Connect with us

রাজ্য

জলপাইগুড়িতে তৃণমূল যুবনেতার নাক ফাটানোর অভিযোগে ধৃত দু’জনের জামিন

Jalpaiguri

নিজস্ব সংবাদদাতা, জলপাইগুড়ি: বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অচল হয়ে গেল জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানা। গোষ্ঠী সংঘর্ষে একজন তৃণমূল যুবনেতার নাক ফাটার জেরে ধৃত দু’জন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে থানা ঘেরাও করেন একটি গোষ্ঠীর নেতা এবং কর্মীরা। অন্য দিকে তাঁদের ছাড়াতে থানায় হাজির হন এলাকার সাংসদ বিজয়কৃষ্ণ বর্মন। অবশেষে অবরোধকারীদের বুঝিয়ে তাঁদের দাবি মেনে পুলিশ ভ্যানের বদলে একটি গাড়িতে করে আদালতে নিয়ে যায়। আদালতে এ দিন বিকেলে অভিযুক্ত দু’জন জামিন পেয়ে যান।

ঘটনার সুত্রপাত বুধবার। ওই দিন জলপাইগুড়ি জেলাপরিষদের প্রেক্ষাগৃহে কিষান খেতমজুর সভার রাজ্য সম্পাদক বেচারাম মান্নার সভা ছিল। সভা শেষে জেলাপরিষদ ভবন চত্বরে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক সম্পাদক কৌস্তভ তলাপাত্রকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগের তির জলপাইগুড়ি জেলার তৃণমুলের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ দাস এবং তার কয়েকজন অনুগামীর দিকে ওঠে। মারের চোটে কৌস্তভের নাক ফেটে যায়। দু’পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক দোষারোপ চলে। উভয় পক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করে।

Jalpaiguri

পুলিশ ভ্যানের বদলে এ রকম গাড়িতে করে আদালতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অভিযুক্তদের

পুলিশ রাতে জাহাঙ্গির আলম এবং মজনু মহম্মদ নামে দু’জনকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে। এই ঘটনার প্রতিবাদে কৃষ্ণ দাসের আনুগামীরা বৃহস্পতিবার সকালে দলে দলে থানায় চলে আসেন। তাঁদের ছোটো ছোটো পিকআপ ভ্যানে করে থানায় নিয়ে আসা হয়। থানায় চলে আসেন কৃষ্ণ দাস এবং সাংসদ বিজয়চন্দ্র বর্মন। তাঁরা সোজা কোতোয়ালি থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকারের ঘরে ঢুকে যান। পরে বিজয়চন্দ্র বর্মন সাংবাদিকদের বলেন, “যাদের ধরে আনা হয়েছে তারা প্রকৃত দোষী নয়”। কৃষ্ণ দাস বলেন, “জলপাইগুড়িতে যাতে শান্তি বজায় থাকে সেটা জানাতেই আমরা থানায় এসেছি। থানার আইসি সাহেবের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। আমরা সন্তুষ্ট”। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান যে তাঁদের কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। সম্পূর্ণ এড়িয়ে গিয়ে তিনি বলেন এ রকম কোনো ঘটনা ঘটেনি।

[ আরও পড়ুন: সভা সেরে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়া বাসযাত্রীদের উদ্ধারে সাংসদ ]

এর পরই তাঁর নির্দেশে তার অনুগামীরা থানা থেকে বেরিয়ে যান। পুলিশ নিজেদের ভ্যানের বদলে একটি লাল গাড়িতে করে অভিযুক্তদের আদালতে নিয়ে গিয়ে তাঁদের এজলাসে ঢুকিয়ে দেয়। বিকেলে অভিযুক্ত দু’জন জামিন পেয়ে যান। এই ঘটনার জেরে এ দিন সকাল থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় কোনো কাজ হয়নি।

রাজ্য

দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড রাজ্যে, সুস্থতাতেও রেকর্ড

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড তৈরি হল পশ্চিমবঙ্গে। একই সঙ্গে নতুন রেকর্ড তৈরি হল সুস্থতার সংখ্যাতেও। যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যায় বেশ বড়ো রকম বৃদ্ধি এলেও, সক্রিয় রোগীর সংখ্যা খুব একটা বাড়েনি।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৭৪৩ জন করোনা-পজিটিভ হয়েছেন। এর ফলে রাজ্যে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ২১,২৩১। আবার একই সঙ্গে ৫৯৫ জন সুস্থ হয়েছে, যা এখনও পর্যন্ত দৈনিক সর্বোচ্চ। এর ফলে সুস্থতার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪,১৬৬।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ১৯ জনের মৃত্যু হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৩৬। রাজ্যে সুস্থতার হার এখন রয়েছে ৬৬.৭২ শতাংশ। রাজ্যে বর্তমানে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৬,৩২৯ জন।

কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী চার জেলা

কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড তৈরি হল শনিবার। এ দিন শহরের ২৪২ জন বাসিন্দা নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর ফলে শহরে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬,৮৬৪। যদিও কলকাতায় সুস্থতার হার বেশ ভালোই। কারণ এখনও পর্যন্ত ৪,৩০৭ মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন। কলকাতায় করোনায় মৃতের সংখ্যা ৪১০। ফলে শহরে এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২,১৪৭।

