আগে তোলা আদায় চলতই, এ বার দাপট বাড়িয়ে পুরুলিয়ার আনাড়ায় চাঞ্চল্য ফেলে দিয়েছে ‘বাহুবলী’

খনো কারো গাড়ির বনেট, কখনো আবার কারো বাইকের হেডলাইট ভেঙেই চলেছে, এ ছাড়াও আনাড়া বাজারের দোকানের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের দিকে প্রায়শই যেন তেড়েই আসে ওই ষাঁড়

0
Bahubali

শুভদীপ চৌধুরী, পুরুলিয়া: আগে বাজারের এটা-সেটা তুলে নিয়ে চলে যেত, রীতিমতো তোলা আদায়ে রাস্তায় নামত। কিন্তু গত বছর থেকে মেজাজ বেশ তিরিক্ষি হয়েছে । রীতিমতো সবাইকে গুঁতিয়ে মেরে ফেলার উপক্রম । অতিষ্ট আনাড়াবাসী দ্বারস্থ হয়েছে প্রশাসনের, কিন্তু কিছুতেই বাগে আনা যাচ্ছে না ষাঁড়কে।

পুরুলিয়া জেলার আনাড়ায় দেখা গেল এমনই দৃশ্য । একটি প্রকাণ্ড, পূর্ণবয়স্ক ষাঁড়ের নাম এলাকাবাসীরা ভয়ে দিয়েছেন “বাহুবলী” । সকাল থেকে বিভিন্ন দোকানের সামনে গিয়ে কখনো কলা, কখনো আলু, কখনো আবার মূলো তুলে যথারীতি তোলা আদায় করতো ওই ষাঁড়, কিন্তু গত বছর আনাড়া পুলিশ ফাঁড়ির জিতেন বাউরিকে গুঁতোনোর পর থেকে সাহস যেন আরও বেড়ে যায় বাহুবলীর ।

Bull
এই সেই আনাড়ার “বাহুবলী”

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দিন দিন ভাঙচুরের স্বভাব যেন বেড়েই চলেছে ওই ষাঁড়ের । কখনো কারো গাড়ির বনেট, কখনো আবার কারো বাইকের হেডলাইট ভেঙেই চলেছে, এ ছাড়াও আনাড়া বাজারের দোকানের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের দিকে প্রায়শই যেন তেড়েই আসে ওই ষাঁড় । ইতিমধ্যে ষাঁড়ের শিঙের শিকার অনেকেই ।

গৃহবধূ অনিতা মোদক বলেন, “বাচ্চাদের স্কুলে পাঠিয়ে শান্তি পাই না, পাছে রাস্তায় ওই ষাঁড় তাদের তাড়া করে ।”

এছাড়াও এক মিষ্টান্ন বিক্রেতা রঞ্জিত মাহাতো জানান,”আগে এসে দোকানের সামনে থেকে মিষ্টি তুলে নিয়ে যেত, খাবার খেয়ে যেত, কিন্তু যত দিন যাচ্ছে ততো দোকানে আসা খদ্দেরদের গুঁতোতে যায় ওই ষাঁড় ।”

[ আরও পড়ুন: পানীয় জলের তাগিদে সাধারণতন্ত্র দিবসে নিজেদের নিলামে চড়ালেন ৫০ যুবক! ]

তিনি আরো বলেন, স্থানীয় প্রশাসনকে ইতিমধ্যেই খবর দেওয়া হয়েছে, কিন্তু এখনও ওই ষাঁড়কে বাগে আনতে পারেননি এখনও কেউই ।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here