বনগাঁ পুরসভার দখল তাদেরই, দাবি বিজেপির

0
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: আস্থাভোটকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর টানটান উত্তেজনা বজায় রইল বনগাঁ পুরসভায়। দিন গড়িয়ে সন্ধ্যে নামলেও পুরসভার বাইরে উত্তেজনা অব্যাহত। বিকেল চারটে নাগাদ চেয়ারম্যান শংকর আঢ্য দাবি করেন, পুরসভা দখলে রেখেছে তৃণমূল। এর পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুরসভা চত্বর। একই সঙ্গে বিজেপি পাল্টা দাবি করে, পুরসভার দখল গিয়েছে তাদেরই হাতে।

এ দিন বেলা তিনটেয় হওয়ার কথা ছিল আস্থাভোট। যদিও তৃণমূল দাবি করে, বিজেপির কাউন্সিলারদের জন্য অপেক্ষা করার পরেও তা না হাজির হওয়ায় পুরসভার দখল তাদের হাতেই রয়ে গিয়েছে।

অন্য দিকে দলের ১১ জন কাউন্সিলারের স্বাক্ষরিত প্রস্তাব হাতে নিয়ে বিজেপির দাবি বনগাঁ পুরসভার দখল এখন তাদের হাতে। তা হলে আস্থাভোটে দলীয় কাউন্সিলাররা অংশ নিলেন না কেন।‌

স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস অভিযোগ করেন, ন’জন কাউন্সিলারকে একটি ঘরে তালাবন্ধ করে রেখে দেয় তৃণমূল। অন্য দিকে হাইকোর্টের অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশে গ্রেফতার এড়ানো দুই কাউন্সিলারকে পুরসভার ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ভয় দেখিয়ে পুরআধিকারিকদের দিয়ে স্বাক্ষর করানো হয়েছে। নিয়ম না মেনে বৈঠক করেছে তৃণমূল। কী বলছেন পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার?

তৃণমূলের পুরসভা দখলের দাবিতে চাঞ্চল্য ছড়ানোর পরেও পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার গৌরাঙ্গ বিশ্বাস বলেন, “নির্দিষ্ট সময়েই আস্থা ভোট হয়েছে। একটি প্রস্তাবই গৃহীত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পরে কেউ এসে প্রস্তাব দিয়ে গেলে আমার কিছু করার নেই”। তা হলে পুরসভা এখন কার দখলে?

এ বিষয়ে খোলসা করে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে বলেন, “আস্থাভোট সংক্রান্ত রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা পড়েছে”। কিন্তু একটা প্রস্তাব জমা পড়েছে এবং একটাই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে জাতীয় মন্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে, তা হলে হয়তো তৃণমূলের দখলেই রয়ে গিয়েছে বনগাঁ পুরসভা!

এই ঘটনার পরই ১১ জন কাউন্সিলারকে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি। জানানো হয়, আগামী বুধবার তারা বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here