নন্দীগ্রাম মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন বৈধ, শুভেন্দু অধিকারী-সহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নোটিশ হাইকোর্টের

0

খবর অনলাইন ডেস্ক: নন্দীগ্রামের ভোট পুনর্গণনা সংক্রান্ত মামলার শুনানি হল কলকাতা হাইকোর্টে। বুধবার বিচারপতি শম্পা সরকার এ দিনের শুনানিতে জানিয়ে দিলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন বৈধ। একই সঙ্গে মামলার সব পক্ষ অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী, নির্বাচন কমিশন, নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসারকে নোটিশ পাঠাল হাইকোর্ট।

মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন বৈধতা খতিয়ে দেখে আদালত। নিয়ম মেনে নির্বাচন পক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যেই আদালতে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বাভাবিক ভাবেই এই ইলেকশন পিটিশন বৈধ বলে জানিয়ে দেয় হাইকোর্ট। বিচারপতি এ দিন ইভিএম, নথি, ভিডিয়ো রেকর্ডিং-সহ নির্বাচনের যাবতীয় নথি সংরক্ষণের নির্দেশ দেন কমিশনকে।

[এই খবরের আপডেট পড়তে পারেন এখানে ক্লিক করে: নন্দীগ্রাম মামলা: পাল্টা পদক্ষেপ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী, জল গড়াল সুপ্রিম কোর্টে]

এ বারের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা। ভোটের ফল গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে মামলা করেন তিনি। ভোট পুনর্গণনার দাবিও জানানো হয়। কিন্তু নন্দীগ্রাম মামলাটি বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চে উঠতেই তাঁর সঙ্গে বিজেপির সম্পর্ক নিয়ে সরব হয় তৃণমূল। মামলাটি অন্য বিচারপতির এজলাসে সরানোর আর্জি জানানো হয়। 

গত ৭ জুলাই এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ান বিচারপতি চন্দ। যদিও তিনি স্পষ্ট করেই জানিয়ে দেন, তাঁর বিরুদ্ধে মামলাকারীর পক্ষ থেকে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার জন্য তিনি সরছেন না। বরং, বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ার কারণেই তিনি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সরে দাঁড়ানোর আগে বিচারপতি এবং বিচারবিভাগের মানহানির অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রীকে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন তিনি। তবে ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী জানিয়েছেন, সেই জরিমানার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করা হবে।

বিচারপতি চন্দ সরে দাঁড়ানোর পর বিচারপতি শম্পা সরকারের নেতৃত্বাধীন সিঙ্গল বেঞ্চে এই মামলার শুনানি শুরু হল। আগামী ১২ আগস্ট ফের এই মামলার শুনানি হবে।

আরও পড়তে পারেন: রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন