কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে বিজেপি-বিরোধীদের নিয়ে এক মহাসমাবেশ আয়োজিত হল কলকাতায়।  এই সমাবেশ উপলক্ষ্যে শহরের হাজির হয়েছিলেন দেশের তাবড় তাবড় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ছিলেন তিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, কর্নাটকের কুমারস্বামী, দিল্লির কেজরিওয়াল এবং অন্ধ্রের চন্দ্রবাবু নায়ডু। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবেগৌড়াও উপস্থিত ছিলেন এ দিনের সভামঞ্চে। পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের অখিলেশ যাদব, অরুণাচলের গেগং আপং। বাজপেয়ী জমানার মন্ত্রী যশবন্ত সিন্‌হা এবং অরুণ শৌরিও উপস্থিত ছিলেন এ দিনের সভামঞ্চে। মঞ্চে ছিলেন বিক্ষুব্ধ বিজেপি সাংসদ শত্রুঘ্ন সিন্‌হা।

ব্রিগেড সমাবেশের যাবতীয় আপডেট দেখে নিন।

=================================================

** জাতীয় সংগীত দিয়ে শেষ হল ব্রিগেডের এই সমাবেশ।

** ৩:৪৫- ব্রিগেডের সমাবেশের সমাপ্তি ভাষণ দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।

**৩:২০- বক্তব্য শুরু করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোদী সরকারের এক্সপায়ারি ডেট শেষ। নতুন দিনে নতুন প্রধানমন্ত্রী, বললেন মুখ্যমন্ত্রী।

মমতা কী বললেন-

## ব্যাঙ্কে ধস, সিবিআইয়ে ধস, আরবিআই ধস, শুধু বিজেপি বস।

## একাধিক দুর্নীতি মোদীর আমলে। চোরের মায়ের বড়ো গলা।

## কোনো রাজনৈতিক সৌজন্যবোধ বিজেপি দেখায় না। আপনার সঙ্গে থাকলে সবাই ভালো, আপনার সঙ্গ ছেড়ে দিলে সবাই চোর।

## দেশে বিদ্বেষমূলক রাজনীতি। ইতিহাস, ভূগোল সব বদলে দিচ্ছে সরকার।

## দেশের প্রয়োজনে আজ এই ঐতিহাসিক র‍্যালি আয়োজিত হচ্ছে। সবাইকে একসঙ্গে আসতে হবে।

## আপনাদের দল নেতৃত্বহীন। মোদী শাহের নাম না করে উল্লেখ মমতার।

## যেখানে বিরোধী জোটের সভা হবে সেখানে আমরা যাব। এই জোটে সবাই নেতা।

## বিজেপিকে ভোট দিলে ব্যাঙ্কে জমা টাকা আর ফেরত পাবেন না।

## সামরিক বাহিনীকে নিয়ে রাজনীতি করাচ্ছে এই সরকার।

## ভয় নয়, সাহস করে লড়তে হবে।

## ‘অনেক হয়েছে অচ্ছে দিন, বিজেপিকে বাদ দিন’

## এর পর বিজেপি যেখানে সভা করবে, পরের দিন পালটা সভা করে জবাব দিন।

## বিজেপির বিরুদ্ধে অন্তত ২৫-২৬টা দল।

## লোকসভা নির্বাচনের পরে আবার এই ব্রিগেডেই সভা হবে। বিজেপির শেষের শুরু হল আজ থেকেই।

**৩:১৫- বক্তব্য রাখছেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। মোদী-শাহের সঙ্গে কাজ করলে রাজা হরিশচন্দ্র আর বিরুদ্ধে কাজ করলে আপনার পেছনে ইডি-সিবিআই, বললেন তেজস্বী।

**৩:০৫- বক্তব্য রাখছেন শত্রুঘ্ন সিন্‌হা। সারা দেশের মুড একই, পরিবর্তনের ডাক দিয়ে বললেন তিনি। “অটলের জমানায় ছিল গণতন্ত্র এখন চলছে একনায়কতন্ত্র,” অভিযোগ তাঁর। বিমুদ্রাকরণ, একা মোদীর সিদ্ধান্ত, বললেন তিনি। রাহুলের সুর ধরেই শত্রুঘ্ন বলে ফেললেন, “চৌকিদার চোর হায়।”

**২:৪০- বক্তব্য রাখছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবেগৌড়া। ‘গণতন্ত্রকে বাঁচাতে সবাইকে একজোট হতে হবে, বললেন দেবেগৌড়া। দেশে শক্তপোক্ত সরকার গড়াই লক্ষ্য। তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বের আমলে একাধিক প্রকল্পের ঘোষণা করা হলেও, সেগুলির কৃতিত্ব নিচ্ছেন মোদী। এমনই অভিযোগ দেবেগৌড়ার।

**২:৩০- সনিয়া গান্ধীর বার্তা পড়ে শোনাচ্ছেন লোকসভায় কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে। ‘বিভেদকারী মোদী সরকারকে হঠানোর জন্য’ এই র‍্যালিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সনিয়া।

**২:২৫- “কোনো সার্কাস দেখাতে আসিনি, এসেছি দেশকে বাঁচাতে,” নিজের বক্তব্যে বিজেপির উদ্দেশে তোপ দাগলেন এনসিপি নেতা শরদ পওয়ার। সমাজের সব স্তরের মানুষকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব, বললেন তিনি। মোদী সরকারকে হঠানোর জন্য সবাই পরিশ্রম করবে, এমনই আশ্বাস দিলেন শরদ।

opposition leaders at brigade rally
ব্রিগেডে রাজনৈতিক তারকা সমাবেশ।

**২:১০- বক্তব্য রাখছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু। গণতন্ত্র বাঁচানোর জন্য কলকাতায় এসেছি, বললেন চন্দ্রবাবু। কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত, জিএসটি ক্ষতি করেছে দেশের, দাম বেড়েছে পেট্রল, ডিজেল এবং রান্নার গ্যাসের, বললেন চন্দ্রবাবু। “মোদী সরকারের শেষের শুরু,” বললেন চন্দ্রবাবু।

**১:৫৫- বক্তব্য রাখছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ভারতীয় রাজনীতির এক ঐতিহাসিক দিন, গত পাঁচ বছরে দেশকে দুর্বল করে দিয়েছেন মোদী-অমিত শাহ জুটি, দেশের যুবসমাজ বিপন্ন, তাঁদের চাকরি নেই, বললেন কেজরি। মোদীর নোটবন্দির জন্য প্রচুর মানুষ কাজ হারিয়েছেন, কৃষকরা বিজেপির ওপরে ক্ষুব্ধ বললেন কেজরি। তাঁর অভিযোগ, মহিলাদের অসম্মানকারীদের টুইটারে ফলো করেন মোদী। দলিত-সংখ্যালঘুদের ওপরে বার বার আক্রমণ। ২০১৯-এ বিজেপি ক্ষমতায় এলে দেশকে আর বাঁচানো যাবে না। সংবিধান বদলে দেওয়া হবে, নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হবে, অভিযোগ করলেন কেজরিওয়াল। কেজরিওয়ালের ডাক, “সচ্চা দেশপ্রেমী হলে মোদীকে হঠান।”

**১:৫০- বক্তব্য রাখছেন অখিলেশ যাদব। মানুষ যাঁকে চাইবেন তিনিই হবে নতুন প্রধানমন্ত্রী। একটা নাম নিরাশ করে দিয়েছে গোটা দেশকে। নাম না করে মোদীকেই তোপ দাগলেন অখিলেশ। ভোটে জেতার জন্য যে কোনো রকম ষড়যন্ত্র করতে পারে বিজেপি, বললেন সপা নেতা।

**১:৩১- শ্রীরামকৃষ্ণ, স্বামীজি, রবীন্দ্রনাথ, বিদ্যাসাগর, রামমোহন-সহ বাংলার অসংখ্য স্বাধীনতা যোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তব্য শুরু করে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামী বলেন, মমতা দেশের রোল মডেল। নারীর ক্ষমতায়নের সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিরোধীদের মিলিয়েছেন মমতাই। দেশে এখন এক অগণতান্ত্রিক সরকার চলছে। নোটবাতিলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বহু মানুষ। কুমারস্বামীর কথায়, “মানুষের কথা শুনতে পায় না কেন্দ্র। মোদী সরকার মূক ও বধির।” এই সরকারকে উৎখাত করার ডাক দেন তিনি।