কলকাতার পরেই আক্রান্তের সংখ্যায় দ্বিতীয় আর তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে উত্তর ২৪ পরগনা (১৬৪) আর দক্ষিণ ২৪ পরগণা (৯৭)। অন্য দিকে হাওড়া আর হুগলিতে আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ৮২ আর ২৪ জন। এই চার জেলার মধ্যে হাওড়া আর হুগলিতে সক্রিয় রোগী আগের দিনের থেকে কমেছে।

দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলা

ঝাড়গ্রাম বাদে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলা সব জেলায় নতুন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। এর মধ্যে মুর্শিদাবাদ, নদিয়া আর পশ্চিম মেদিনিপুরে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১৪, ১১ আর ১০ জন। বাকি জেলাগুলিতে আক্রান্তের সংখ্যা কম।

বর্তমানে পুরুলিয়া আর বাঁকুড়ায় সক্রিয় রোগী রয়েছেন যথাক্রমে ১২ আর ৪৩। পূর্ব আর পশ্চিম বর্ধমানে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩০ আর ৩১। পূর্ব আর পশ্চিম মেদিনীপুরে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৯৯ আর ৫৩। অন্য দিকে নদিয়া আর মুর্শিদাবাদে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা যথাক্রমে ৭৩ আর ৬২।

উত্তরবঙ্গ

উত্তরবঙ্গে মালদা আর দার্জিলিং নিয়ে চিন্তা রয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের। গত ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিংয়ে ২৩ আর মালদায় ৪০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মালদায় বর্তমানে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩১১ আর দার্জিলিংয়ে ১৩৯।

কোচবিহার বাদে উত্তরবঙ্গের সব জেলা থেকেই নতুন করোনা-আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। এর মধ্যে করোনামুক্ত হওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে কোচবিহার। কারণ, ওই জেলায় এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন মাত্র এক জন। আলিপুরদুয়ারে সক্রিয় রোগী ১০ জন।

কালিম্পং এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৭ জন। জলপাইগুড়িতে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৭৪ জন। উত্তর আর দক্ষিণ দিনাজপুরে যথাক্রমে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৪৬ আর ৩৩ জন।

নমুনা পরীক্ষার তথ্য

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ১১,০১৮টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর ফলে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট ৫ লক্ষ ৩০ হাজার ৭২টি নমুনা পরীক্ষা হয়ে গেল। রাজ্যে নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার বর্তমানে রয়েছে ৪.০১ শতাংশ।

Continue Reading

রাজ্য

অবশেষে বৃষ্টি ফিরল দক্ষিণবঙ্গে, চলবে কিছু দিন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: চার দিন পর অবশেষে বৃষ্টি ফিরল কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে। বর্ষা নতুন করে সক্রিয় হওয়ারও ইঙ্গিত পাওয়া গেল। আগামী তিন চার দিন কমবেশি বৃষ্টি চলবে। বিক্ষিপ্ত ভাবে ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।

গত সোমবারের পর থেকেই দক্ষিণবঙ্গে নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছিল বর্ষা। বৃষ্টিহীন আবহাওয়া আর মেঘমুক্ত আকাশে ছড়ি ঘুরিয়েছে রোদ। অবস্থা এমনই হয়ে গিয়েছিল, যে গত বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রিতে উঠে যায়। জুলাইয়ে এমন পারদ কবে উঠেছিল, মনে করা যায় না।

তীব্র গরমের কারণে আবার বৃষ্টির প্রার্থনা শুরু হয়ে গিয়েছিল কলকাতায়। উল্লেখ্য, গত রবিবারই ঘণ্টাখানেকের আকাশভাঙা বর্ষণে ভেসেছিল কলকাতার একটা বড়ো অংশ। তখনই বৃষ্টি কমার প্রার্থনা করছিলেন স্থানীয় মানুষজন। কিন্তু গত কয়েক দিনের গরমের পর পরিস্থিতি আবার বদলে যায়।

বর্ষা সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত

অবশেষে শনিবার থেকে আবার সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে বর্ষা। এ দিন কলকাতায় দু’ দফায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়। এই বৃষ্টির ফলে গরম একটুও কমেনি। কিন্তু তবুও বৃষ্টি ফিরে আসায় স্বস্তি পেয়েছেন বৃষ্টিপ্রত্যাশীরা।

আগামী তিন চার দিন বৃষ্টি চলতে থাকবে দক্ষিণবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় বিক্ষিপ্ত ভারী বর্ষণ হতে পারে। উত্তরবঙ্গেও আগামী কয়েক দিন ভারী বৃষ্টি চলতে থাকবে।

তিনটে ঘূর্ণাবর্ত

এই মুহূর্তে রাজ্যের তিনটে দিকে তিনটে ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। একটি রয়েছে উত্তরপূর্ব ভারতে, একটি ঝাড়খণ্ডের ছোটোনাগপুর মালভূমিতে আর অন্যটি অন্ধপ্রদেশ-ওড়িশা উপকূলে। বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়দার আল্টিমার মতে, এই ঘূর্ণাবর্তের ফলে দক্ষিণবঙ্গের ওপরে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্পের সমাগম হবে। এর থেকেই নামবে জোর বৃষ্টি।

মনে করা হচ্ছে, আগামী দিনগুলিতে গোটা রাজ্যেই বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। তবে তার জন্য পরবর্তী রিপোর্টের অপেক্ষা করতে হবে।

Continue Reading

রাজ্য

সারা দেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকার সমস্যা অনেক কম: মুখ্যমন্ত্রী

জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার ৬.৫ শতাংশ।

কলকাতা: একটি সমীক্ষা রিপোর্ট তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দাবি করলেন, সারা দেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্ব সমস্যা অনেকটাই কম।

সমীক্ষাটি করেছে সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (Centre for Monitoring Indian Economy) নামে মুম্বই-ভিত্তিক একটি সংস্থা। ওই সমীক্ষার রিপোর্ট তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী শনিবার একটি টুইটবার্তায় জানান, জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার ৬.৫ শতাংশ। সেখানে ভারতে এই হার ১১ শতাংশ। তিনি জানান, কোভিড-১৯ সংকট এবং ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের তাণ্ডব কাটিয়ে উঠতে রাজ্য সরকার যে ইতিবাচক পদক্ষেপগুলি নিয়ে চলেছে, তার জেরেই রাজ্যে বেকারত্ব সমস্যা তুলনামূলক ভাবে কম।

মুখ্যমন্ত্রী এ দিন টুইটারে লিখেছেন, আমরা কোভিড-১৯ (Conid-19) এবং উম্পুনের (Amphan) তাণ্ডবে সৃষ্টি হওযা ধ্বংসযজ্ঞের মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক কৌশল প্রয়োগ করেছি। যে কারণে সিএমআইই-র রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সালের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গের বেকারত্বের হার ৬.৫ শতাংশ, সারা দেশে এই হার ১১ শতাংশ, উত্তরপ্রদেশে বেকারত্বের হার ৯.৬ শতাংশ এবং হরিয়ানায় ৩৩.৬ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে”।

আগের সমীক্ষায় কী বলা হয়েছিল?

সিএমআইই (CMIE)-র মে মাসের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, লকডাউনের জেরে সারা দেশে বেকারত্বের হার ঠেকেছে ২৩.৫ শতাংশে। সেখানে পশ্চিমবঙ্গে এই হার ১৭.৩ শতাংশ।

সংস্থাটি জানায়, গত মার্চ মাসে সারা দেশে বেকারত্বের (Unemployment) হার ছিল ৮.৮ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গে যা তখন ছিল ৬.৯ শতাংশ।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে গত ২৫ মার্চ দেশব্যাপী লকডাউন শুরু হয়। তবে শুধু ভারত নয়, করোনার প্রভাবে গোটা বিশ্বই চরম আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। কলকারখানা, প্রকল্প বন্ধ হওয়ার জেরে এক দিকে বেড়েছে বেকারত্ব অন্য দিকে আর্থিক টান। সব মিলিয়ে অভূতপূর্ব আর্থিক সংকটে পড়েছে বিশ্ব। ভারত লকডাউন অতিক্রম করে আনলক পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তবে স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং কর্মসংস্থান এখনও পুরোপুরি অধরা।

গত বুধবার সিএমআইই নতুন সমীক্ষা রিপোর্টটি প্রকাশ করে। আনলক পর্যায়ে ধীরে ধীরে কলকারখানা, অফিস খোলার পর থেকে সারা দেশেই বেকারত্বের হার শেষ তিন মাসের তুলনায় ধীরে ধীরে কমছে বলে দাবি করা হয়েছে এই সমীক্ষা রিপোর্টে।

Continue Reading
Advertisement
দেশ14 mins ago

উত্তরপ্রদেশে ৮ পুলিশ হত্যা: ‘ভেতরের’ ভূমিকা নিয়ে পুলিশের তদন্ত, স্টেশন অফিসার সাসপেন্ড

দেশ28 mins ago

এই প্রথম ভারতে এক দিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ হাজারের বেশি

দেশ2 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৪৮৫০, সুস্থ ৯৩৮১

Nitish Kumar
দেশ2 hours ago

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার করোনা নেগেটিভ

রবিবারের পড়া3 hours ago

রবিবারের পড়া: ভারতীয় ক্রিকেট-বিপ্লবের দুই কারিগর

কলকাতা15 hours ago

শর্ট সার্কিট থেকে আগুন, বেহালায় পুড়ে মৃত্যু মা-মেয়ের

দেশ15 hours ago

করোনা মহামারিতে ‘ফুচকা’র জন্য গলা শুকোচ্ছে? এসে গেল ‘এটিএম’

দেশ16 hours ago

‘আত্মনির্ভর ভারত অ্যাপ ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’ চালু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

নজরে