‘আমাদের অভিজ্ঞতার অভাব রয়েছে’, স্বীকারোক্তি দিলীপের

ফাইল ছবি

কলকাতা: গত বৃহস্পতিবার রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়ে শনিবার বৈঠকে বসেন বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব। এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমাদের অভিজ্ঞতা কম, তাই জেতা আসনও ধরে রাখতে পারিনি”।

উত্তর দিনজপুরের কালিয়াগঞ্জ এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর সদরে গত লোকসভা ভোটের বিধানসভা-ভিত্তিক ফলাফলে এগিয়ে ছিল বিজেপি। এমনকী, খড়গপুর সদর আসনটি থেকে ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে জিতেছিলেন স্বয়ং দিলীপ। তা সত্ত্বেও উপনির্বাচনে কোনো আসনেই দাঁত ফোটাতে পারেনি বিজেপি।

এ দিন দিলীপ বলেন, “আমাদের অভিজ্ঞতা কম রয়েছে। জেতার পরেও সেই ধরে রাখতে পারিনি। আমাদের কর্মী-সমর্থকদের অভিজ্ঞতা কম রয়েছে। আমরা উৎসাহী হয়ে পড়েছিলাম ঠিকই। কিন্তু লোকসভায ১৮টা আসন হারিয়ে মনমরা হয়ে গিয়েছিল তৃণমূল। উপনির্বাচনে মাত্র একটা আসনে বিজেপিকে হারিয়ে দিয়ে এত আনন্দ পাওয়ার কিছু নেই। সামনে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে”।

উপনির্বাচনে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে দিলীপ বলেন, “সন্ত্রাস আটকাতে জানে বিজেপি। বিজেপি সন্ত্রাস করে না। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে তৃণমূল। পুলিশকে দিয়ে বিজেপিকে ভয় দেখানো হয়েচ্ছে। মিথ্যা মাদক মামলা দেওয়া হচ্ছে”।

বিজেপির লক্ষ্য এখন ২০২১-এর রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন। তাঁর কথায়, “আমরা উপনির্বাচনে হারের পর্যালোচনা করব, স্থির করব, আগামী দিনে কী ভাবে আমরা এগোব। এটা উপনির্বাচন। উপনির্বাচনে সাধারণত শাসক দল জেতে। এখানে সেটাই হয়েছে। এটাকে ততটা গুরুত্ব দেওয়া যায় না। আমাদের একটা মাত্র আসন হারিয়েছি। রাজনৈতিক নেতারা অনেক কিছুই বলেন। এটা উপনির্বাচন, আসল ভোট এখনও বাকি। আসল লড়াইটা ২০২১ সালে হবে, প্রস্তুত থাকুন”।

বিজেপিকে আটকাতে তৃণমূল সমস্ত রকমের শক্তি প্রয়োগ করেছে বলে অভিযোগ করে দিলীপ বলেন, “আমাকে আটকানো হয়েছে। আমাকে আটকে বিজেপিকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছে।৫ বার গাড়ি আটকানো হয়েছে। ৫০ বার কালো পতাকা দেখানো হয়েছে”।

[ আরও পড়ুন: রাজ্য নেতৃত্বের কাছে দ্রুত রিপোর্ট তলব অমিত শাহের ]

পরিশেষে তিনি বলেন, “আমাদের দোষ-ত্রুটি কোথায়, লোক কেন আমাদের ভোট দেয়নি, সেটা দেখতে হবে”।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.