ইচ্ছা আছে।

তৃণমূল, আরএসপি, কংগ্রেস, এসইউসি-র প্রার্থীদের সম্পর্কে আপনার মতামত?

আমি কাদা ছোড়াছুড়িতে বিশ্বাস করি না। তাই তাঁদের সম্পর্কে মন্তব্য করতে চাই না।

নতুন ভোটারদের কাছে আপনার বার্তা?

সুন্দরবনের উন্নয়নের স্বার্থে আমাকে একবার জয়ী করুন। সব দলকে কাজের সুযোগ দিয়েছেন, একবার বিজেপিকে কাজের সুযোগ দিন। জয়নগর কেন্দ্রে পরিবর্তন আনুন। আমি আপনাদের সেবায় সারা বছর থাকব।

প্রচারে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

সুন্দরবনের মানুষের কাছ থেকে প্রচুর সাড়া পাচ্ছি। তাঁরা চান নিজের ভোট নিজে দিতে।

[ প্রার্থী হিসাবে নুসরত জাহানকে দরাজ সার্টিফিকেট সায়ন্তন বসুর! ]

Continue Reading

কথাবার্তা

নতুন ভোটারদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা জয়নগরের তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডলের

ডব্লিউবিসিএসের কো-অপারেশন ডিপার্টমেন্টের চাকরি ছেড়ে ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছিলেন জয়নগর কেন্দ্রে। জয়ীও হন। এ বারের ভোটেও ওই কেন্দ্রেই বিদায়ী সাংসদ প্রতিমা মণ্ডলকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। তাঁর মুখোমুখি খবরঅনলাইনের প্রতিনিধি উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কী ভাবে দেখছেন?

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি দেশের উন্নয়নের কথা বলে ক্ষমতায় এসেছিল। কিন্তু গত পাঁচ বছরে সেই প্রতিশ্রুতি রাখতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তাই এখন উন্নয়নকে বাদ দিয়ে শুধু ধর্ম নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছে।ধর্মের নামে বিভেদ তৈরি করছে। এটা দেশের পক্ষে ভালো নয়। এ ভাবে চলতে থাকলে দেশের পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে থাকবে। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে দেশ।

বিজেপিকে কী ভাবে ট্যাকল করছেন?

মানুষের ব্যবহারই মানুষের পরিচয়। বিজেপি টাকা দিয়ে ভোট কিনতে চাইছে। এটা গণতন্ত্রের পক্ষে খুব খারাপ একটা লক্ষণ। আমরা সাধারণ মানুষকে পাশে নিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আপনার লোকসভার অন্তর্গত জয়নগর, কুলতলি, বাসন্তী, গোসাবা, ক্যানিংয়ে তৃণমূলের অন্তর্কলহ কাজ করছে বলে শোনা যাচ্ছে। এটা কি ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে?

তৃণমূল এখন একটা বড়ো সংসারে পরিণত হয়েছে। বড়ো সংসারের ভিতর তো মনোমালিন্য থাকতেই পারে। আমরা দল করি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শ মেনে। ফলে মানুষ ভোট দেবেন তাঁকে দেখেই, সেখানে অন্য কোনো প্রভাবের স্থান নেই।

এ বারে জয়ের ব্যাপারে কতটা আশাবাদী আপনি?

একশোয় একশো শতাংশ। তৃণমূল মানুষের পাশে থাকা দল। তাই এই দলের সৈনিক হিসাবে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করি।

আগামী পাঁচ বছরের জন্য আপনার কী কী পরিকল্পনা রয়েছে?

মগরাহাট-২ এবং জয়নগর-১ ব্লকে আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল সরবরাহের প্রকল্পের কাজ শেষ করতে চাই। নিমপীঠ এবং জয়নগরে মোয়া হাব তৈরির কাজটা শেষ করতে চাই। পাশাপাশি গোটা এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নে একাধিক পরিকল্পনার বাস্তবায়নেই জোর দিতে চাই।

রেলপথ সম্প্রসারণ বা লোকাল ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর কোনো চিন্তাভাবনা রয়েছে?

গত লোকসভার অধিবেশন চলাকালীন মোট চারবার সংসদে ক্যানিং, ঝড়খালি, জয়নগর, মৈপীঠ রেলপথ সম্প্রসারণ এবং ক্যানিং ও জয়নগর থেকে আরও ট্রেন বাড়ানোর জন্য প্রস্তাব রাখি। কিন্তু সবই তো ওদের হাতে। ওরা না চাইলে কী করে হবে!

এলাকার নদীবাঁধ সংস্কারের আপনি কোনো কাজ করেননি বলে অভিযোগ বিরোধীদের!

বিরোধী দলের নেতা এ বারও এখানে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি সেচমন্ত্রী থাকাকালীন সুন্দরবনে আয়লা এসেছিল। তিনি তখন কী করেছিলেন? বাসন্তীর সজিনাখালিতে কয়েক দিন আগে একটা নদীবাঁধ ভেঙেছিল। খবর পেয়ে আমি নিজে সেখানে যাই। বিডিও এবং সেচ দফতরকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত বাঁধ মেরামতির কাজ হয়। সুন্দরবনের বাঁধগুলিকে রিংবাঁধ দিয়ে সংস্কার করতে হবে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার যদি টাকাই না দেয়, কী করে হবে?

বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যাপারে কী ভাবছেন?

উৎকর্ষ বাংলা প্রকল্পের মাধ্যমে যুবক-যুবতীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে স্বনির্ভর হওয়ার যাবতীয় বন্দোবস্থ করেছে রাজ্য সরকার।

নতুন ভোটারদের উদ্দেশে কি বিশেষ বার্তা দিতে চাইবেন?

লোকসভার ভোট গণতন্ত্রের সব থেকে বড়ো উৎসব। তাই এমন একজন জনপ্রতিনিধিকে নির্বাচিত করুন, যিনি ধর্মনিরপেক্ষ ভাবে মানুষের পাশে থাকবেন এবং উন্নয়নের কাজ করবেন।

বিরোধী দলের প্রার্থীদের সম্পর্কে কী বলবেন?

তাঁদের কারও সঙ্গেই আমার ব্যক্তিগত কোনো রকমের সম্পর্ক নেই, ফলে এ ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া দিতে চাই না।

[ সৌমিত্র খান বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী, এটাই আমার কাছে অ্যাডভান্টেজ: শ্যামল সাঁতরা ]

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
শিক্ষা ও কেরিয়ার6 mins ago

সুইৎজারল্যান্ডে পড়াশোনায় আগ্রহী ভারতীয়দের সহায়তা দিতে ‘কুইন্টেসেনশিয়ালি’-এর সঙ্গে হাত মেলাল ‘লে রোসে’

রাজ্য5 hours ago

এই প্রথম রাজ্যে একদিনেই সুস্থ তিন হাজারের বেশি, নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কম

ভিডিও5 hours ago

বেসরকারি হাসপাতালের অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে গ্রেফতারির পরামর্শ নির্মল মাজির

ক্রিকেট7 hours ago

আমিরশাহিতে আইপিএল আয়োজনের অনুমতি দিল কেন্দ্র

দেশ7 hours ago

দেশে ট্রেন বাতিলের মেয়াদ বাড়ানো হল ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

দেশ7 hours ago

কেরলে ভয়াবহ ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৮

দেশ8 hours ago

রাজনীতি ছাড়লেন ২০১০-এর আইএএস পরীক্ষায় শীর্ষ স্থানাধিকারী কাশ্মীরি যুবক শাহ ফয়জল

দেশ8 hours ago

বৃষ্টির মধ্যে সাত ঘণ্টা ঠায় দাঁড়িয়ে ম্যানহোল পাহারা দিলেন মুম্বইয়ের পঞ্চাশোর্ধ্ব মহিলা

দেশ16 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৬২০৬৪, সুস্থ ৫৪৮৫৯

দেশ3 days ago

বিমান দুর্ঘটনা লাইভ: উদ্ধার ব্ল্যাক বক্স, উদ্ধারকারীদের কোয়ারান্টাইনে যাওয়ার নির্দেশ শৈলজার

কলকাতা3 days ago

ঢাকায় পথদুর্ঘটনায় নিহত পর্বতারোহী, শোকস্তব্ধ কলকাতার পাহাড়প্রেমীরা

বিনোদন2 days ago

২৮ দিন পর করোনা মুক্ত অভিষেক বচ্চন

দেশ2 days ago

“দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত খুন”, কোড়িকোড়ের ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এয়ার সেফটি এক্সপার্টের

দুর্গা পার্বণ3 days ago

মল্লিকবাড়ির ঠাকুরদালানে মা সিংহবাহিনীকে দর্শন করেই শ্রীরামকৃষ্ণ হয়েছিলেন সমাধিস্থ

বিনোদন2 days ago

হাসপাতালে ভরতি সঞ্জয় দত্ত, তবে করোনা নেগেটিভ

দেশ2 days ago

অন্ধ্রপ্রদেশের কোভিড কেয়ার সেন্টারে আগুন, মৃত বেড়ে ১১

রবিবারের খবর অনলাইন

কেনাকাটা

কেনাকাটা4 days ago

ঘর ও রান্নাঘরের সরঞ্জাম কিনতে চান? অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ৫০% পর্যন্ত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্ক : অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ঘর আর রান্না ঘরের একাধিক সামগ্রিতে প্রচুর ছাড়। এই সেলে পাওয়া যাচ্ছে ওয়াটার...

কেনাকাটা4 days ago

এই ১০টির মধ্যে আপনার প্রয়োজনীয় প্রোডাক্টটি প্রাইম ডে সেলে কিনতে পারেন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : চলছে অ্যামাজনের প্রাইমডে সেল। প্রচুর সামগ্রীর ওপর রয়েছে অনেক ছাড়। ৬ ও ৭  তারিখ চলবে এই সেল।...

কেনাকাটা5 days ago

শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল, জেনে নিন কোন জিনিসে কত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্: শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল। চলবে ২ দিন। চলতি মাসের ৬ ও ৭ তারিখ থাকছে এই অফার।...

things things
কেনাকাটা1 week ago

করোনা আতঙ্ক? ঘরে বাইরে এই ১০টি জিনিস আপনাকে সুবিধে দেবেই দেবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে এবং বাইরে নানাবিধ সাবধানতা অবলম্বন করতেই হচ্ছে। আগামী বেশ কয়েক মাস এই নিয়মই অব্যাহত...

কেনাকাটা2 weeks ago

মশার জ্বালায় জেরবার? এই ১৪টি যন্ত্র রুখে দিতে পারে মশাকে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: একে করোনা তায় আবার ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হয়েছে। এই সময় প্রতি বারই মশার উৎপাত খুবই বাড়ে। এই বারেও...

rakhi rakhi
কেনাকাটা3 weeks ago

লকডাউন! রাখির দারুণ এই উপহারগুলি কিন্তু বাড়ি বসেই কিনতে পারেন

সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে মনের মতো উপহার কেনা একটা বড়ো ঝক্কি। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধান করতে পারে অ্যামাজন। অ্যামাজনের...

কেনাকাটা3 weeks ago

অনলাইনে পড়াশুনা চলছে? ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ৪০ হাজার টাকার নীচে ৬টি ল্যাপটপ

ইনটেল প্রসেসর সহ কোন ল্যাপটপ আপনার অনলাইন পড়াশুনার কাজে লাগবে জেনে নিন।

কেনাকাটা3 weeks ago

করোনা-কালে ঘরে রাখতে পারেন ডিজিটাল অক্সিমিটার, এই ১০টির মধ্যে থেকে একটি বেছে নিতে পারেন

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বুঝতে সাহায্য করে এই অক্সিমিটার।

কেনাকাটা4 weeks ago

লকডাউনে সামনেই রাখি, কোথা থেকে কিনবেন? অ্যামাজন দিচ্ছে দারুণ গিফট কম্বো অফার

খবরঅনলাইন ডেস্ক : সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে দোকানে গিয়ে রাখি, উপহার কেনা খুবই সমস্যার কথা। কিন্তু তা হলে উপায়...

laptop laptop
কেনাকাটা4 weeks ago

ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ২৫ হাজার টাকার মধ্যে এই ৫টি ল্যাপটপ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : কোভিভ ১৯ অতিমারির প্রকোপে বিশ্ব জুড়ে চলছে লকডাউন ও ওয়ার্ক ফ্রম হোম। অনেকেই অফিস থেকে ল্যাপটপ পেয়েছেন।...

নজরে

Click To Expand