Dilip Ghosh
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: রবিবার হুগলির মশাটে সভা ছিল বিজেপির। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়-সহ অন্যান্যরা। ওই সভা থেকে দিলীপবাবু তৃণমূলের উদ্দেশে বলেন, “হাত থাকতে মুখে কেন”। সভা শেষে ফেরার পথে জনা পঞ্চাশেক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির হাতে বিজেপি নেতৃত্ব নিগৃহীত হন বলে সূত্রের খবর।

দিলীপবাবু এ দিন মঞ্চ থেকে বেপরোয়া ভাবে মন্তব্য করেন, “আমরা হাসপাতালে পাঠানোয় বিশ্বাসী নই। ৬ মাস হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন কী? মুখের কথা যদি সহ্য না হয় তা হলে হাত থাকতে মুখে কেন। এখানেই দফারফা হয়ে যাক”।

বিজেপি রাজ্য সভাপতির মুখে এমন বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে নিন্দার ঝড় ওঠে। কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়, বিজেপি আইন হাতে তুলে নিতে চাইছে। একই ভাবে সিপিএমের তরফে বলা হয়, দিলীপ ঘোষের কথা যত কম শোনা যায় ততই ভালো।

তবে দুর্ভাগ্যর বিষয়, ওই সভা সেরে কলকাতায় ফেরার পথেই ডানকুনির কাছে কালীতলা বাজারে তাঁর গাড়িতে হামলা চলে। জানা যায়, প্রথমে দিলীপবাবুর গাড়ি আটকানো হয়। ধাক্কাধাক্কিও হয়। নিরাপত্তারক্ষীদের সাহায্যে তিনি সেখান থেকে চলে যান। তার পর আসে অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি। সেই গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ইট-পাথর। ভেঙে যায় গাড়ির কাচ। এমনকী ইটের আঘাত মাথায় লেগেছে বলে দাবি করেন জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে তিনি জানান, এ ব্যাপারে যাবতীয় অভিযোগ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে জানানো হয়েছে।


আরও পড়ুন: রামমন্দির প্রসঙ্গে সততার উদাহরণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রিত্ব দাবি করলেন অন্নু কাপুর!


ওয়াকিবহাল মহলের মতে, গত কয়েক দিন ধরেই দলীয় সভায় প্রকাশ্যে উত্তেজক বক্তব্য পেশ করে চলেছেন দিলীপবাবু। তিনি এ দিন যে ভাষায় কথা বলেছেন, তারই প্রত্যুত্তর হাতেনাতে পেলেন বলে তাদের ধারণা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here