কলকাতা: বিজেপি-র নবান্ন অভিযানে বেধড়ক মারধর করা হয় কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার দেবজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। ডিউটি করতে গিয়ে গুরুতর আহত পুলিশকর্তাকে ফোন করে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। অন্য দিকে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার বিকেল ৫টা নাগাদ আহত পুলিশকর্তাকে দেখতে এসএসকেএস হাসপাতালে যেতে পারেন।

বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি পুলিশকর্তা। তাঁর উপর হামলার ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁকে মারধরের ঘটনায় বেলেঘাটার বাসিন্দা ৩৫ বছরের রবিকান্ত সিংহ, নিউ মার্কেট থানা এলাকা ২২ বছরের অনুপ সিংহ এবং এন্টালি থানা এলাকার শম্ভুবাবু লেনের বাসিন্দা ২২ বছরের সাহিল রায়কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ দিন সকালেই দেবজিৎকে ফোন করেন সুকান্ত। বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন তাঁর সঙ্গে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সংবাদ মাধ্যমের কাছে বলেন, “তিনি কেমন আছেন খোঁজ নিয়েছি। হাজার হোক তিনিও আমাদেরই মতন মানুষ। কথা হল। খুব একটা ভালো নেই বলে জানালেন। একটু অসুবিধা আছে। কথা বলতে পারছেন স্পষ্ট ভাবে। আশা করি কয়েকদিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।”

প্রসঙ্গত, বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে শহরের নানা প্রান্তে পুলিশ এবং বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। দুই তরফেই বেশ কয়েক জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ডিউটি করতে গিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত দেবজিৎ। তাঁর চোখে গুরুতর চোট লাগে। তাঁকে মারধরের ভিডিয়ো সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিয়োয় দেখা যায়, মহাত্মা গান্ধী রোডে দাঁড়িয়ে রয়েছেন দেবজিৎ। তাঁর মাথায় হেলমেট। আচমকাই তাঁকে লক্ষ্য করে লাঠি, পাথর হাতে ছুটে যান কয়েক জন বিক্ষোভকারী। তাঁদের অনেকেরই হাতে বিজেপির পতাকা ছিল। শুরু হয় এলোপাথাড়ি মারধর। সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন পুলিশকর্তা। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা তাঁর পিছু নিয়ে মারতে থাকেন। তাঁকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়। এর পর দুই পুলিশকর্মী তাঁকে কোনো রকমে সেখান থেকে উদ্ধার করেন।

আরও পড়তে পারেন: মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির তথ্যে হতবাক বাজার, দু’বছরের তলানিতে ওয়াল স্ট্রিট, ভারতেও বড়োসড়ো প্রভাব

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন