যাবজ্জীবন নয়, সাজা কমল ছত্রধর মাহাতোর

0

কলকাতা: ছত্রধর মাহাতোর সাজা কমিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। যাবজ্জীবন থেকে কমিয়ে ১০ বছর কারাবাসের কথা ঘোষণা করল বিচারপতি মুমতাজ খান ও জয় সেনগুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ। অন্যদিকে মুক্তি দেওয়া হল রাজা সরখেল ও প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কে।

বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায়  যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। একথা উল্লেখ করেই ওই দুজনকে মুক্তি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন বিচারক। তবে বাকি ৩ জন তথা সগুন মুর্মু, শম্ভু সোরেন ও সুখশান্তি বাস্কেকে ছত্রধর মাহাতোর সঙ্গেই ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা শুনিয়েছেন বিচারপতিরা।  

উল্লেখ্য, ২০০৮-এর নভেম্বরে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের কনভয় লক্ষ্য করে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সেই বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পরের বছর বীনপুরের জঙ্গল থেকে ছত্রধর মাহাতোকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় সগুন মুর্মু, শম্ভু সোরেন, সুখশান্তি বাস্কে, রাজা সরখেল, প্রসূন চট্টোপাধ্যায় ও রঞ্জিত মুর্মুকে।

আরও পড়ুন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভরতি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

ছ’বছর ধরে শুনানি পর্বের শেষে ২০১৫-র মে মাসে ছত্রধর মাহাতোদের দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঘোষণা করে মেদিনীপুর দায়রা আদালত। যাবজ্জীবনের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ও ধৃতদের মুক্তির দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে সওয়াল করেন বর্ষীয়ান আইনজীবী শেখর বসু। সেই আবেদনেরই এ দিন চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করল আদালত। সাজা কমানো হল ছত্রধর মাহাতর।

উল্লেখ্য, গ্রেফতারির সময় তাঁর কাছ থেকে কিছু বইপত্র, লিফলেট, জিলেটিন, অস্ত্র পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। সেই সব তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে ছত্রধর মাহাতোকে অস্ত্র মামলায় ৩ বছর, ইউএপিএ আইনে ১০ বছর এবং রাষ্ট্রদোহিতার অপরাধে ৮ বছর কারাবাসের সাজা শোনান বিচারপতিরা।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here