মুকুল রায় দল পাল্টাতেই জল্পনা উস্কে মন্তব্য বিজেপি বিধায়কের, বেসুরো আরও অনেকেই

0
mukul roy and abhishek banerjee
তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন মুকুলের। ফাইল ছবি

খবর অনলাইন ডেস্ক: শুক্রবার তৃণমূল ভবনে গিয়ে দল পাল্টেছেন মুকুল রায়। তার পর থেকেই ‘বেসুরো’ গাইতে শুরু করেছেন বিজেপির একাধিক নেতা। এমনকী এ বিষয়ে শনিবার মুখ খুলেছেন বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস।

মুকুল রায় তৃণমূলে যোগদান করার ঠিক আগেই বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সহ-সভাপতি তপন সিনহা দলত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাঁর ইস্তফাপত্র বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বনস্পতি দেবের কাছে পাঠিয়ে দেন।

Loading videos...

ওই দিনই বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ডাকা বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার বৈঠকে গরহাজির ছিলেন ওই অঞ্চলের তিন বিধায়ক। গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর, বাগদার বিশ্বজিৎ দাস এবং বনগাঁ উত্তরের অশোক কীর্তনিয়াকে ওই বৈঠকে দেখা যায়নি। ছিলেন না সাংসদ শান্তনু ঠাকুরও। এঁদের মধ্যে শনিবার মুখ খুলেছেন বিশ্বজিৎ। তবে শুধু বিশ্বজিৎ-ই নন, বেসুরো নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক, বিজেপি নেতা সুনীল সিং-ও।

বিশ্বজিৎ বলেন, “মুকুল রায়ের মতো নেতা চলে যাওয়ায় ক্ষতি হবে দলের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক আছে। তৃণমূলনেত্রী তাঁকে স্নেহ করেন। ভালো সম্পর্ক আছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও”।

এখানেই না থেমে তিনি আরও বলেন, “মুকুল রায়ের সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার মধুর সম্পর্ক রয়েছে। এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক ব্যাপার জড়িত নয়”। তা হলে কি বিশ্বজিৎ-ও দল ছাড়ছেন? এ বিষয়ে বাগদার বিধায়কের জবাব, “ভবিষ্যতের কথা ভবিষ্যত বলবে”।

অন্যদিকে মুকুলের দলত্যাগ নিয়ে এ বার বেসুরো সুনীল সিং-ও। তিনি বলছেন, “মুকুল রায়ের মতো নেতা চলে গেলে দলের ক্ষতি তো হবেই। ওনার হাত ধরেই রাজনীতি করছি। কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে ও তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসেছি। ফলে খারাপ লাগছে”।

আরও পড়তে পারেন: মুকুল রায় কেন বিজেপি ছাড়লেন? ৭টি কারণ

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন