love-jihad

কলকাতা: “রাজস্থানে খুবই দু‌ঃখজনক ঘটনার শিকার হতে হয়েছে আমাদের রাজ্যের মালদহের ছেলে আফরাজুলকে। তাঁকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে। ওঁর পরিবার সহায়-সম্বলহীন। আমাদের সরকার স্থির করেছে ওঁর পরিবারকে তিন লক্ষ টাকা আর্থিক সহযোগিতা করা হবে। এবং ওঁর পরিবারের কোনও যোগ্য ব্যক্তিকে একটি চাকরি দেওয়া হবে। আমি মন্ত্রী ও সাংসদদের ওঁর বাড়িতে পাঠাচ্ছি।”- কিছুক্ষণ আগে ট্যুইটারে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

গত দু’দিন ধরেই রাজস্থানে ‘লাভ জেহাদ’-এর শিকার মালদহের কালিয়াচকের জালুয়াবাথার গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত সৈয়দপুরের বাসিন্দা আফরাজুলের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। গত কাল রাজ্যে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে বিশেষ বৈঠকে তিনি এ বিষয়ে উত্থাপিত সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়ে যান। এমনকী ঘটনাটিকে রাজনৈতিক আখ্যা দিতেও ছাড়েননি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী প্রথম থেকেই এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে এসেছেন। আর আজ ওই নিহত শ্রমিক ঠিকাদারের অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সারা দেশের কাছে মানবিকতার দৃষ্টান্ত তুলে ধরলেন।

জানা গিয়েছে, নিহত আফরাজুলের পারিবারের হাতে অর্থ সাহায্য তুলে দিতে মালদহ রওনা দিয়েছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি মৃতের বাড়িতে যাচ্ছেন সাংসদ সৌগত রায়, কাকলি ঘোষদস্তিদার এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে খবর, ৪৯ বছরের সৈয়দ প্রথমে শ্রমিকের কাজ করলেও বর্তমানে তিনি ঠিকাদারের পেশায় যুক্ত হয়েছিলেন। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী নবম শ্রেণীতে পাঠরতা এক কন্যাকে নিয়ে থাকেন। বাকি দুই মেয়ের বিবাহ হয়ে গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী দাবি করেছেন, এই খুনের মধ্যে অন্য ঘটনা জড়িয়ে রয়েছে। এর সঠিক তদন্ত এবং খুনির ফাঁসি দাবি করেছেন তিনি।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here