**১:২৫- বক্তব্য রাখছেন মায়াবতীর দূত, বিএসপির সতীশ মিশ্র। “কেন্দ্রে অসফল মোদী সরকার,” বললে সতীশ মিশ্র। সংবিধান বাঁচাতে গেলে মোদীকে হঠাতে হবে, বললেন মিশ্র।

**১:১৫- বক্তব্য রাখছেন তামিলনাড়ুর ডিএমকে নেতা এমকে স্ট্যালিন। “‘১৯-এর ভোট ভারতের দ্বিতীয় স্বাধীনতা সংগ্রাম”, বললেন স্ট্যালিন। দেশে সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়ানো হচ্ছে। একতা নিয়ে চললে আমাদের জয় এবং বিজেপির হার হবেই, বললেন স্ট্যালিন।

**১:০০- বক্তব্য রাখছেন ফারুক আবদুল্লাহ। দেশ আজ বিপদের মুখোমুখি, দেশে ধর্মের নামে বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে, দেশ বাঁচাতে সবাইকে বলিদান করতে হবে, বললেন আবদুল্লাহ। “আমরা মুসলিম কিন্তু আমরা ভারতীয়,” বললেন তিনি। তিনি বলেন, “বাঙালিদের আরও বেশি করে কাশ্মীর যেতে হবে।” ইভিএমের বদলে ব্যালট পেপার ফিরিয়ে আনার কথা বললেন তিনি।

** ১২:৫০ – বক্তৃতা করতে উঠলেন শরদ যাদব। বললেন, দেশ এক সংকটজনক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে চলেছে। জিএসটি, নোট বাতিলের ফলে দেশের অর্থনীতির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দেশের সব মানুষের জন্য রোজগারের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে আজ তাঁদের রোজগার থেকে বাইরে করে দেওয়া হয়েছে। কৃষক থেকে ব্যবসায়ী, সবাই আজ ক্ষতিগ্রস্ত।

yashwant sinha

** ১২:৪০- বক্তব্য রাখছেন কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। “প্রতিশোধের রাজনীতি আগে কখনও দেখেনি দেশ,” বললেন সিঙ্ঘভি। মমতার প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়ে সিঙ্ঘভি বললেন, কেউ কোনো প্রশ্ন তুললেই তাঁর গায়ে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে দেশদ্রোহীর তকমা।

**১২:৩৫- বক্তব্য রাখছেন বাজপেয়ী জমানার আরও এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ শৌরি। তিনি বললেন, “গদি নড়বড়ে বুঝতে পারছেন মোদী। তাই ক্ষমতা দখল করার জন্য যা ইচ্ছে তাই করছেন মোদী।” রাফালের মতো দুর্নীতি আগে কখনও হয়নি, বললেন শৌরি।

**১২:৩০- একের বিরুদ্ধে কে প্রার্থী দিলে বিজেপি উৎখাত হবেই। বললেন যশবন্ত।

**১২:২৫- বক্তব্য রাখছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিন্‌হা। গত ৫৬ মাসে দেশের গণতন্ত্রে বড়োসড়ো আঘাত হয়েছে, দেশের আর্থিক ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত, বললেন তিনি। তথ্য বিকৃতি করছে মোদী সরকার, বললেন যশবন্ত। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কথা বললেই দেশদ্রোহীর তকমা লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

**১২:১৫- বক্তব্য রাখছেন আরএলডি সুপ্রিমো অজিত সিংহের ছেলে জয়ন্ত চৌধুরী। ‘অচ্ছে দিনের জন্য মোদীকে হঠাতে হবে’, ডাক দিলেন জয়ন্ত। বাংলায় যা হচ্ছে, দেশের শেখা উচিত, বললেন জয়ন্ত।

 

opposition leaders at brigade rally
কুমারস্বামী, চন্দ্রবাবু, ফারুক আবদুল্লা, দেবেগৌড়া ও মমতা। ব্রিগেডের মঞ্চে।

**১২:১০ বক্তব্য রাখলেন অরুণাচলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী গেগং আপাং। স্বামী বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রামকৃষ্ণ পরমহংসের নাম নিয়ে বিজেপিকে উৎখাতের ডাক দিলেন তিনি।

