বীজপুরের ওসিকে মুখ্যমন্ত্রীর ধমক, তারপরই বদলি, শুরু রাজনৈতিক জল্পনা

0
1100
bizpore

ওয়েবডেস্ক: বীজপুর থানায় যোগ দেওয়ার পর থেকেই ওসি আনন্দময় চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে তেমন কোনো অভিযোগ শোনা যায়নি কখনোই। ফলে এমন একজন ওসিকে আচমকা বদলির সরকারি বদলির নির্দেশে কানাঘুষো শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

পুলিশের তরফে অবশ্য এই বদলিকে রুটিন হিসাবেই চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু পঞ্চায়েত ভোটের মুখে আনন্দময়বাবুকে বদলির নেপথ্যে রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয় নিয়েও গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে।

বীজপুরের একটি মহলের মতে, এলাকার বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়কে প্রায় নিষ্ক্রিয় করে রাখার একটা চেষ্টা বেশ কয়েক মাস ধরেই জারি রয়েছে। অলিখিত এই নিয়ম মেনেই শাসক এবং বিরোধী দলের নেতৃত্ব নিজেদের মতো করে প্রভাব খাটিয়ে চলেছেন। সম্প্রতি প্রশাসনিক বৈঠকে গিয়েও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যথেষ্ট রুষ্ট হয়েছিলেন পুলিশের উপর। এমনকি সরাসরি তিনি আনন্দময়বাবুকে ধমকও দেন। তিনি আনন্দময়বাবুর কাছে জানতে চান, এলাকার বেআইনি জমি সংক্রান্ত বিষয়ে। পাশাপাশি ওই এলাকায় দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব বাড়ছে বলেও তাঁকে সতর্ক করে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

এ বিষয়ে একটি ঘটনার রেশ তুলে ধরে স্থানীয় এক সিপিএম নেতার দাবি, কয়েক সপ্তাহ আগেই বীজপুরের প্রবীণ তৃণমূল নেতা প্রবীর সরকারের উপর আক্রমণ চালায় দুষ্কৃতীরা। প্রবীরবাবু কোনো রকমে প্রাণে বেঁচে যান সে যাত্রায়। কিন্তু পুলিশ শেষ পর্যন্ত প্রকৃত অপরাধীদের ধরতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন তিন। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এক দিকে বাড়তে থাকা দুষ্কৃতী তাণ্ডব অন্য দিকে দুষ্কৃতীতের নিশানায় তৃণমূলের নেতা, এর মধ্যে কী কোনো গোপন অভিসন্ধি লুকিয়ে রয়েছে?

তবে পুলিশ এমন কোনো তত্ত্বকে মান্যতা দিতে নারাজ। আনন্দময়বাবুকে বীজপুর থেকে বদলি করে পাঠানো হয়েছে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে। তাঁর জায়গায় সিআইডি থেকে নিয়ে আসা হয়েছে কৃষ্ণেন্দু ঘোষকে। তবে কি এর মধ্যেও রয়েছে কোনো বিশেষ পরিকল্পনা? উঠছে এমনও প্রশ্ন।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here