Connect with us

রাজ্য

তৃণমূলের সমর্থনে দাঁড়াচ্ছেন বিনয়, জিতলে পাবেন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্বও

binay tamang

দার্জিলিং: সব জল্পনার অবসান। দার্জিলিং বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূলের সমর্থনে মোর্চার প্রার্থী হচ্ছেন বিনয় তামাং। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।

তবে নিছক বিধায়ক হওয়ার জন্য বিনয়কে প্রার্থী করা হচ্ছে না। এই আসনে তিনি জিতলে তাঁকে রাজ্য মন্ত্রিসভাতেও নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছে মোর্চা। এমনকি কোন দফতর তিনি পাবেন, তা-ও নির্দিষ্ট। মোর্চা নেতা সিরিং দহাল জানিয়েছেন, বিনয় জয়ী হলে পার্বত্য বিষয়ক দফতরের মন্ত্রী হতে পারেন তিনি। তিন দশক আগে শেষ বার পাহাড়ের কেউ মন্ত্রী হয়েছিলেন। তখন মন্ত্রী হয়েছিলেন দাওয়া লামা। তার পর পাহাড় থেকে কারও রাজ্য মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়নি।

আরও পড়ুন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কি খুব তিক্ত? মোদী যে অন্য কথা বললেন

এ বার লোকসভা নির্বাচনে পাহাড়ে মূল ইস্যু ছিল উন্নয়ন, শান্তি এবং গোর্খা জাতিসত্তা। বিধানসভা উপনির্বাচনেও ইস্যু উন্নয়ন থাকলেও প্রচার জুড়ে যে মন্ত্রিত্বের বিষয়টি থাকবে, সেটা আগাম আঁচ করা যাচ্ছে। মন্ত্রিত্বের ব্যাপারেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন দহাল। মোর্চার তরফে জানানো হয়েছে, ২৬ তারিখেই বিনয় তামাং মনোনয়ন জমা দেবেন। তবে তার আগে জিটিএর চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিতে হবে তাঁকে।

এ দিকে তামাংপন্থী মোর্চার দাপটে বিরোধী শিবির এখনও ছন্নছাড়া। জানা গিয়েছে গুরুংপন্থী মোর্চা এবং বিজেপির সমর্থনে জিএনএলএফের প্রার্থী হতে পারেন অজয় এডওয়ার্ড। অন্য দিকে জন আন্দোলন পার্টির প্রার্থী হচ্ছেন অমর লামা।

রাজ্য

অবশেষে বৃষ্টি ফিরল দক্ষিণবঙ্গে, চলবে কিছু দিন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: চার দিন পর অবশেষে বৃষ্টি ফিরল কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে। বর্ষা নতুন করে সক্রিয় হওয়ারও ইঙ্গিত পাওয়া গেল। আগামী তিন চার দিন কমবেশি বৃষ্টি চলবে। বিক্ষিপ্ত ভাবে ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।

গত সোমবারের পর থেকেই দক্ষিণবঙ্গে নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছিল বর্ষা। বৃষ্টিহীন আবহাওয়া আর মেঘমুক্ত আকাশে ছড়ি ঘুরিয়েছে রোদ। অবস্থা এমনই হয়ে গিয়েছিল, যে গত বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রিতে উঠে যায়। জুলাইয়ে এমন পারদ কবে উঠেছিল, মনে করা যায় না।

তীব্র গরমের কারণে আবার বৃষ্টির প্রার্থনা শুরু হয়ে গিয়েছিল কলকাতায়। উল্লেখ্য, গত রবিবারই ঘণ্টাখানেকের আকাশভাঙা বর্ষণে ভেসেছিল কলকাতার একটা বড়ো অংশ। তখনই বৃষ্টি কমার প্রার্থনা করছিলেন স্থানীয় মানুষজন। কিন্তু গত কয়েক দিনের গরমের পর পরিস্থিতি আবার বদলে যায়।

বর্ষা সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত

অবশেষে শনিবার থেকে আবার সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে বর্ষা। এ দিন কলকাতায় দু’ দফায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়। এই বৃষ্টির ফলে গরম একটুও কমেনি। কিন্তু তবুও বৃষ্টি ফিরে আসায় স্বস্তি পেয়েছেন বৃষ্টিপ্রত্যাশীরা।

আগামী তিন চার দিন বৃষ্টি চলতে থাকবে দক্ষিণবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় বিক্ষিপ্ত ভারী বর্ষণ হতে পারে। উত্তরবঙ্গেও আগামী কয়েক দিন ভারী বৃষ্টি চলতে থাকবে।

তিনটে ঘূর্ণাবর্ত

এই মুহূর্তে রাজ্যের তিনটে দিকে তিনটে ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। একটি রয়েছে উত্তরপূর্ব ভারতে, একটি ঝাড়খণ্ডের ছোটোনাগপুর মালভূমিতে আর অন্যটি অন্ধপ্রদেশ-ওড়িশা উপকূলে। বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়দার আল্টিমার মতে, এই ঘূর্ণাবর্তের ফলে দক্ষিণবঙ্গের ওপরে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্পের সমাগম হবে। এর থেকেই নামবে জোর বৃষ্টি।

মনে করা হচ্ছে, আগামী দিনগুলিতে গোটা রাজ্যেই বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। তবে তার জন্য পরবর্তী রিপোর্টের অপেক্ষা করতে হবে।

Continue Reading

রাজ্য

সারা দেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকার সমস্যা অনেক কম: মুখ্যমন্ত্রী

জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার ৬.৫ শতাংশ।

কলকাতা: একটি সমীক্ষা রিপোর্ট তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দাবি করলেন, সারা দেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্ব সমস্যা অনেকটাই কম।

সমীক্ষাটি করেছে সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (Centre for Monitoring Indian Economy) নামে মুম্বই-ভিত্তিক একটি সংস্থা। ওই সমীক্ষার রিপোর্ট তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী শনিবার একটি টুইটবার্তায় জানান, জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার ৬.৫ শতাংশ। সেখানে ভারতে এই হার ১১ শতাংশ। তিনি জানান, কোভিড-১৯ সংকট এবং ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের তাণ্ডব কাটিয়ে উঠতে রাজ্য সরকার যে ইতিবাচক পদক্ষেপগুলি নিয়ে চলেছে, তার জেরেই রাজ্যে বেকারত্ব সমস্যা তুলনামূলক ভাবে কম।

মুখ্যমন্ত্রী এ দিন টুইটারে লিখেছেন, আমরা কোভিড-১৯ (Conid-19) এবং উম্পুনের (Amphan) তাণ্ডবে সৃষ্টি হওযা ধ্বংসযজ্ঞের মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক কৌশল প্রয়োগ করেছি। যে কারণে সিএমআইই-র রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সালের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গের বেকারত্বের হার ৬.৫ শতাংশ, সারা দেশে এই হার ১১ শতাংশ, উত্তরপ্রদেশে বেকারত্বের হার ৯.৬ শতাংশ এবং হরিয়ানায় ৩৩.৬ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে”।

আগের সমীক্ষায় কী বলা হয়েছিল?

সিএমআইই (CMIE)-র মে মাসের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, লকডাউনের জেরে সারা দেশে বেকারত্বের হার ঠেকেছে ২৩.৫ শতাংশে। সেখানে পশ্চিমবঙ্গে এই হার ১৭.৩ শতাংশ।

সংস্থাটি জানায়, গত মার্চ মাসে সারা দেশে বেকারত্বের (Unemployment) হার ছিল ৮.৮ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গে যা তখন ছিল ৬.৯ শতাংশ।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে গত ২৫ মার্চ দেশব্যাপী লকডাউন শুরু হয়। তবে শুধু ভারত নয়, করোনার প্রভাবে গোটা বিশ্বই চরম আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। কলকারখানা, প্রকল্প বন্ধ হওয়ার জেরে এক দিকে বেড়েছে বেকারত্ব অন্য দিকে আর্থিক টান। সব মিলিয়ে অভূতপূর্ব আর্থিক সংকটে পড়েছে বিশ্ব। ভারত লকডাউন অতিক্রম করে আনলক পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তবে স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং কর্মসংস্থান এখনও পুরোপুরি অধরা।

গত বুধবার সিএমআইই নতুন সমীক্ষা রিপোর্টটি প্রকাশ করে। আনলক পর্যায়ে ধীরে ধীরে কলকারখানা, অফিস খোলার পর থেকে সারা দেশেই বেকারত্বের হার শেষ তিন মাসের তুলনায় ধীরে ধীরে কমছে বলে দাবি করা হয়েছে এই সমীক্ষা রিপোর্টে।

Continue Reading

রাজ্য

করোনা-আক্রান্তের সংখ্যায় কলকাতাকে পেছনে ফেলে দিল হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু

খবরঅনলাইন ডেস্ক: কলকাতাবাসী কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন। কারণ করোনা-আক্রান্তের সংখ্যায় ইতিমধ্যেই শহরকে পেছনে ফেলে দিয়েছে এমন দু’টি শহর, যেখানে প্রথম দিকে করোনা-আক্রান্তের কার্যত খোঁজই পাওয়া যাচ্ছিল না। এদের মধ্যে একটি শহর তো আবার গোটা দেশের কাছে মডেলও হয়ে উঠেছিল।

এই দুই শহর হল বেঙ্গালুরু (Bengaluru) আর হায়দরাবাদ (Hyderabad)। গত কয়েক দিন ধরেই আক্রান্তের সংখ্যা বিপুল ভাবে বাড়ছে এই দুই শহরে। কিছু দিন আগেই কলকাতাকে পেছনে ফেলে দিয়েছিল হায়দরাবাদ। এ বার বেঙ্গালুরুরও পেছনে চলে গেল কলকাতা।

শনিবার সকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী কলকাতায় মোট করোনা-আক্রান্ত রয়েছেন ৬,৬২২ জন। এদের মধ্যে অবশ্য সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪১৪২ জন। অর্থাৎ কলকাতায় এখন সুস্থতার হার ৬২.৫৪ শতাংশ।

বেঙ্গালুরুর পরিস্থিতি

গত ২৪ ঘণ্টায় বেঙ্গালুরুতে নতুন করে ৯৯৪ জনের শরীরে করোনার হদিশ মিলেছে। ফলে এই শহরে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭,১৭৩-এ উঠে এসেছে। এখনও পর্যন্ত বেঙ্গালুরুতে করোনামুক্ত হয়েছেন ৭০০ জন।

উল্লেখ্য, প্রথম দিকে বেঙ্গালুরুতে করোনা-আক্রান্তের খোঁজই পাওয়া যায়নি কার্যত। গোটা দেশের কাছে বেঙ্গালুরু একটা মডেল হয়ে ওঠে। কিছু দিন আগেই শহরে মোট করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারের গণ্ডি অতিক্রম করে।

তার পর থেকে আর কার্যত কোনো লাগামই নেই। প্রায় রোজ ৮০০ থেকে ৯০০ জন করে মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন বেঙ্গালুরুতে। অন্য দিকে এখনও পর্যন্ত কলকাতায় দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা দু’শোর আশাপাশেই ঘোরাফেরা করছে।

উদ্বেগজনক হায়দরাবাদ

এ বার আসা যাক হায়দরাবাদের কথায়। বেঙ্গালুরুর ভাগ্যই হয়েছে হায়দরবাদের। গত কয়েক দিন ধরে দিনে হায়দরাবাদে গড়ে এক হাজার জন করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছিলেন। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় সেই রেকর্ড ভেঙে খানখান হয়ে যায়। এক দিনে হায়দরাবাদে ১,৬৫৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে এই শহরে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ১৬,১৫৪-এ।

তেলঙ্গানার ক্ষেত্রে চিন্তার বিষয়টি হল এই রাজ্যে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা মারাত্মক কম। শনিবারই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ২০,৪৬২-তে পৌঁছে গিয়েছে। অথচ নমুনা পরীক্ষা হয়েছে মাত্র ১ লক্ষের কিছু বেশি। সেই দিকে পশ্চিমবঙ্গে নমুনা পরীক্ষা ৫ লক্ষ ২০ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে।

কোন শহরে, কত আক্রান্ত?

উল্লেখ্য, শহর হিসেবে করোনা-আক্রান্তের নিরিখে এই মুহূর্তে সবার ওপরে রয়েছে দিল্লি (Delhi)। এর পর রয়েছে মুম্বই (Mumbai) আর চেন্নাই (Chennai)। এর পরেই এ বার হায়দরাবাদ আর বেঙ্গালুরু ঢুকে গিয়েছে। ষষ্ঠ স্থানে এখন রয়েছে ঠানে। ফলে বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদের দৌলতে কলকাতা এখন সপ্তমে নেমে এসেছে।

তবে হরিয়ানার গুরুগ্রাম (Gurugram) আর ফরিদাবাদে (Faridabad) যে ভাবে দিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে কলকাতা আরও নীচে চলে এলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। আসলে করোনার এই দৌড়টা বড়োই অদ্ভুত। এই প্রতিযোগিতায় কেউ শীর্ষে থাকতে চায় না। যে যত নীচে থাকবে, তার তত বেশি স্বস্তি।

Continue Reading
Advertisement
দেশ10 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২২,৭৭১, সুস্থ ১৪,৩৩৫

দেশ1 day ago

দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড, সুস্থতাতেও রেকর্ড

ক্রিকেট2 days ago

চলে গেলেন ‘থ্রি ডব্লু’-এর শেষ জন স্যার এভার্টন উইকস, শেষ হল একটা অধ্যায়

ক্রিকেট2 days ago

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হল কুমার সঙ্গকারা, মাহেলা জয়বর্ধনকে

SBI ATM
শিল্প-বাণিজ্য2 days ago

এসবিআই এটিএমে টাকা তোলার নিয়ম বদলে গেল

দেশ1 day ago

‘সবার টিকা লাগবে না, আর পাঁচটা রোগের মতোই চলে যাবে করোনা’, আশ্বাস অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীর

কলকাতা3 days ago

ডাক্তার দিবসে করোনা যোদ্ধাদের সম্মান জানাল সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস, পাশে আইএমএ, এনআরএস

কলকাতা8 hours ago

কলকাতায় অতিসংক্রমিত ১৬টি অঞ্চলকে পুরোপুরি সিল করে দেওয়ার প্রস্তুতি

নজরে