‘দিদিকে বলতে গিয়ে আক্রান্ত’, শনিবার রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদে বামেরা

DYFI

ওয়েবডেস্ক: ১২টি বামপন্থী ছাত্র-যুব সংগঠনের ডাকে শিল্প ও চাকরির দাবিতে নবান্ন অভিযানে ঘিরে ধন্ধুমার কাণ্ড বেঁধে গেল শুক্রবার। পুলিশের তরফে এই কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ভাবেই হয়েছে দাবি করা হলেও সংগঠনের একাধিক সমর্থক পুলিশি আক্রমণে আহত হয়ে হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন বলে দাবি করেছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।

এ দিন বিকেলে বিমান বসু সাংবাদিক বিবৃতি দিয়ে জানান, “আহতের সঠিক সংখ্যা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে আহতরা হাওড়া জেলা হাসপাতাল ও কলকাতার হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন। পুলিসের সঙ্গে পরিকল্পনা করে মিছিলকারীদের উপর এই হামলা করা হয়েছে। এটা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের উপর পুলিশের বর্বরোচিত আক্রমণ”।

এ দিন হাওড়ার মল্লিকফটকে বাম সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকানোরা চেষ্টা করে পুলিশ। পুলিশের নিষেধ না শুনে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা। পুলিশের অভিযোগ, তাদের লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়তে শুরু করেন বাম ছাত্র যুব কর্মী-সমর্থকরা। যার জেরে পালটা লাঠি চার্জ শুরু করে পুলিশ। এ ভাবেই দফায় দফায় পুলিশের লাঠিচার্জের সামনে পড়ে আহত হন বেশ কয়েক জন সমর্থক।

তবে এ দিন বিকেলে রাজ্য পুলিশের ডিজি সংবাদ মাধ্যমের কাছে দাবি করেন, “কর্মসূচি শান্তিপুর্ণ ভাবেই হয়েছে”। তবে পুলিশের দাবি, এ দিনের কর্মসূচি ঘিরে আহত হয়েছেন পাঁচ পুলিশকর্মী।

স্বাভাবিক ভাবেই পুলিশের দাবির সঙ্গে সহমত নন বাম নেতৃত্ব। আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশি আক্রমণের নিন্দায় সরব হয়েছেন সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম। তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচি ‘দিদিকে বলো’-কে কটাক্ষ করে বলেন, “দিদিকে বলতে গিয়েই আক্রান্ত বামেরা”। একই সঙ্গে তিনি জানান, “আগামী শনিবার রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করবে বামফ্রন্ট। আজ বামেদের কর্মসূচি ঘিরে গুন্ডামি হয়েছে। এ ধরনের আক্রমণ বিগত ৫০ বছরে হয়নি। আমরা সবসময় রাস্তাতেই ছিলাম, থাকব। আজ যা হয়েছে তা ঠিক না। রাজ্যের সর্বত্র প্রতিবাদে সামিল হওয়ার আবেদন জানাচ্ছি”।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.