Connect with us

রাজ্য

‘দিদিকে বলো’র ধাঁচে শিলিগুড়িতে ‘মেয়রকে বলো’ কর্মসূচি শুরু অশোক ভট্টাচার্যের

ashok bhattacharya

শিলিগুড়ি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথেই হাঁটল রাজ্যের বামশাসিত পুরসভা শিলিগুড়ি। ‘দিদিকে বলো’র অনুকরণে একই ধরনের কর্মসূচির সূচনা করলেন শিলিগুড়ির মেয়র অশোক ভট্টাচার্য। নাম দিয়েছেন ‘মেয়রকে বলো।’ এর মধ্যে দিয়ে পুর এলাকার যাবতীয় সমস্যা, অভাব, অভিযোগ শোনা হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র।

শিলিগুড়ি পুরনিগমের প্রশাসনিক ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে এই উদ্যোগের কথা জানান মেয়র। পুর এলাকার প্রতিটি বোরো কার্যালয় ও পুরনিগমের মূল প্রশাসনিক ভবনে বসানো হবে ‘গ্রিভান্স বক্স’। বাসিন্দারা নাগরিক পরিষেবার পরিস্থিতি, অভিযোগ এবং প্রস্তাবের বিষয়ে সরাসরি মেয়রকে এর মাধ্যমে জানাতে পারেন।

আরও পড়ুন শহরে ফের মেট্রো বিভ্রাট, দরজা খুলেই ছুটল এসি রেক

এ দিনের সাংবাদিক বৈঠকে মেয়র-সহ উপস্থিত ছিলেন মেয়র পারিষদ শংকর ঘোষ ও মুকুল সেনগুপ্ত। অশোকবাবুর কথায় “সাধারণ মানুষ যাতে পুরনিগমের নাগরিক পরিষেবার বিষয়ে অভাব, অভিযোগ ও উন্নয়নের জন্য প্রস্তাব সরাসরি আমাকে জানাতে পারে সে জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বোরো অফিসে ও পুরনিগমের মূল ভবনে একটি করে ‘গ্রিভান্স বক্স’ বসানো হবে। সেটি সরাসরি আমি বা বাছাই করা মেয়র পারিষদরা মনিটরিং করবেন।”

গ্রিভান্স বক্সের পাশাপাশি পুরনিগমের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও সরাসরি তাঁকে অভিযোগ জানানো যাবে। অভিযোগ আসলে তা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে বলেও জানিয়েছেন মেয়র।

রাজ্য

আচমকা তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) আচমকা তৈরি হওয়া একটি নিম্নচাপের প্রভাবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি নামল। প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকলেও বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টি চলতে থাকবে।

গত শনিবার ওড়িশা আর অন্ধ্রপ্রদেশ লাগোয়া উপকূলে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়। সেটিই রাতারাতি নিম্নচাপে ঘনীভূত হয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের কাছাকাছি চলে আসে। সেই নিম্নচাপের জেরে রবিবার সারা দিনই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে।

তবে সোমবার ভোরের দিকে কলকাতায় এক দফা জোর বৃষ্টি হয়। এর জেরে গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। গত তিন-চার দিন যা প্রবল গরম পড়েছিল, তার পর এই বৃষ্টিতে নিঃসন্দেহে মানুষের মনে অনেকটাই স্বস্তি এসেছে।

এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে থাকবে। তবে এক টানা প্রবল বর্ষণের সম্ভাবনা এখনই নেই।

উল্লেখ্য, এ বার এখনও পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বর্ষা স্বাভাবিকের থেকে কিছুটা বেশিই রয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া আর পূর্ব মেদিনীপুর বাদে রাজ্যের সব জেলাতেই বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের থেকে বেশি।

চারটে জেলায় বৃষ্টি হয়েছে স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই বেশি। সেগুলি হল দুই বর্ধমান (স্বাভাবিকের থেকে ২৪ শতাংশ বেশি), উত্তর ২৪ পরগণা (২৩ শতাংশ) আর মুর্শিদাবাদ (২১ শতাংশ বেশি)। কলকাতায় স্বাভাবিকের থেকে ১৭ শতাংশ বৃষ্টি হয়েছে আপাতত।

