Connect with us

রাজ্য

ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিতে কলকাতায় আসছেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি!

asaduddin owaisi and Mamata Banerjee

ওয়েবডেস্ক: এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি আগামী বছরের জানুয়ারিতেই কলকাতায় আসছেন। দলীয় সূত্রে খবর, বছর ঘুরলেই রাজ্যে পুরভোটের বাদ্যি বেজে যাবে। রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটে বড়োসড়ো প্রভাব ফেলতে এআইএমআইএম একটি বিশাল সমাবশের আয়োজনের কর্মসূচি নিয়েছে। ওই জনসভাতেই হাজির হচ্ছেন ওয়েইসি।

গত লোকসভা ভোটের ফলাফলে রাজ্য জুড়ে বিজেপির উত্থান রীতিমতো চিন্তায় ফেলেছে শাসদ দল তৃণমূলকে। ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, রাজ্যের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত কেন্দ্রগুলির অধিকাংশতেই উড়েছে তৃণমূলের বিজয় নিশান। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতি রাজ্য জুড়ে ওয়েইসির দলের বাড়বাড়ন্ত নয়া চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে তৃণমূলের। কয়েক দিন আগে সংখ্যালঘুদের উন্নয়নে খোঁচা দেওয়ায় ওয়েইসির সঙ্গে বাকযুদ্ধে অবতীর্ণ হতে দেখা যায় খোদ তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও।

এহেন পরিস্থিতিতে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিশাল জনসভার ডাক দিয়েছে এআইএমআইএম। দলের রাজ্য সভাপতি জমিরুল হাসান সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, আগামী জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ব্রিগেডে মহা সমাবেশের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ওই সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন দলীয় প্রধান। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সমাবেশ আয়োজনের অনুমোদন চেয়ে আবেদন জমা করা হয়েছে বলে জানান জমিরুল।

তিনি জানিয়েছেন, “আমরা সমাবেশের জন্য জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে উপযুক্ত তারিখ চেয়ে কর্তৃপক্ষকে ইতিমধ্যে একটি চিঠি পাঠিয়েছি। আসাদউদ্দিন ওয়েইসি ওই সমাবেশের প্রধান বক্তা”।

এমনটাও জানা গিয়েছে, ওই সমাবেশের পরই রাজ্যে সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে কোমর বেঁধে নামছে এআইএমআইএম। ব্রিগেড সমাবেশ মিটলেই রাজ্য জুড়ে প্রচারে অংশ নেবেন হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিনের ভাই আকরবউদ্দিন ওয়েইসি-সহ দলের অন্যান্য উচ্চ নেতৃত্ব।

উল্লেখ্য, গত মাসে কোচবিহারের সভা থেকে ‘সংখ্যালঘু উগ্রপন্থা’র অভিযোগে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নাম না করেই হায়দরাবাদের কথা উল্লেখ করায় তাঁর নিশানায় যে আসাদউদ্দিন ওয়েইসির এআইএমআইএম উঠে এসেছিল, তেমনটাই ধারণা রাজনীতির কারাবারিদের। পর দিনই মমতার উদ্দেশে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন আসাদউদ্দিন

রাজ্য

করোনার নমুনা পরীক্ষায় গুজরাতকে পেরিয়ে গেল পশ্চিমবঙ্গ

করোনার (Coronavirus) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটা ছোটোখাটো দৃষ্টান্ত তৈরি করল পশ্চিমবঙ্গ। সোমবারই নমুনা পরীক্ষার বিচারে গুজরাতকে (Gujarat) পেরিয়ে গেল রাজ্য। অথচ গুজরাতের আক্রান্তের সংখ্যা পশ্চিমবঙ্গের আক্রান্তের সংখ্যার প্রাণ তিন গুণ।

খবর অনলাইনডেস্ক: করোনার (Coronavirus) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটা ছোটোখাটো দৃষ্টান্ত তৈরি করল পশ্চিমবঙ্গ। সোমবারই নমুনা পরীক্ষার বিচারে গুজরাতকে (Gujarat) পেরিয়ে গেল রাজ্য। অথচ গুজরাতের আক্রান্তের সংখ্যা পশ্চিমবঙ্গের আক্রান্তের সংখ্যার প্রাণ তিন গুণ।

গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গে ৯,৪৮০টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। ফলে এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২ লক্ষ ১৩ হাজার ২৩১। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে ২৭১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পশ্চিমবঙ্গে এখন বেড়ে হয়েছে ৫,৭৭২।

অন্য দিকে সোমবার সন্ধ্যা ছ’টা পর্যন্ত গুজরাতে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২ লক্ষ ১১ হাজার ৯২৯। সে রাজ্যে এখন করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ১৭,৩১৬-তে।

অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গে যেখানে নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার ২.৭১ শতাংশ, সেখানে গুজরাতে ৮.১৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩২৫। অন্য দিকে গুজরাতে মৃতের সংখ্যা ১০৩৮। এ রাজ্যে মৃত্যুহার ৫.৬৫ শতাংশ, গুজরাতে ৫.৯৯ শতাংশ।

পশ্চিমবঙ্গের থেকে গুজরাত অবশ্য সুস্থতার হারে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে করোনামুক্ত হয়েছেন ১৪৯ জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ২,৩০৬ জন। এ রাজ্যে সুস্থতার হার এখন ৩৯.৯৫ শতাংশ। তবে গুজরাতে সুস্থতার হার ৫৭.২ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গে সব থেকে বেশি আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে হাওড়ায় (৭৮)। এর পর রয়েছে কলকাতা (৫৪)। নতুন আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে কোচবিহার (১৮), আলিপুরদুয়ার (১), দার্জিলিং (৭), জলপাইগুড়ি (২), উত্তর দিনাজপুর (৫), দক্ষিণ দিনাজপুর (১০), মালদা (৩), মুর্শিদাবাদ (৪), নদিয়া (১), বীরভূম (৩০), বাঁকুড়া (৭), পশ্চিম মেদিনীপুর (৫), পূর্ব মেদিনীপুর (৮), পূর্ব বর্ধমান (৪), পশ্চিম বর্ধমান (২), হুগলি (৭), উত্তর ২৪ পরগণা (১৮) এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণায় (৬)।

Continue Reading

রাজ্য

কাজে যোগ দিলেন সব কর্মী, আনলক ১-এর প্রথম দিনে স্বাভাবিক ছন্দে উত্তরের চা-বাগানগুলি

tea garden

খবর অনলাইনডেস্ক: চা-বাগানের ১০০ শতাংশ কর্মীই কাজে যোগ দিতে পারবেন। গত শনিবার এই নির্দেশ জারি করে রাজ্য। এই মতো সোমবার সকাল থেকেই পুরোপুরি স্বাভাবিক ছন্দে ফিরল উত্তরবঙ্গের (North Bengal) চা-বাগানগুলি।

দীর্ঘদিন পর কাজে ফিরতে পেরে স্বাভাবিক ভাবেই খুশি শ্রমিকরা। খুশি বাগান কর্তৃপক্ষও।

লকডাউন (Lockdown) শুরু হওয়ার সময়ে কিছু দিনের জন্য পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় চা-বাগানের কর্মকাণ্ড। থমকে যায় সব কিছু। কিন্তু চায়ের মতো অত্যাবশ্যকীয় পণ্যকে বন্ধ রাখা যেত না। তাই এপ্রিলে ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ শুরু করার নির্দেশিকা জারি হয়।

গত মাসে ২৫ শতাংশের বদলে ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ শুরু করার নির্দেশিকা জারি হয়। এর পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা করছিল চা-বাগানগুলি। যদিও কর্মীর অভাবে বিস্তর অসুবিধা যে হচ্ছিলই তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তবে ১ জুন থেকে নতুন নির্দেশিকা কার্যকর হওয়ায় স্বস্তিতে উত্তরের চা-বাগানগুলি। এ প্রসঙ্গে এক চা বাগানের ম্যানেজার বলেন, “সোমবার থেকে বাগানে পুরোদমে কাজ শুরু হল। তবে শারীরিক দুরত্বের বিধি মেনেই কাজ হচ্ছে। শ্রমিকদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে তার পরই কাজে যোগ দিচ্ছেন শ্রমিকরা।”

Continue Reading

দেশ

নির্দিষ্ট দিনেই কেরলে হাজির বর্ষা, পশ্চিমবঙ্গে কবে?

