কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে জটিলতা কাটল জোকার বহুতল আবাসনের (জেনেক্স ভ্যালি)। ২০১৪ সালে ১৯.৫০ একর জমির উপর বিলাস বহুল আবাসন নির্মাণ করে পাহাড়পুর কুলিং পাওয়ার নামে একটি কোম্পানি। এখানে প্রায় ১৮০০ টি ফ্ল্যাট রয়েছে। প্রকল্প শুরুর কিছুদিন পর এখানকার আবাসিকরা জানতে পারে তারা যে জমির উপর রয়েছেন, সেই জমির ৬.৬০ একর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাস জমির আওতায়।  এটা জানার পরেই এখানকার আবাসিকদের মালিকানা নিয়ে চরম সংকট তৈরি হয়।

সমস্যার সমাধানে তাঁরা যোগাযোগ করেন স্থানীয় বিধায়ক ও কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে। শোভন বাবু তখন গোটা বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর নজরে আনেন। কারণ মুখ্যমন্ত্রী নিজে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতরের মন্ত্রী। তারপরই এই সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হয় সরকার। 

মঙ্গলবার আবাসন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায় জানান, বহু মানুষের সমস্যার কথা ভেবে জোকার আবাসনের যে ৬.৬০ একর খাস জমির মধ্যে ছিল, তা ওই প্রকল্পকেই দিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।  

এই পাহাড়পুর কুলিং টাওয়ারের আরও ২ জায়গায় জমি আছে।  দক্ষিণ ২৪ পরগনার পলতা ও ভাষায়। এই ২টি জমির যে কোনোটি থেকে সরকার ৬.৬০ একর খাস করে নেবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here