বাঁকুড়া জেলার আকুই গ্রামের সেন পরিবারে বিদ্যাসাগরের প্রয়াণবার্ষিকী পালিত

0

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: ২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার পালিত হল ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১৩০তম প্রয়াণবার্ষিকী। বিভিন্ন ভাবে স্মরণ করা হল বিদ্যাসাগরকে। সরকারি ও বেসরকারি স্তরে এই উপলক্ষ্যে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন ক্লাব-সংগঠনও বিদ্যাসাগরের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেন। বহু পরিবারও ব্যক্তিগত ভাবে ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদ্যাসাগরকে স্মরণ করেন। এমনই একটি পরিবার হল বাঁকুড়া জেলার আকুই গ্রামের সেন পরিবার।

এ ব্যাপারে বিশিষ্ট সমাজসেবী ও সেন পরিবারের অন্যতম প্রবীণ সদস্য রমাপ্রসাদ সেন জানান, পরিবারের বর্তমান প্রজন্মের কাছে বিদ্যাসাগরকে স্মরণীয় করে রাখতে, তাঁর অবদান সম্পর্কে তাদের অবহিত করতেই তাঁরা পালন করলেন তাঁর ১৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী।

রমাপ্রসাদবাবু বলেন, বাংলায় রেনেসাঁর অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। সমাজসংস্কারের পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রেও তিনি অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গিয়েছেন। তিনি বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছিলেন। তাঁর উদ্যোগেই চালু হয়েছিল বিধবাবিবাহ। আধুনিক বাংলা ভাষার জনক ছিলেন বিদ্যাসাগর। তাঁর রচিত বর্ণ পরিচয়ের মাধ্যমেই আপামর বাঙালির অক্ষর পরিচয় শুরু হয়।

সেন পরিবারের ঘরোয়া অনুষ্ঠানে বিদ্যাসাগরের ছবিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রমাপ্রসাদবাবু-সহ পরিবারের সদস্যরা। উপস্থিত সকলের কাছে সমাজসংস্কার ও শিক্ষাবিস্তারে বিদ্যাসাগরের সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন তিনি।

Shyamsundar

অনুষ্ঠানে বিদ্যাসাগরকে নিয়ে লেখা বিশেষ কবিতা আবৃত্তি পরিবারের খুদে সদস্য সৌযশ সেন। বিদ্যাসাগরের জীবনী পাঠ করে অপর খুদে সদস্য হিরণ্যাভ সেন।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন