নারদকাণ্ডে প্রথম গ্রেফতার সিবিআইয়ের

0
ইন্টারনেট থেকে পাওয়া ছবি

ওয়েবডেস্ক: নারদকাণ্ডের তদন্তে আইপিএস অফিসার এস এম এইচ মির্জাকে গ্রেফতার করল সিবিআই। বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেফতারের পরই প্রাথমিক নিয়ম মেনে তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হয়। এর পরই নিয়ে যাওয়া হয় ব্যাঙ্কশাল আদালতে।

নারদ স্টিং অপারেশনে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে মির্জার বিরুদ্ধে। এর আগে তাঁকে একাধিক বার জেরা করা হয়। জেরা করা হয়েছে একাধিক নেতামন্ত্রীকেও। তবে এ দিন মির্জাকে গ্রেফতারের সঙ্গে সঙ্গে এই প্রথম কোনো অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল সিবিআই। তাঁকে গ্রেফতারের জন্য বেশ কয়েক মাস ধরেই অপেক্ষা করছিল সিবিআই। হাতে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ উঠে আসার পরেই তাঁকে এ দিন গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যায়।

সিবিআই সূত্রের খবর, স্টিং ফুটেজের সূত্র ধরেই অভিযুক্তদের কণ্ঠস্বরের নমুনা রেকর্ড করা হয়। এর পরই যাবতীয় বিষয় খতিয়ে দেখার পর গ্রেফতার করা হয় মির্জাকে।

সূত্রের খবর, ব্যাঙ্কশাল আদালতে তুলে মির্জাকে হেফাজতে চাইবে সিবিআই। কার নির্দেশে টাকা দেওয়া হয়েছিল, কে টাকা দিয়েছিলেন, ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই তাঁকে হেফাজতে চাওয়া হয়।

মির্জাকে আদালতে তোলার পর পাঁচ দিনের হেফাজত চায় সিবিআই। এই দাবির বিরোধিতা করে মির্জার আইনজীবী বলেন, “মির্জা রাজ্যে কর্মরত আইপিএস অফিসার। তিনি তো কোথাও পালিয়ে যাচ্ছেন না। তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার কী প্রয়োজন”? এ ভাবেই চলতে থাকে পাল্টা সওয়াল-জবাব। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাবের পর আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আদালত মির্জাকে সিবিআই হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

প্রসঙ্গত, নারদকাণ্ডে অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতম পুলিশকর্তা এস এম এইচ মির্জা। তবে অন্য একটি মামলায় নবান্ন থেকে তাঁকে আগেই সাসপেন্ড করা হয়।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.