নিমতায় তৃণমূলনেতা খুনে আটক বিজেপিকর্মী

0

কলকাতা: নিমতায় তৃণমূলনেতা খুনে আটক করা হয়েছে এক বিজেপিকর্মীকে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তবে অন্য একটি কারণও এক্কেবারে উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ।

বিজেপিকর্মী সুমন কুণ্ডুকে আটক করতেই বুধবার ভোরে নিমতার ঠাকুরতলা এলাকায় তাঁর বাড়িতে চড়াও হন বেশ কয়েক জন। তাঁর বাড়িতে ভোর রাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিমতার ঠাকুরতলায় তৃণমূলনেতা তথা উত্তর দমদম পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি নির্মল কুণ্ডুকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। পাড়ার মুখে দাঁড়িয়েছিলেন নির্মলবাবু। ঠিক তখনই বাইকে চড়ে আসে দুই দুষ্কৃতী। নির্মলবাবুর মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালায় তারা। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নির্মলবাবুকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

এই ঘটনায় বিজেপিকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন দমদমের সাংসদ সৌগত রায়। তাঁর অভিযোগ, “আমাদের সন্দেহ বিজেপির মদতপুষ্ট সমাজবিরোধী ও অপরাধীরা এটা করেছে। কয়েক দিন ধরেই পুলিশকে বলা হচ্ছিল এখানে অনেক বাইরের লোক আসছে। কিন্তু পুলিশ সে রকম কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। নির্মল কুণ্ডু আমাদের দলের একটা স্তম্ভ ছিল এই এলাকায়। তাঁর মৃত্যু আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি করেছে।”

আরও পড়ুন বিমান নিখোঁজ রহস্যে প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

তবে সুমন কুণ্ডুকে আটক করা হলেও পুরোনো শত্রুতার অন্য একটি দিকও এক্কেবারে উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। সিপিএম থেকে তৃণমূলে যোগদানের পর বেশ কয়েক বার নিমতা এলাকার ত্রাস লাল্টু ও বিল্টুর সঙ্গে ঝামেলা হয় নির্মলবাবুর। তা নিয়ে এলাকায় চাপা উত্তেজনা ছিল। পরে কিছু মামলায় লাল্টু ও বিল্টুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে জানা গিয়েছে, কিছু দিন আগেই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে লাল্টু ও বিল্টু। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, এই ঘটনার পিছনে লাল্টু, বিল্টুরও হাত থাকতে পারে। পুরোনো শত্রুতার জেরে এই খুন বলে মনে করা হচ্ছে।

এ দিকে বুধবার সকাল থেকেও থমথমে হয়ে রয়েছে পরিবেশ। এলাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন