লাটে উঠেছে ঠেলাগাড়িতে ঘুগনি, ফুচকা বিক্রি, সরকারি সাহায্য চাইছেন বিক্রেতারা

0

বাঁকুড়া: করোনা সংক্রমণ রুখতে রাজ্যের কার্যত লকডাউনের জেরে দিশেহারা ঘুগনি ও ফুচকা বিক্রেতারা।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে দেশের অন্যান্য রাজ্যের মতোই পশ্চিমবঙ্গের মানুষেরও জীবন জেরবার। সারা রাজ্য জুড়ে চলছে কার্যত লকডাউন। কড়াকড়ি নিয়ন্ত্রণবিধির জেরে কাজ পর্যন্ত হারিয়েছেন অনেকেই। এমনই ছবি ধরা পড়ল বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস ব্লকের ঠাকুরানি পুস্করিনি গ্রামে। এই গ্রামের বাসিন্দা বুদ্ধদেব দে, পিন্টু বাগদিরা আজ বড়ো অসহায় ভাবে দিন কাটাচ্ছেন।

Loading videos...

বুদ্ধদেব দে বলেন, “আমরা গরিব পরিবারের মানুষ। দিন এনে দিন খাই। গোবিন্দপুর বাজারে ঠেলাগাড়িতে করে ঘুগনি, সিঙাড়া বিক্রি করে যা উপার্জন হতো, সেই দিয়েই কোনো মতে সংসার চলে যেত। করোনা সব শেষ করে দিল”।

পিন্টু বাগদি বলেন, করোনা লকডাউনের আগে ফুচকা ভালোই বিক্রি হতো। লকডাউনের ফলে আজ খুব অসহায় ভাবে পরিবার-পরিজনদের নিয়ে দিনযাপন করছি। একশো দিনের কাজ পেয়ে কোনো রকমে সংসারটা চালাতে পারছি। কিন্তু এই একশো দিনের কাজ তো আর সারা বছর পাওয়া যাবে না। করোনা লকডাউনের ফলে আমাদের ব্যবসায় অনেকখানি ঘাটতি দেখা দিয়েছে। কী করে সংসার চলবে?

এ রকমই অনেকের দাবি, চাকরি তো নেই,বরং অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন। ফলে এই রকম ঘুগনি ও ফুচকা বিক্রেতদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। শুধু ইন্দাস ব্লক নয়, জয়পুর ব্লকের এই পেশায় যুক্ত ব্যক্তিদেরও একই অবস্থা। তাঁরা চান সরকারি সাহায্য।

আরও পড়তে পারেন: কোভিডমুক্ত হয়েও শেষ রক্ষে হল না, মারা গেলেন ব্ল্যাক ফাঙ্গাস আক্রান্ত শিলিগুড়ির মহিলা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.