আস্থাভোট ঘিরে রণক্ষেত্র বনগাঁ পুরসভা, হাইকোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও বাধা বিজেপি কাউন্সিলারকে!

0

ওয়েবডেস্ক: আস্থাভোট ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল বনগাঁ পুরসভা। মঙ্গলবার বেলা তিনটের সময় আস্থাভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই বিজেপি দু’জন কাউন্সিলারকে আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে।‌

এ দিন বিজেপির দুই কাউন্সিলার হিমাদ্রী মণ্ডল এবং কার্তিক মণ্ডলের গ্রেফতারির উপর এক সপ্তাহের অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। তাঁদের বিরুদ্ধে এক তৃণমূল কাউন্সিলারকে অপহরণের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এ দিন হিমাদ্রীবাবু পুরসভায় নিজের ভোট দিতে গেলে পুলিশ তাঁকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। পুরসভার বাইরে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “আমাদের দু’জনকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। আজই হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহ পুলিশ আমাদের গ্রেফতার করতে পারবে না। এর পরেও আমাদের বেআইনি ভাবে পুরসভায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না”।

এ দিন সকাল থেকেই পুরসভার ৫০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙেই বিজেপিঋ-তৃণমূল সমর্থকরা পুরসভায় ঢোকার চেষ্টা করেন। একটা অংশ’শংকর আঢ্যকে চাই স্লোগান তুলে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে। পুলিশ বাধ্য হয় লাঠি চালাতে।

কয়েক দিন আগেই তৃণমূল দাবি করে, বনগাঁ পুরসভার কাউন্সিলার শম্পা মোহান্তকে অপহরণ করা হয়। দুই বিজেপি কাউন্সিলার কার্তিক মণ্ডল এবং হিমাদ্রী মণ্ডল তাঁর বাড়িতে যান। তাঁর সঙ্গে কিছু কথা রয়েছে বলে বাড়ির বাইরে নিয়ে আসেন। এবং তাঁকে একটি জায়গায় বৈঠকের নাম করে গাড়িতে বসান। সেখান থেকে তাঁকে কলকাতা এবং নিউটাউনের বেশ কয়েকটি জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়।

আপডেট পড়ুন এখানে ক্লিক করে

ওই কাউন্সিলার স্বামী অভিযোগ করেছেন, শম্পাদেবীকে দিল্লিতে পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে বিজেপির অফিসে নিয়ে গিয়ে দলবদলের জন্য চাপ দেওয়া হয়। গত ১১ জুলাই কোনো রকমে দিল্লি থেকে পালিয়ে আসেন তিনি। এর পর থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here