আরাবুল বোমা

কলকাতা: মাটির নীচে গর্তে, ড্রামে, গামলায়, বালতিতে, জ্যারিকেন, ঠোঙায়, বস্তায়- সর্বত্রই শুধু বারুদের গোলা!

শুক্রবার রাতে নিজের বাড়ির পিছনে জঙ্গল থেকে তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামকে গ্রেফতারের পর শনিবার সকালেই হদিশ মিলেছে তাঁর বিশাল পরিমাণ বোমের মজুতভাণ্ডারের। কিন্তু ‘সিঙ্গুরের গোঁজ’-এর সঙ্গে কী সম্পর্ক রয়েছে ওই প্রাহাড়প্রমাণ বারুদ গোলার?

শুক্রবার ভাঙড়ের নতুনহাটের কাছে একটি এক নির্দল প্রার্থীর সমর্থনে মিছিল বের করে জমি জীবিকা রক্ষা কমিটি। সেই মিছিলেই হামলা চালায় আরাবুর ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা। ছোড়া হয় গুলি ও বোমা। গুলির আঘাতে প্রাণ হারান হাফিজুল মোল্লা নামে এক বছর পাঁচিশের যুবক। কমিটির নেতাদের অভিযোগ ছিল, তাঁদের মিছিলে হামলা চালানোর জন্য আরাবুলে ‘বাঙ্কার’ থেকেই বোমা নিয়ে আসা হয়েছিল। বারুইপুর এসপির তত্ত্বাবধানে আরাবুলকে গ্রেফতারের পর পুলিশ হানা দেয় সেই বোমের সন্ধানে।

জানা গিয়েছে, বাড়ির অনতিদূরেই আম ও বাঁশবাগানে প্রায় তিন ফুট গর্ত খুঁড়ে বোমা মজুত করা হয়েছিল। এ ছাড়া ড্রাম, গামলা, বালতি, জ্যারিকেন, ঠোঙা, বস্তার মধ্যেও অজস্র তাজা বোমার হদিশ মিলেছে। সেখান থেকেই এমন একটি বোমার বালতি উদ্ধার হয়েছে, যেটিকে সাধারণ মানুষের চোখ আড়াল করতে সংবাদপত্রের পাতা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।

পুলিশের উদ্ধার করা ওই বোমের গামলাকে ঢেকে রাখা সংবাদ পত্রের খবরটির শিরোনাম-‘সিঙ্গুরেই গোঁজে বিদ্ধ ঘাসফুল’। রাজনীতির কারবারিদের মন্তব্য, শুধু সিঙ্গুরের গোঁজ নয়, রাজ্যের সর্বত্র বিরোধীদের নিকেশ করতে এ ভাবেই অস্ত্রভাণ্ডার গড়ে উঠেছে তৃণমূল নেতাদের তত্ত্বাবধানেই!

তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার তৃণমূলের এই দায়িত্ববান নেতা বোমের কথা অস্বীকার করেছেন পুলিশের কাছে। নীচে স্লাইড শো-তে দেখে নিন, কত রকম ভাবে বোমা মজুত করা যায়-

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here