bankura dm
জমির কাগজপত্র দেখছেন জেলাশাসক। নিজস্ব চিত্র।
indrani sen
ইন্দ্রাণী সেন

বাঁকুড়া: আবার ‘সহমর্মী’ জেলাশাসক। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভূমিহীন আদিবাসীদের পাট্টা পাওয়া জমি চিহ্নিতকরণের উদ্যোগ নিল জেলা প্রশাসন। শুক্রবার বাঁকুড়ার জামতোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বক্সীবাঁধ গ্রামে এক শিবিরে ছ’ জন আদিবাসী মানুষের হাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তুলে দেন স্বয়ং জেলাশাসক। একই সঙ্গে জমির সীমানা নির্ধারণ ও জমি জরিপ সংক্রান্ত বিষয়ে হাত লাগান তিনি।

উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই ‘সহমর্মী’ প্রকল্পের বাস্তবায়নে এই গ্রামেই সাইকেল সফর করেন জেলাশাসক। গ্রামের মানুষ জেলাশাসকের কাছে নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। বছর কয়েক আগে এই গ্রামের ভূমিহীন মানুষকে জমির পাট্টা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই জমির সীমা নির্ধারণ ও চিহ্নিতকরণ না করায় এত দিন পর্যন্ত জমি অনাবাদী পড়েছিল। সরকারি কাজের জটিলতায় চাষ থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল সাধারণ মানুষ। গ্রামবাসী বাবলু মাণ্ডি, লক্ষ্মী মাণ্ডিরা বলেন, এই সমস্যা অনেক দিনের, তিরিশ বছরেরও বেশি। যে কারণেই হোক সমস্যার সমাধান হচ্ছিল না। জেলাশাসক তাঁদের গ্রামে এলে তাঁর কাছে এই সমস্যার কথা বলা হয়। খুব ভালো লাগছে এ বার নিজের জমিতেই চাষ করতে পারবেন ভেবে তাঁদের খুব ভালো লাগছে।

আরও পড়ুন জলপাইগুড়িতে পথ চলা শুরু করল পাসপোর্ট সেবাকেন্দ্র

জেলাপ্রশাসন সূত্রে খবর, তিরিশ বছর আগে এই গ্রামের ষোলোজন পাট্টা পেলেও জমির সঠিক চিহ্নিতকরণ না হওয়ায় সেই জমি চাষ করা সম্ভব ছিল না। জেলাশাসক নিজে উদ্যোগী হয়ে ভূমি সংস্কার দফতরের কর্মী-আধিকারীকদের সঙ্গে নিয়ে গিয়ে প্রথম দফায় ছ’ জনের জমি চিহ্নিত করেন। এই প্রক্রিয়া ধারাবাহিক ভাবে চলবে বলেও জানা গিয়েছে। জেলাশাসক ডাঃ উমাশঙ্কর এস বলেন, ‘সহমর্মী’ প্রকল্পে জেলা ও ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা গ্রামে গ্রামে ঘুরে মানুষের সমস্যার কথা শুনছেন। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনেই গ্রামের মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ বজায় রাখার জন্য ধারাবাহিক ভাবে এই কর্মসূচি চলবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here