Amit Shah

ওয়েবডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পূর্বনির্ধারিত কোচবিহার জনসভায় উপস্থিত হননি দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। প্রশাসনিক জটিলতা এবং কলকাতা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের কারণেই তিনি যে সভা এড়িয়েছেন, তা প্রায় স্পষ্ট। তবে শুক্রবার কোচবিহারের সভায় উপস্থিত না হলেও দিল্লিতে বসে তিনি সাংবাদিকদের সামনে জানিয়েছেন, আগামী শনিবার তিনি কলকাতায় আসছেন। পাশাপাশি তুলে ধরেছেন পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে একাধিক হাড়হিম করা তথ্য।

দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে পরিসংখ্যান তুলে ধরে অমিত বলেন, রাজনৈতিক হিংসায় পশ্চিমবঙ্গে প্রথম। প্রথম নারীপাচারে। এই একই দিনে বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় দাবি করেছেন, পশ্চিমবঙ্গ থেকে সব থেকে বেশি জালনোট উদ্ধার হয়েছে।

যদিও ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যে কোনো রাজ্যেই রাজনৈতিক হানাহানির ঘটনা কোনো মতেই কাম্য নয়। তবে অমিত যে ধরনের পরিসংখ্যানের কথা বলছেন তা সর্বতো ভাবে স্বীকার্য নয়। কারণ, ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর পরিসংখ্যান কিন্তু অন্য কথা বলছে। রাজনৈতিক হিংসা হোক বা অন্যান্য যে কোনো ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ- সবেতেই পশ্চিমবঙ্গের থেকে কয়েকগুণ এগিয়ে রয়েছে বিজেপি শাসিত রাজ্য উত্তরপ্রদেশ। অন্য দিকে ব্যুরোর সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা গিয়েছে, রাজনৈতিক খুনোখুনিতে এগিয়ে রয়েছে বামশাসিত রাজ্য কেরল।

তবে নারীপাচারের বিষয়ে আদতে পয়লা নম্বরে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। তার নেপথ্যে রয়েছে একাধিক কারণ। এক দিকে পশ্চিমবঙ্গের  বিস্তৃত এলাকা সীমান্তবর্তী হওয়ার শুধু নারীপাচার নয়, বেআইনি কর্মকাণ্ডের পরিধিও চওড়া। কিন্তু এ ব্যাপারে রাজ্য প্রশাসনের থেকে দায় বর্তায় সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রহরায় থাকা সেনা বাহিনীর উপরই।

আরও পড়ুন: একাধিক চিঠিতে একাধিক বক্তব্য কেন? বিজেপির কাছে জানতে চাইল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ

তবে এ দিন অমিত জানান, শুক্রবার কোচবিহারে তাঁর অনুপস্থিতিতে সভা হলেও আগামী শনিবার তিনি কলকাতায় আসছেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here