Continue Reading

রাজ্য

করোনা রুখতে পশ্চিমবঙ্গের ‘সেফ হোম’-এর ভূয়সী প্রশংসা কেন্দ্রের

খবরঅনলাইন ডেস্ক: করোনা (Coronavirus) ছড়িয়ে পড়া রুখতে আইসিএমআরের (ICMR) নির্দেশমতো রাজ্য যে বিভিন্ন ‘সেফ হোম’ তৈরি করেছে, তার ভূয়সী প্রশংসা করল কেন্দ্র। কিছু দিন আগেই করোনা মোকাবিলা নিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যসচিবদের নিয়ে বৈঠক করেন ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা (Rajib Gouba)।

সেই বৈঠকেই পশ্চিমবঙ্গের এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন বলে নবান্ন সূত্রের খবর। সেই সঙ্গে অন্যান্য রাজ্যকেও পশ্চিমবঙ্গের এই মডেল অনুসরণ করার পরামর্শে দিয়েছেন ক্যাবিনেট সচিব।

সেফ হোম কী?

নবান্ন সূত্রে খবর, উপসর্গহীন করোনা রোগীদের কিংবা যাঁদের উপসর্গ একেবারে প্রাথমিক অবস্থায় রয়েছে, তাঁদের বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করার পরামর্শ দিয়েছে আইসিএমআর। কিন্তু জনবহুল জায়গাগুলিতে এই ধরনের রোগীকে কোনো ভাবেই বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব নয়।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কোয়ারান্টাইন কেন্দ্রের মতোই ‘সেফ হোম’ (Safe Home) তৈরি করেছে। যেখানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছেন রোগীর উপর। সুস্থ হলে রোগীরা নিজেদের বাড়িতে ফিরে যাচ্ছেন।

কোনো রোগীর জটিলতা দেখা দিলে তাঁকে সেফ হোম থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেফ হোমে রোগীর থাকা, খাওয়া ও চিকিৎসার খরচ সরকার বহন করছে। ইতিমধ্যে রাজ্যে ১০৬টি সেফ হোম তৈরি হয়েছে। যেখানে ৬ হাজার ৯০৮টি শয্যা রয়েছে।

অভিবাসী শ্রমিকরা (Migrant Labourers) রাজ্যে ফিরতে শুরু করার পর উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে যায় রাজ্যে। সে কারণে সেফ হোমের প্রয়োজনীয়তা আগের থেকে অনেক বেড়ে গিয়েছে।

সরকারি উদ্যোগে কলকাতায় এ রকম দু’টি সেফ হোম চলছে। একটি ট্যাংরা এলাকায়, সেখানে দেড়শো শয্যা। দ্বিতীয়টি নিউ টাউনে, সেখানে শয্যা সংখ্যা একশো। এ ছাড়া শহরের কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালও এই মডেল অনুসরণ শুরু করেছে।

সে ক্ষেত্রে হাসপাতাল সংলগ্ন হোটেলে এই সেফ হোম তৈরি করে ‘আইসোলেশন সেন্টার’ নাম দেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের এই মডেল অনুসরণ করে রাজস্থানও উপসর্গহীন রোগীদের সঙ্গে সেফ হোম তৈরি করেছে। কেন্দ্রের প্রশংসা কুড়িয়েছে সেটাও।

Continue Reading

রাজ্য

নমুনা পজিটিভ হওয়ার হারে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান বাকি দেশের তুলনায় কোন জায়গায়?

বেশ কিছু রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এমনও রয়েছে, যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কম হলেও নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার পশ্চিমবঙ্গের থেকে বেশি।

coronavirus

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ভারতে এক একটি রাজ্য আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে করোনা পরিস্থিতি এক এক রকম। ঠিক তেমন ভাবেই নমুনা পরীক্ষার ক্ষেত্রেও কেউ কেউ খুব এগিয়ে আর কেউ কেউ বেশ পিছিয়ে।

বর্তমানে ভারতে যে যে রাজ্য আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দশ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে সেখানে নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার কেমন রয়েছে, সেটা তুলে ধরা হল।

এই হিসেবে দেখা যাবে, বর্তমানে তেলঙ্গানার অবস্থা দেশের মধ্যে সব থেকে খারাপ। আবার পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি চিন্তা তৈরি করলেও, অন্য রাজ্যের তুলনায় অতটাও খারাপ নয়। বিস্তারিত জেনে নিন।

তেলঙ্গানা

আক্রান্তের সংখ্যা- ২৩,৯০২

নমুনা পরীক্ষা- ১,১৫,৮৩৫

নমুনা পজিটিভের হার- ২০.৬৩ শতাংশ

মহারাষ্ট্র

আক্রান্তের সংখ্যা- ২,০৬,৬১৯

নমুনা পরীক্ষা- ১১,১২,৪৪২

নমুনা পজিটিভের হার- ১৮.৫৭ শতাংশ

দিল্লি

আক্রান্তের সংখ্যা – ৯৯,৪৪৪

নমুনা পরীক্ষা -৬,৪৩,৫০৪

নমুনা পজিটিভের হার- ১৫.৪৫ শতাংশ

গুজরাত

আক্রান্তের সংখ্যা- ৩৬,০৩৭

নমুনা পরীক্ষা- ৪,১১,৭০৪

নমুনা পজিটিভের হার- ৮.৭৫ শতাংশ

তামিলনাড়ু

আক্রান্তের সংখ্যা- ১,১১,১৫১

নমুনা পরীক্ষা- ১৩,৪১,৭১৫

নমুনা পজিটিভের হার- ৮.২৮ শতাংশ।

হরিয়ানা

আক্রান্ত- ১৭০০৫

নমুনা পরীক্ষা- ৩,০৭,১৫৯

নমুনা পজিটিভের হার- ৫.৫৩ শতাংশ।

বিহার

আক্রান্ত- ১১,৬৯৬

নমুনা পরীক্ষা- ২,৫৮, ৮৯৬

নমুনা পজিটিভের হার- ৪.৫১ শতাংশ

পশ্চিমবঙ্গ

আক্রান্তের সংখ্যা- ২২,১২৬

নমুনা পরীক্ষা- ৫,৪১,০৮৮

নমুনা পজিটিভের হার- ৪.০৯ শতাংশ

কর্নাটক

আক্রান্তের সংখ্যা- ২৩,৪৭৪

নমুনা পরীক্ষা- ৭,০৬, ৪২৫

নমুনা পজিটিভের হার- ৩.৩২ শতাংশ

অসম

আক্রান্তের সংখ্যা – ১১,৩৮৮

নমুনা পরীক্ষা – ৪,৫৫,২২৩

নমুনা পজিটিভের হার – ২.৫০ শতাংশ

রাজস্থান

আক্রান্ত – ২০, ১৬৪

নমুনা পরীক্ষা- ৯,০৯,১৩২

নমুনা পজিটিভের হার- ২.২১ শতাংশ

অন্ধ্রপ্রদেশ

আক্রান্ত – ১৮,৬৯৭

নমুনা পরীক্ষা – ১০,১৭,১২৩

নমুনা পজিটিভের হার – ১.৮৩ শতাংশ।

উত্তরপ্রদেশ (আক্রান্তের সংখ্যা ২৭,৭০৭) আর মধ্যপ্রদেশে (আক্রান্তের সংখ্যা ১৪,৯৩০) আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি হলেও নমুনা পরীক্ষা সংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই। তবে কম পরীক্ষা নিয়ে কিছু দিন আগেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ‘বকুনি’ খেয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ।

উল্লিখিত তালিকায় শুধুমাত্র যে সব রাজ্য আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি, সেগুলি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বেশ কিছু রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এমনও রয়েছে, যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কম হলেও নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার পশ্চিমবঙ্গের থেকে বেশি।

Continue Reading
Advertisement

কেনাকাটা

কেনাকাটা1 day ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা6 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

smartphone smartphone
কেনাকাটা1 week ago

লকডাউনের মধ্যে ফোন খারাপ? রইল ৫ হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের হদিশ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘরে বসে যতটা কাজ সারা যায় ততটাই ভালো। তাই মোবাইল ফোন খারাপ...

কেনাকাটা1 week ago

১০টি ওয়াশেবল মাস্ক দেখে নিন

খবর অনলাইন ডেস্ক : বাইরে বেরোচ্ছেন। মাস্ক অবশ্যই ব্যবহার করুন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে তিন স্তর বিশিষ্ট মাস্ক...

নজরে