Narendra Modi

ওয়েবডেস্ক: রাজ্যের তিনটি জায়গা থেকে তিনটি পৃথক রথযাত্রার আয়োজন করতে চলেছে বিজেপি। আগামী ৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া ওই রথযাত্রার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দিয়ে চারটি সভা করানোর কথা ঘোষণা করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিজেপির এমন কর্মসূচিকে কটাক্ষ করেই পুরমন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার ভাবী মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, মোদিকে দিয়ে ৫০০ সভা করাতে পারে, কিন্তু তাতে কোনও লাভ হবে না।

মাস চারেক আগে গত ১৬ জুলাই মেদিনীপুরের কলেজ গ্রাউন্ডের সভা ময়দানে হাজির হয়েছিলেন মোদী। সেখানে বড়োসড়ো দুর্ঘটনা ঘটে, শ্রোতাদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। প্যান্ডেল বেয়ে উপরে উঠে পড়েছিলেন সভা শুনতে আসা অনেকে। সেই চাপে ভেঙে পড়ে প্যান্ডেলের একটা দিক। যার ফলে আহত হন বহু বিজেপি সমর্থক। অবশ্য, সেই সভার পর সেখানে পাল্টা সভা করে তৃণমূলও।

Amit Shah

পরের মাসেই ১১ আগস্ট কলকাতার মেয়ো রোডে সভা করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। সেই জনসভায় রেকর্ড জনসমাগম হয় বলে দাবি করে বিজেপি। আগামী রথযাত্রা উপলক্ষে রাজ্য আসছেন অমিতও। তাঁর অনুপস্থিতির কারণেই পূর্ব নির্ধারিত ৫ ডিসেম্বর বীরভূমের তারাপীঠের রথযাত্রার দিন বদলে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ১৪ ডিসেম্বরে।

Yogi Adityanath

তবে শুধুমাত্র মোদী-শাহ নন, বিজেপি সূত্রের খবর, দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে দিয়েও রথযাত্রার সময় জনসভা করানো হবে। ৪২টি লোকসভা কেন্দ্র জুড়ে আয়োজিত ওই সভাগুলিতে উপস্থিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রমুখের।

Firhad Hakim

যদিও মোদীকে দিয়ে চারটি সভা করানোর পরিকল্পনাকে ততটা গুরুত্ব দিচ্ছে না তৃণমূল। ফিরহাদ বলেন, “এখানে ধর্মনিরপেক্ষর মাটি অনেক শক্ত। এই মাটিতেই জন্ম হয়েছে রামমোহন, বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল প্রমুখের মতো মনীষীদের। ফলে বাংলায় ধর্মের নামে সুড়সুড়ি দিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা বৃথা যাবে বিজেপি’র। মোদীকে দিয়ে ৫০০ সভা করিয়েও কোনও লাভ হবে না। রাজ্যের মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের সঙ্গেই আছেন এবং থাকবেন”।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here