may day

ওয়েবডেস্ক: আগামী পয়লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস কি আদৌ অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনে? বিশ্বের প্রায় ৮০টি দেশে ১ মে জাতীয় ছুটির দিন। আরও অনেক দেশে এ দিন বেসরকারি ভাবে পালিত হয় ছুটি। ১৯২৭ সালে কলকাতায় প্রথম মে দিবস পালন করা হয়েছিল। স্বাভাবিক ভাবেই এই সরকারি ছুটির দিনে কেন কাজ করবেন সরকারি কর্মীরা?

ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর বামপন্থী শ্রমিক ইউনিয়নগুলি ১ মে ভোট করানোর প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু তাতে মান্যতা দেয়নি শাসক-সহ অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দল। তবে বামপন্থী শ্রমিক ইউনিয়নগুলির দায়ের করা মামলা এখনও ঝুলে রয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। যার শুনানি হতে চলেছে আগামী সোমবার।

রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে একাধিক আবেদন জমা পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলির তরফে। সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সুযোগ মিললেও তা ফের এসে ঠেকেছে হাইকোর্টে। কিন্তু সে সবই ভোটের নির্ঘণ্ট এবং মনোনয়ন নিয়ে ওঠা হিংসা-সন্ত্রাসের অভিযোগে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের মামলা‌টির শুনানির জন্য নির্ধারিত হয়েছে আগামী ১৬ এপ্রিল।

গত শুক্রবার সিটু-সহ একাধিক শ্রমিক ইউনিয়নগুলির দায়ের করা মামলাটি উঠেছিল বিচারপতি শেখর বি শরাফের এজলাসে। কিন্তু পঞ্চায়েত সংক্রান্ত আরও কয়েকটি মামলার সঙ্গে এর গভীর সম্পর্ক থাকায় সেখানে কোনো নিষ্পত্তি মেলেনি। তবে বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে তিনি মামলাটি স্থানান্তর করেছেন বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের এজলাসে। জানানো হয়েছে আগামী ১৬ এপ্রিল শ্রমিক ইউনিয়নগুলির দায়ের করা ওই মামলার শুনানি হবে।

ভোট ঘোষণার পরেই বাম শ্রমিক নেতা শ্যামল চক্রবর্তী বলেছেন, ১ মে যদি নির্বাচন হয় তা হলে তাঁরা ওই দিন নির্বাচন কমিশনের সামনে শ্রমিক দিবস পালন করবেন। তবে তার আগেই হয়তো পঞ্চায়েত মামলা অন্য দিকে মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করছে ওয়াকিবহাল মহল। বাম নেতৃত্বের আরও দাবি, ওই দিন শুধু আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস নয়, ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সবেবরাত। ফলে এমন একটা দিনকে নির্বাচনের জন্য বেছে নেওয়া হল কেন?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here