খবর অনলাইনডেস্ক: গত কয়েক দিন ধরেই কেরলে (Kerala) বৃষ্টি হচ্ছে তেড়ে। এই বৃষ্টির হাত ধরেই কেরলে বর্ষা এসে গিয়েছে বলে শনিবার ঘোষণা করে দিয়েছিল বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা স্কাইমেট। কিন্তু কেন্দ্র তা মানতে চায়নি। অবশেষে সোমবার কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়ে দিল যে এ দিনই, অর্থাৎ ১ জুন নির্দিষ্ট সূচি মেনেই কেরলে প্রবেশ করেছে দক্ষিণপশ্চিম মৌসুমি বায়ু (Monsoon 2020)।

কেরল ছাড়াও বর্ষা এ দিন তামিলনাড়ুর কিছুটা অংশেও ঢুকে গিয়েছে। বর্তমানে বর্ষার উত্তরের সীমাটি প্রবাহিত হচ্ছে কান্নুর, কোয়েমবত্তুর আর কন্যাকুমারী দিয়ে।

কেরলে নির্দিষ্ট দিনেই বর্ষা হাজির হয়ে যাওয়ার পেছনে আরব সাগরে (Arabian Sea) তৈরি হতে চলা ঘূর্ণিঝড় নিসর্গের (Cyclone Nisarga) অনেকটাই হাত রয়েছে। বর্তমানে সে গভীর নিম্নচাপ হিসেবে অবস্থান করছে কেরল উপকূলের সমান্তরাল ভাবে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে পরবর্তী কালে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেবে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, এই ঘূর্ণিঝড় (তৈরি হলে নাম হবে নিসর্গ) ৩ জুন রাতে মহারাষ্ট্রের হরিহরেশ্বর আর দমনের মধ্যে দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। মুম্বইয়ে পূর্ণ শক্তিতেই আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে তার।

এই কারণে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় মহারাষ্ট্র আর দক্ষিণ গুজরাত উপকূলে চরম অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির ল্যান্ডফলের সময়ে ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে পশ্চিম উপকূল দিয়ে মৌসুমি বায়ু, রাতারাতি অনেকটাই পথ অতিক্রম করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন থাকছে কেরলে যখন নির্ঘণ্ট মেনেই বর্ষা এল, তখন পশ্চিমবঙ্গে কবে আসবে।

গত বছর পর্যন্তও ৮ জুনকে কলকাতা তথা দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা আগমনের নির্দিষ্ট দিন হিসেবে ধরা হত। কিন্তু এ বার থেকে সেটাকে পিছিয়ে ১১ জুন করা হয়েছে। একই ভাবে উত্তরবঙ্গে বর্ষা প্রবেশের নির্দিষ্ট দিন ৫ জুন থেকে পিছিয়ে ৯ জুন করা হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ বছর রাজ্যে নির্ধারিত সময়েই ঢুকে যাবে বর্ষা, বেশি দেরি করবে না।

তবে আগামী এক সপ্তাহ দক্ষিণবঙ্গে অসহনীয় গরম পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমা।

আগামী সপ্তাহান্ত পর্যন্ত কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা যেমন রয়েছে, তেমন ঝড়বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলে পারদ ৪০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে। কলকাতায় পারদ থাকতে পারে ৩৯ ডিগ্রির কাছাকাছি। তবে রোজই দুপুর অথবা সন্ধ্যার দিকে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের বেলায় ছড়ি ঘোরাতে পারে অতিরিক্ত আর্দ্রতা। অবশ্য বর্ষা আসার ঠিক আগের মুহূর্তে এই রকম অতিরিক্ত আর্দ্রতা খুব একটা অস্বাভাবিক কিছুই নয়।

অন্য দিকে উত্তরবঙ্গে মোটের ওপরে মনোরম আবহাওয়াই থাকবে। বৃষ্টি চলতে থাকবে। আগামী সপ্তাহান্তে বৃষ্টির দাপট বাড়তেও পারে।

এ ক্ষেত্রে ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ পশ্চিমবঙ্গের বর্ষার ক্ষেত্রে সাপে বর হিসেবে দেখা দিতে পারে। কারণ ঘূর্ণিঝড়টি যে হেতু মহারাষ্ট্র দিয়ে ভারতে ঢুকতে পারে, তাই ভারতীয় মূল ভূখণ্ডে জলীয় বাষ্পের জোগান দেবে সে। নিসর্গ যদি ভারতের বদলে পাকিস্তান বা ওমানের দিকে ঘুরে যেত তা হলে এখান থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নিত। যার ফলে বিলম্বিত হত বর্ষা, দীর্ঘায়িত হত গরম।

মনে করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহের শুরুতে বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) একটি নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। সেই নিম্নচাপের হাত ধরেই রাজ্যে ঢুকতে পারে বর্ষা।

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং