শোভন-বৈশাখীকে বিশেষ দায়িত্ব দিতে চলেছে বিজেপি!

0
ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: কয়েক দিন আগেই দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র এবং রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়। ওই দিনই তাঁর সঙ্গে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখান শোভনের ‘অসময়ের বন্ধু’ তথা অধ্যাপিকা বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার মাত্র হাতেগোনা কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁদের বড়ো দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে খবর।

১৯৮৪ সাল থেকে কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলার শোভন। ধাপে ধাপে তিনি উন্নীত হয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রীপদেও। তাঁর ঘরের এলাকা হিসাবে পরিচিত দক্ষিণ কলকাতা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় এক সময়ে তৃণমূলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতেন তিনিই। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার তৃণমূল সভাপতিও ছিলেন শোভন। তিনি তো বটেই, রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, তাঁর তত্ত্বাবধানেই গত ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক জেলার ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে সংসদে যান। জেলা জুড়ে তাঁর রাজনৈতিক ‘নেটওয়ার্ক’-কেই কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি।

বিজেপি সূত্রে খবর, এ বারের লোকসভা ভোটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার চারটি কেন্দ্রেই দাঁত ফোটাতে পারেনি বিজেপি। রাজ্যের অন্যান্য জেলায় বিজেপির ফলাফল মোটের উপর সাফল্যে এনে দিলেও দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফল উচ্চ নেতৃত্বকে নিরাশ করেছে। স্বভাবতই এই জেলায় ঘুরে দাঁড়াতে শোভনকেই ব্যবহার করা হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে খবর। একই সঙ্গে দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূলকে বেগ দিতে শোভন-বৈশাখী জুটির কাঁধে সাংগঠনিক কাজের বিশেষ দায়িত্ব চাপানো হতে পারে।

এ ব্যাপারে এক বিজেপি নেতার বক্তব্য, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, সঙ্গে দক্ষিণ কলকাতার নাড়ি-নক্ষত্র শোভনের নখদর্পণে। যে কারণে, বৃহত্তর উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই দল তাঁর সাংগঠিনক দক্ষতার উপর ভরসা করতে চাইছে। তবে এ ব্যাপারে এখনই কোনো স্থায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here