ওয়েবডেস্ক: নির্বাচন এবং অশান্তি। এই দু’টি শব্দ যেন একে অপরের পরিপূরক ভাঙড়ে। অশান্তি ছাড়া ভাঙড়ে ভোটগ্রহণ হচ্ছে, এটা ইদানীং কালে খুব একটা দেখাই যায় না। কিন্তু সেই ছবিটাি যেন কিছুটা পরিবর্তন হল রবিবাসরীয় ভাঙড়ে। বিক্ষিপ্ত ছোটোখাটো অশান্তি হয়েছে। কিন্তু সেটা উপেক্ষা করেই সেই অঞ্চলে ভোটদানে ব্যাপক সাড়া দিচ্ছেন অঞ্চলের সাধারণ মানুষ।

ভাঙড়ে ভোটগ্রহণের সময়ে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ সাধারণত ওঠে স্থানীয় এক নেতার বিরুদ্ধে। কিন্তু এ দিন সে ভাবে কোনো অভিযোগ নেই। যদিও শনিবার রাতে কিছু জায়গায় ভোটারদের হুমকি এবং শাসানির অভিযোগ উঠেছিল। সকালেও ভোটারদের বুথে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু যখনই এমন অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। ভোটারদের আস্থা বাড়াতে ভাঙড়ের বিভিন্ন গ্রামে টহল দিচ্ছে পুলিশ।

এ বার ভাঙড়ে শান্তিপূর্ণ ভোট করানো কমিশনের কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল। সে কারণে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে পুরো এলাকা। সব বুথেই বাহিনীর একাধিক জওয়ানের উপস্থিতি চোখে পড়ছে। আর এই সবের জন্য ভয় কাটিয়ে ভোট দিতে বেরোচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বুথের লাইনে মহিলাদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো।

আরও পড়ুন মোদীর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলের

এ দিন সকাল থেকেই ভাঙড়ের বিভিন্ন বুথে ঘুরছেন বাম প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। একটি বুথে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভও দেখানো হয়, কিন্তু সেটা নিয়ে বিশেষ গা করেননি তিনি। অন্য দিকে বিজেপি প্রার্থী অনুপম হাজরা ভাঙড়ে যাবেন কি না ঠিক নেই। সাংবাদিকদের অনুপমবাবু বলেন, ভাঙড়ে গেলে তৃণমূলের হাতে আটকা পড়তে পারেন, সেই কারণে যাচ্ছেন না তিনি।

ভাঙড়ে ভোটগ্রহণ কেমন হচ্ছে, এই প্রশ্ন করা হলে আরাবুল ইসলাম বলেন, “ভাঙড়ে কোনো অশান্তি নেই। কোথাও কোনো বিরোধী এজেন্টদের হুমকির খবর নেই। মানুষ গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হচ্ছে।”

(সপ্তম দফার ভোটের যাবতীয় লাইভ আপডেটের জন্য ক্লিক করুন এখানে)

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here