বাঁকুড়ার আকুইয়ে ‘গান্ধীবুড়ি’ ননীবালা গুহর ৩২তম তিরোধান দিবস পালিত

0

ইন্দ্রাণী সেন বোস: বাঁকুড়া

বাঁকুড়ার ইন্দাসের আকুই গ্রামের ‘গান্ধীবুড়ি’ ননীবালা গুহর ৩২তম তিরোধান দিবস পালিত হল রবিবার। এ দিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন ননীবালা গুহর প্রবীণ ও নবীন অনুরাগী ও গুণমুদ্ধজনরা।

Loading videos...

উল্লেখ্য, ননীবালা গুহ ছিলেন বাঁকুড়া জেলার বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সমাজসেবক। তৎকালীন সময়ে এলাকায় নারীশিক্ষা বিস্তারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি। ফলস্বরূপ ওঁরই জীবদ্দশায় আকুই গ্রাম পায় ওঁর ছোটো ও বড়ো মেয়েকে অর্থাৎ আকুই ননীবালা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। ননীবালা দু’টি স্কুলকে এই নামেই সম্বোধন করতেন। জীবনের সমস্ত সঞ্চয় তিনি বিদ্যালয়কে দান করে যান।

দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় ভাবে যোগ দিয়ে বার বার কারাবরণ করেছিলেন ননীবালা। স্বাধীনতার পরে ভারত সরকারের তরফ থেকে তাঁকে তাম্রপত্র দিয়ে সম্মানিত করা হয়।

আকুই স্কুলমোড়ে ননীবালা গুহর মর্মর মুর্তিতে মাল্যদানের মাধ্যমে এ দিনের অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ননীবালা গুহর স্মৃতিরক্ষার্থে ও স্বাধীনতা আন্দোলনে ওঁর সক্রিয় ভূমিকার কথা বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে একটি স্থায়ী স্মৃতিরক্ষা কমিটি গঠন করার প্রস্তাব দেওয়া হয় আয়োজকদের পক্ষ থেকে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ননীবালা গুহর স্নেহধন্য পঙ্কজ কুমার মাজিলা, দিলীপ দাঁ, দুর্গাদাস চট্টোপাধ্যায়, প্রলয় রক্ষিত, ডা. নীহারেন্দু দত্ত, রাজেশ গুহ প্রমুখ।

আরও পড়ুন: চল্লিশের দশকে বাংলার এক গণ্ডগ্রামে নারী শিক্ষার আলো দেখিয়েছিলেন তিনি, নারী দিবসে স্মরণ করি সেই বীরাঙ্গনাকে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.