অন্যায়ের প্রতিবাদের উপহার খুন। আর তার পর অপরাধী যদিও বা ধরা পড়ল, তাও আর ক’দিন। জামিনের জোরে ছাড়া পেয়ে আবার তার দৌরাত্ম্য শুরু। কখন কী হয়, এই ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতে হয় প্রতিবাদীর পরিবারকে।

ঠিক এমনটাই ঘটল মেটিয়াবুরুজের লিচুবাগান থানা এলাকায় ২৯শে জুলাই প্রতিবাদ করে খুন হওয়া নজরুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গেও। দু’ দিন আগে জামিনে ছাড়া পেয়েই আবার তাণ্ডব শুরু করে দেয় অভিযুক্ত শেখ আলম। উপায়ান্তর না দেখে পুলিশের শরণাপন্ন হন মৃত নজরুলের পরিবার।

এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ঘটে চলা অসামাজিক কাজকর্মের প্রতিবাদ করে পাশে পাননি কাউকে। উপরন্তু প্রাণটাই খোয়াতে হল তাঁকে। তার পর যদিও বা অভিযুক্ত শেখ আলম গ্রেফতার হয়েছিল, মাস ঘুরতে না ঘুরতেই ছাড়া পেয়ে গেল সে। ছাড়া পেয়ে রীতিমতো হামলা চালায় প্রতিবাদীর পরিজনদের লক্ষ করে। বাড়ি লক্ষ করে ইঁট ছোড়ে। এমনকি বোমাবাজিও করতে শুরু করে। রাতের অন্ধকারে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এই অবস্থায় পুলিশের দ্বারস্থ হন পরিবারের সদস্যরা। অবশেষে পরিস্থিতি সম্বন্ধে জানিয়ে ডিসি পোর্টকে ফোন করতে বাধ্য হন নজরুলের স্ত্রী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে উপস্থিত হয় পুলিশ। 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here