**১২:০০- বক্তব্য রাখছেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। সব আঞ্চলিক দল একজোট হয়েছে, বললেন তিনি।  বর্তমান সময় দেশের পক্ষে বিপজ্জনক, এমনই বললেন তিনি।

**১১:৫২- বক্তব্য রাখছেন জিগনেশ মেবানি। গণতন্ত্রের ওপরে বার বার আক্রমণ হচ্ছে, বললেন জিগনেশ। দলিত, সংখ্যালঘুদের ওপরে আক্রমণ বন্ধ হওয়ার দাবি জানালেন তিনি।

**১১:৫০- বক্তব্য শুরু করলেন হার্দিক পটেল। এই জনপ্লাবন দেশে নতুন বিপ্লব আনবে, বললেন হার্দিক। গুন্ডাদের দেশ থেকে তাড়াতে হবে, বললেন হার্দিক।

**১১:৪৫- নিজের বক্তব্য শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে বিরোধী নেতাদের সমাবেশ।

**১১:৩০- ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতি বরদাস্ত নয়, সাংবাদিকদের বললেন ফারুক আবদুল্লাহ। জিগনেশ মেবানি বললেন, বিজেপি-আরএসএসকে রুখতেই হবে। ব্রিগেড সমাবেশকে বিরোধী শক্তির উত্থান বলে জানালেন চন্দ্রবাবু।

**১১:২৫- সভামঞ্চে শুরু হল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

**১০:৫০- ব্রিগেডে পৌঁছে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

** ১০:৪৫- ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের উদ্দেশে রওনা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যে সভামঞ্চের উপস্থিত হয়েছেন তৃণমূলের একাধিক নেতানেত্রী।

**১০:৩৫- সমাবেশে যোগ দিতে কলকাতায় পা রাখলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

a part of rally
জনতার একাংশ।

** ১০:২৫- দেশের বিরোধী নেতাদের স্বাগত জানিয়ে টুইট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

**১০:০০- একবার দেখে নিন  কারা কারা উপস্থিত থাকতে চলেছেন আজকের ব্রিগেডে-

অখিলেশ যাদব (সমাজবাদী পার্টির নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী), তেজস্বী যাদব (আরজেডি নেতা লালুপ্রসাদ যাদবের পুত্র), ফারুক আবদুল্লা (জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী), ওমর আবদুল্লা (জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী), চন্দ্রবাবু নাইডু (অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা তেলুগু দেশম পার্টির নেতা), এইচডি কুমারস্বামী (কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী), এইচডি দেবগৌড়া (জেডিএস নেতা, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী), শারদ পাওয়ার (এনসিপি নেতা), এম কে স্টালিন (তামিলনাড়ুর ডিএমকে নেতা), শত্রঘ্ন সিনহা (বিজেপি ত্যাগী প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী), যশোবন্ত সিনহা (বিজেপি ত্যাগী প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী), বদরুদ্দিন আজমল (এআইইউডিএফ নেতা অসমের সংসদ সদস্য), গেগং আপাং (অরুণাচলপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, সদ্য প্রাক্তন বিজেপি নেতা), মল্লিকার্জুন খাড়গে (লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের), অভিষেক মনু সিংভি (রাজ্যসভার সদস্য তথা এআইসিসির মুখপাত্র), সতীশ মিশ্র, (বিএসপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা রাজ্যসভার সাংসদ), জিগনেশ মেবানি (গুজরাতের নির্দল বিধায়ক), হার্দিক পটেল (গুজরাতের পতিদার নেতা)।

**০৯:৪৫- সমাবেশ উপলক্ষ্যে সকাল থেকে ভিড় বাড়ছে ব্রিগেডে। ইতিমধ্যেই ব্রিগেডে পৌঁছে গিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সমাবেশের জন্য কলকাতায় বাসগাড়ির সংখ্যা অন্য দিনের তুলনায় বেশ কম। ফলে সাধারণ মানুষের যে ভোগান্তি হবে সেটা আগে স্বীকার করে নিয়েছে কলকাতা পুলিশ। তবুও তাদের তরফ থেকে আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে কলকাতাকে সচল রাখার।

ছবি : রাজীব বসু 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here