calcutta highcourt
কলকাতা হাইকোর্ট

কলকাতা: কয়েকদিন আগেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য আগামী জানুয়ারি থেকে আরও পঁচিশ শতাংশ ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সেই ঘোষণার কোনো ফল মিলল না হাইকোর্টে। এদিন ফের বিচারপতির ভর্ৎসনার মুখে পড়ল রাজ্য।

এদিন ভিন রাজ্যে কর্মরত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের সঙ্গে এ রাজ্যের কর্মীদের মহার্ঘ ভাতার ফারাক নিয়ে বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত বলেন, “গভর্নমেন্ট তো আর প্রাইভেট ফার্ম নয়, একেক জনের জন্য একেক নিয়ম হবে(এ রাজ্যের কর্মীদের বঙ্গভবন, চেন্নাইয়ে পোস্টিং-এর সঙ্গে পশিমবঙ্গে কর্মরতদের তুলনা টানা প্রসঙ্গে)। গভর্নমেন্টকে সবদিক খতিয়ে দেখে বিবেচনা করতে হবে। ডিএ দেওয়ার ক্ষেত্রে স্টেট গভর্নমেন্টের কোনো বৈষম্য রাখা কি উচিত? মুম্বই, দিল্লির থেকে কলকাতার জিনিসপত্রের দাম সস্তা বলে এরাজ্যে কর্মরতরা কম ডিএ পাবেন আর বাইরে কর্মরতরা ফ্যামিলি নিয়ে বাইরে থাকে বলে সেন্ট্রাল গভর্নমেন্টের সমান ডিএ পাবে, এটা কি কখনো হয়? উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, একজন লম্বা লোকের সঙ্গে বেঁটে লোকের তুলনা হতে পারে। কিন্তু লম্বার সঙ্গে মোটার লোকের কি তুলনা হয়? কাজ যদি সব জায়গার কর্মীরা একই করে থাকেন, ডিএ পাবার ক্ষেত্রে বৈষম্য থাকবে কেন?”

রাজ্য সরকারের পক্ষে এজি কিশোর দত্ত এদিন মামলার শুরুতেই জানান, সরকার ফের ১৮ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করেছে। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন ভাতা নিয়ে মোট ২৫ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করেছে। ২০১৯-এর জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর হবে। কিশোর দত্ত আজও দাবি করেন, কর্মচারীদের ডিএ পাওয়ার আইনি অধিকার নেই। যেটা দেওয়া হচ্ছে এটা এক্সগ্রাশিয়া বা অনুদান( নীতিগত বাধ্যবাধকতার কারণে)।

মামলার পরবর্তী শুনানি ১০ জুন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here